হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে নির্ধারিত সময়ের পর দোকানপাট ও শপিং মল খোলা রাখা বন্ধে তদারকি শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সন্ধ্যা৭ টার পর সব ধরনের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে চুনারুঘাট পৌর শহরের বিভিন্ন বাজারে এই মনিটরিং কার্যক্রম চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চুনারুঘাট পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী। এ সময় চুনারুঘাট থানা-পুলিশের একটি দল তাকে সহযোগিতা করে।
অভিযান চলাকালে দেখা যায়, নির্ধারিত সময়ের পরেও কিছু শপিং মল ও দোকান খোলা রয়েছে। প্রশাসন থেকে এসব প্রতিষ্ঠান দ্রুত বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে খোলা রাখলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। এ ছাড়া উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে এই নির্দেশনা প্রচারের জন্য মাইকিং করা হয়েছে।
এদিকে প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, সন্ধ্যা সাতটার পর দোকান বন্ধ রাখলে তাদের ব্যবসায় ধস নামবে। বিশেষ করে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে তারা দুশ্চিন্তায় আছেন। ব্যবসায়ীরা মোমবাতি জ্বালিয়ে হলেও নির্ধারিত সময়ের পর দোকান খোলা রাখার অনুমতির জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানান।
এ বিষয়ে ইউএনও গালিব চৌধুরী বলেন, ‘বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি নির্দেশনা পালন করা সবার দায়িত্ব। নির্ধারিত সময়ের পর শপিং মল বা দোকানপাট খোলা রাখলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা বিষয়টি কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।’

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে নির্ধারিত সময়ের পর দোকানপাট ও শপিং মল খোলা রাখা বন্ধে তদারকি শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সন্ধ্যা৭ টার পর সব ধরনের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে চুনারুঘাট পৌর শহরের বিভিন্ন বাজারে এই মনিটরিং কার্যক্রম চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চুনারুঘাট পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী। এ সময় চুনারুঘাট থানা-পুলিশের একটি দল তাকে সহযোগিতা করে।
অভিযান চলাকালে দেখা যায়, নির্ধারিত সময়ের পরেও কিছু শপিং মল ও দোকান খোলা রয়েছে। প্রশাসন থেকে এসব প্রতিষ্ঠান দ্রুত বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে খোলা রাখলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। এ ছাড়া উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে এই নির্দেশনা প্রচারের জন্য মাইকিং করা হয়েছে।
এদিকে প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, সন্ধ্যা সাতটার পর দোকান বন্ধ রাখলে তাদের ব্যবসায় ধস নামবে। বিশেষ করে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে তারা দুশ্চিন্তায় আছেন। ব্যবসায়ীরা মোমবাতি জ্বালিয়ে হলেও নির্ধারিত সময়ের পর দোকান খোলা রাখার অনুমতির জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানান।
এ বিষয়ে ইউএনও গালিব চৌধুরী বলেন, ‘বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি নির্দেশনা পালন করা সবার দায়িত্ব। নির্ধারিত সময়ের পর শপিং মল বা দোকানপাট খোলা রাখলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা বিষয়টি কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।’

আপনার মতামত লিখুন