রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভেতরে সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব রাকিবকে পিটিয়ে রক্তাক্ত ও জখম করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের ৩ সদস্যের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ৩ পুলিশ সদস্যকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
আহত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রাকিব বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার (৩ জুন) গভীর রাত পর্যন্ত বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা থানার সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
অভিযুক্ত তিন পুলিশ সদস্য হলেন- কনস্টেবল লীমা সরেন, ডিউটি অফিসার মেহেরুন নেছা এবং উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ রানা। ঘটনা তদন্তে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার নরেশ চন্দ্র চাকমাকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন উপপুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মোশারফ হোসেন ও সহকারী কমিশনার সুকুমার রায়।
ভুক্তভোগী রাকিব ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার (৩ জুন) রাতে একটি ‘প্রেমঘটিত’ বিষয়ে পুলিশের হাতে আটক এক যুগলের ঘটনা মীমাংসা করতে থানায় যান রাকিব। ডিউটি অফিসারের কক্ষে কথা বলার সময় পুলিশ সদস্যরা তার সঙ্গে চরম অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এর প্রতিবাদ করলে পুলিশ সদস্যরা তাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে মারতে কক্ষের বাইরে নিয়ে আসেন। একপর্যায়ে তার নাক-মুখ ফাটিয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি মেঝেতে লুটিয়ে পড়লে খবর পেয়ে দলীয় নেতা-কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
ঘটনার পর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজাদ রহমান তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। এদিকে খবর পেয়ে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শামসুজ্জামান শামুসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা থানায় গিয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
মহানগর যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক জহির আলম নয়ন এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘রাকিব একজন ত্যাগী নেতা। রাজনৈতিক কারণে বিগত সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা দেওয়া হয়েছিল, অনেক বার গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আটক ছিলো। পুলিশের এধরনের আচরন খুবই দুঃখজনক।’
এই ঘটনার প্রতিবাদে ও বিচার দাবিতে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভেতরে সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব রাকিবকে পিটিয়ে রক্তাক্ত ও জখম করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের ৩ সদস্যের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ৩ পুলিশ সদস্যকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
আহত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রাকিব বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার (৩ জুন) গভীর রাত পর্যন্ত বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা থানার সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
অভিযুক্ত তিন পুলিশ সদস্য হলেন- কনস্টেবল লীমা সরেন, ডিউটি অফিসার মেহেরুন নেছা এবং উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ রানা। ঘটনা তদন্তে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার নরেশ চন্দ্র চাকমাকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন উপপুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মোশারফ হোসেন ও সহকারী কমিশনার সুকুমার রায়।
ভুক্তভোগী রাকিব ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার (৩ জুন) রাতে একটি ‘প্রেমঘটিত’ বিষয়ে পুলিশের হাতে আটক এক যুগলের ঘটনা মীমাংসা করতে থানায় যান রাকিব। ডিউটি অফিসারের কক্ষে কথা বলার সময় পুলিশ সদস্যরা তার সঙ্গে চরম অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এর প্রতিবাদ করলে পুলিশ সদস্যরা তাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে মারতে কক্ষের বাইরে নিয়ে আসেন। একপর্যায়ে তার নাক-মুখ ফাটিয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি মেঝেতে লুটিয়ে পড়লে খবর পেয়ে দলীয় নেতা-কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
ঘটনার পর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজাদ রহমান তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। এদিকে খবর পেয়ে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শামসুজ্জামান শামুসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা থানায় গিয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
মহানগর যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক জহির আলম নয়ন এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘রাকিব একজন ত্যাগী নেতা। রাজনৈতিক কারণে বিগত সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা দেওয়া হয়েছিল, অনেক বার গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আটক ছিলো। পুলিশের এধরনের আচরন খুবই দুঃখজনক।’
এই ঘটনার প্রতিবাদে ও বিচার দাবিতে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন