ঝিনাইদহের মহেশপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও অবৈধ ইনজেকশনসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের তালসার গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান ও পরিদর্শক (তদন্ত) এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল চিহ্নিত মাদক কারবারি ইসরাফিলের বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানে ইসরাফিলের বাড়ি থেকে ১৪৪ বোতল ভারতীয় স্কাফ সিরাপ, বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ৫০০ পিস ভারতীয় অবৈধ ইনজেকশন, ৩ টি মোবাইল ফোন এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ১ টি ইজিবাইক জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা এসব মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৩ লাখ ৩২ হাজার টাকা।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, “মাদক, মানবপাচার ও সীমান্তপথে সব ধরনের চোরাচালানের বিরুদ্ধে মহেশপুর থানা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। সীমান্তকে অপরাধমুক্ত রাখতে এবং মাদক নির্মূলে পুলিশের এই অভিযান আরও জোরদার করা হবে। কোনো অপরাধীকেই আইনের বাইরে থাকার সুযোগ দেওয়া হবে না।”
\

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
ঝিনাইদহের মহেশপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও অবৈধ ইনজেকশনসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের তালসার গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান ও পরিদর্শক (তদন্ত) এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল চিহ্নিত মাদক কারবারি ইসরাফিলের বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানে ইসরাফিলের বাড়ি থেকে ১৪৪ বোতল ভারতীয় স্কাফ সিরাপ, বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ৫০০ পিস ভারতীয় অবৈধ ইনজেকশন, ৩ টি মোবাইল ফোন এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ১ টি ইজিবাইক জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা এসব মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৩ লাখ ৩২ হাজার টাকা।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, “মাদক, মানবপাচার ও সীমান্তপথে সব ধরনের চোরাচালানের বিরুদ্ধে মহেশপুর থানা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। সীমান্তকে অপরাধমুক্ত রাখতে এবং মাদক নির্মূলে পুলিশের এই অভিযান আরও জোরদার করা হবে। কোনো অপরাধীকেই আইনের বাইরে থাকার সুযোগ দেওয়া হবে না।”
\

আপনার মতামত লিখুন