দেশে এ বছর কোরবানির ঈদে ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮টি গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে। আর কোরবানি শেষে ২৯ লাখ ৬৬ হাজার ৪২২টি পশু অবিক্রিত (উদ্বৃত্ত) রয়েছে। দেশীয় খামারিদের উৎপাদিত পশুর মাধ্যমেই এ বছরও কোরবানির শতভাগ চাহিদা পূরণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী জানান, এ বছর কোরবানিযোগ্য পশুর মোট চাহিদা ছিল ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। বিপরীতে দেশে কোরবানিযোগ্য পশুর প্রাপ্যতা ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। অর্থাৎ চাহিদার চেয়ে প্রাপ্যতা প্রায় ২২ লাখ বেশি।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন আট বিভাগ থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, কোরবানি হওয়া পশুগুলোর মধ্যে গরু ও মহিষ ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার ১৫৮টি, ছাগল ও ভেড়া ৪৫ লাখ ২ হাজার ২৩৩টি অন্যান্য পশু ১ হাজার ২৭টি।
বিভাগভিত্তিক হিসেবে সবচেয়ে বেশি পশু কোরবানি হয়েছে ঢাকা বিভাগে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কোরবানি হয়েছে রাজশাহী বিভাগে। ঢাকা বিভাগে হয়েছে ২৩ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৬টি কোরবানি, রাজশাহী বিভাগে ২৩ লাখ ৪২ হাজার ৮৬৯টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৭ লাখ ৩৪ হাজার ২৫টি, রংপুর বিভাগে ১০ লাখ ৫০ হাজার ৫৫৪টি, খুলনা বিভাগে ৮ লাখ ৪৬ হাজার ৫টি, বরিশাল বিভাগে ৪ লাখ ১৬০টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৮১৮টি ও সিলেট বিভাগে ২ লাখ ৭৪ হাজার ৩২১টি।
প্রতিমন্ত্রী জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর কোরবানির পশুর সংখ্যা বেড়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪১৮টি। ২০২৫ সালে দেশে মোট ৯১ লাখ ৩৬ হাজার পশু কোরবানি হয়েছিল।
প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, সরকারের সময়োপযোগী নীতি সহায়তা, খামারিদের কঠোর পরিশ্রম এবং উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের ফলে প্রাণিসম্পদ খাত একটি শক্তিশালী ও আত্মনির্ভরশীল অবস্থানে পৌঁছেছে।
মন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে এবং এই খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার আধুনিক প্রযুক্তি ও খামারিবান্ধব নীতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
দেশে এ বছর কোরবানির ঈদে ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮টি গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে। আর কোরবানি শেষে ২৯ লাখ ৬৬ হাজার ৪২২টি পশু অবিক্রিত (উদ্বৃত্ত) রয়েছে। দেশীয় খামারিদের উৎপাদিত পশুর মাধ্যমেই এ বছরও কোরবানির শতভাগ চাহিদা পূরণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী জানান, এ বছর কোরবানিযোগ্য পশুর মোট চাহিদা ছিল ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। বিপরীতে দেশে কোরবানিযোগ্য পশুর প্রাপ্যতা ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। অর্থাৎ চাহিদার চেয়ে প্রাপ্যতা প্রায় ২২ লাখ বেশি।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন আট বিভাগ থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, কোরবানি হওয়া পশুগুলোর মধ্যে গরু ও মহিষ ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার ১৫৮টি, ছাগল ও ভেড়া ৪৫ লাখ ২ হাজার ২৩৩টি অন্যান্য পশু ১ হাজার ২৭টি।
বিভাগভিত্তিক হিসেবে সবচেয়ে বেশি পশু কোরবানি হয়েছে ঢাকা বিভাগে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কোরবানি হয়েছে রাজশাহী বিভাগে। ঢাকা বিভাগে হয়েছে ২৩ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৬টি কোরবানি, রাজশাহী বিভাগে ২৩ লাখ ৪২ হাজার ৮৬৯টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৭ লাখ ৩৪ হাজার ২৫টি, রংপুর বিভাগে ১০ লাখ ৫০ হাজার ৫৫৪টি, খুলনা বিভাগে ৮ লাখ ৪৬ হাজার ৫টি, বরিশাল বিভাগে ৪ লাখ ১৬০টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৮১৮টি ও সিলেট বিভাগে ২ লাখ ৭৪ হাজার ৩২১টি।
প্রতিমন্ত্রী জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর কোরবানির পশুর সংখ্যা বেড়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪১৮টি। ২০২৫ সালে দেশে মোট ৯১ লাখ ৩৬ হাজার পশু কোরবানি হয়েছিল।
প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, সরকারের সময়োপযোগী নীতি সহায়তা, খামারিদের কঠোর পরিশ্রম এবং উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের ফলে প্রাণিসম্পদ খাত একটি শক্তিশালী ও আত্মনির্ভরশীল অবস্থানে পৌঁছেছে।
মন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে এবং এই খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার আধুনিক প্রযুক্তি ও খামারিবান্ধব নীতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন