আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের নির্বাচনে সাফল্যের পর নতুন রাজনৈতিক আত্মবিশ্বাসে ভর করে কেন্দ্রীয় সরকার ফের সামনে আনতে চলেছে বহুচর্চিত ডিলিমিটেশন বিল। বর্ষাকালীন অধিবেশনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তৎপরতা।
সংসদের আসন্ন বর্ষাকালীন অধিবেশনে ফের পেশ হতে পারে ‘সীমানা পুনর্নির্ধারণ’ বা ডিলিমিটেশন বিল। চলতি বছরের বাজেট অধিবেশনে প্রয়োজনীয় সমর্থনের অভাবে বিলটি পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছিল কেন্দ্র। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সমীকরণ বদলের পর নতুন করে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পূর্ব ভারতে নির্বাচনী সাফল্য- বিশেষ করে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারে শক্তি বৃদ্ধি- কেন্দ্রীয় সরকারের কৌশলকে আরও আক্রমণাত্মক করেছে। সেই আত্মবিশ্বাস থেকেই ফের সংসদে বিলটি তোলার পরিকল্পনা।
সূত্রের খবর, বিল পাশ করাতে বিরোধী শিবিরের একাধিক দলের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে সরকার। তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু বিক্ষুব্ধ সাংসদের ইতিবাচক মনোভাব এই সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে সংসদে সংখ্যার অঙ্ক এবার অন্য রকম হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, দক্ষিণ ভারতের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তি ডিএমকের অবস্থান নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে। তামিলনাড়ুর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে দলটির অবস্থান নরম হতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ। যদি তা হয়, তাহলে বিল পাশের পথে বড় বাধা অনেকটাই কমে যাবে।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বাজেট অধিবেশনে ‘সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিল-২০২৬’ এবং ‘সংবিধান (১৩১তম) সংশোধনী বিল-২০২৬’ লোকসভায় পেশ করা হয়েছিল। কিন্তু সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন না থাকায় তা পাশ হয়নি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিল কার্যকর হলে দেশের নির্বাচনী মানচিত্রে বড় পরিবর্তন আসতে পারে, যা ভবিষ্যতের রাজনৈতিক ভারসাম্যকে আমূল বদলে দিতে সক্ষম। তাই বিলটি পাশ করানোর আগে সর্বদলীয় ঐকমত্য গড়ে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্র।
যদিও এখনও পর্যন্ত বর্ষাকালীন অধিবেশনের নির্দিষ্ট সূচি ঘোষণা হয়নি, তবে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী জুলাইয়ের তৃতীয় সপ্তাহে অধিবেশন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর সেই অধিবেশনেই ডিলিমিটেশন বিলকে ঘিরে জাতীয় রাজনীতির বড় সংঘর্ষ দেখা যেতে পারে।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের নির্বাচনে সাফল্যের পর নতুন রাজনৈতিক আত্মবিশ্বাসে ভর করে কেন্দ্রীয় সরকার ফের সামনে আনতে চলেছে বহুচর্চিত ডিলিমিটেশন বিল। বর্ষাকালীন অধিবেশনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তৎপরতা।
সংসদের আসন্ন বর্ষাকালীন অধিবেশনে ফের পেশ হতে পারে ‘সীমানা পুনর্নির্ধারণ’ বা ডিলিমিটেশন বিল। চলতি বছরের বাজেট অধিবেশনে প্রয়োজনীয় সমর্থনের অভাবে বিলটি পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছিল কেন্দ্র। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সমীকরণ বদলের পর নতুন করে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পূর্ব ভারতে নির্বাচনী সাফল্য- বিশেষ করে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারে শক্তি বৃদ্ধি- কেন্দ্রীয় সরকারের কৌশলকে আরও আক্রমণাত্মক করেছে। সেই আত্মবিশ্বাস থেকেই ফের সংসদে বিলটি তোলার পরিকল্পনা।
সূত্রের খবর, বিল পাশ করাতে বিরোধী শিবিরের একাধিক দলের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে সরকার। তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু বিক্ষুব্ধ সাংসদের ইতিবাচক মনোভাব এই সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে সংসদে সংখ্যার অঙ্ক এবার অন্য রকম হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, দক্ষিণ ভারতের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তি ডিএমকের অবস্থান নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে। তামিলনাড়ুর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে দলটির অবস্থান নরম হতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ। যদি তা হয়, তাহলে বিল পাশের পথে বড় বাধা অনেকটাই কমে যাবে।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বাজেট অধিবেশনে ‘সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিল-২০২৬’ এবং ‘সংবিধান (১৩১তম) সংশোধনী বিল-২০২৬’ লোকসভায় পেশ করা হয়েছিল। কিন্তু সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন না থাকায় তা পাশ হয়নি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিল কার্যকর হলে দেশের নির্বাচনী মানচিত্রে বড় পরিবর্তন আসতে পারে, যা ভবিষ্যতের রাজনৈতিক ভারসাম্যকে আমূল বদলে দিতে সক্ষম। তাই বিলটি পাশ করানোর আগে সর্বদলীয় ঐকমত্য গড়ে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্র।
যদিও এখনও পর্যন্ত বর্ষাকালীন অধিবেশনের নির্দিষ্ট সূচি ঘোষণা হয়নি, তবে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী জুলাইয়ের তৃতীয় সপ্তাহে অধিবেশন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর সেই অধিবেশনেই ডিলিমিটেশন বিলকে ঘিরে জাতীয় রাজনীতির বড় সংঘর্ষ দেখা যেতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন