সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের বড় কাপন পয়েন্টে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় যাত্রী তোলাকে কেন্দ্র করে ২ পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা ১১টার দিকে বাস ও অটোরিকশার ম্যানেজারের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার জেরে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যাত্রী পরিবহন নিয়ে প্রথমে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা দেশীয় অস্ত্রসহ বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নেয়। দফায় দফায় চলা এই সংঘর্ষে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং যান চলাচল বিঘ্নিত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সংঘর্ষে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল ও বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, যাত্রী তোলা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের বড় কাপন পয়েন্টে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় যাত্রী তোলাকে কেন্দ্র করে ২ পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা ১১টার দিকে বাস ও অটোরিকশার ম্যানেজারের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার জেরে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যাত্রী পরিবহন নিয়ে প্রথমে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা দেশীয় অস্ত্রসহ বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নেয়। দফায় দফায় চলা এই সংঘর্ষে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং যান চলাচল বিঘ্নিত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সংঘর্ষে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল ও বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, যাত্রী তোলা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন