সংখ্যালঘুদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনার মুখে থাকা কেন্দ্রীয় সরকার এবার সেই ধারণা বদলাতে সক্রিয় হয়েছে। প্রধানমন্ত্রিত্বের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার সংখ্যালঘু কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলিকে সামনে রেখে নতুন প্রচার কৌশল নিয়েছে।
আগামী ১০ জুন এনডিএর একটি নৈশভোজের আগে সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিতে শুরু হয়েছে ‘রিফর্মস উৎসব’। এই কর্মসূচির সূচনা করেন কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু।
নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রিজিজু বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার ধর্ম বা জাতপাতের ভিত্তিতে রাজনীতি করে না এবং সব সম্প্রদায়ের উন্নয়নই তাদের লক্ষ্য। তার দাবি, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগ “অপপ্রচার” এবং সরকারি তথ্য যাচাই করলে ভিন্ন চিত্র সামনে আসবে। সরকারের পক্ষ থেকে সংখ্যালঘুদের জন্য চালু বিভিন্ন প্রকল্প—হজ যাত্রার সুবিধা, ঋণ সহায়তা এবং ওয়াকফ সম্পত্তির ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন—উল্লেখ করা হয়।
সংসদে সংশোধিত ওয়াকফ আইনের পর ‘উমিদ’ পোর্টালের মাধ্যমে দ্রুত রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চালু হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই প্রায় ৪.৯৬ লক্ষ ওয়াকফ সম্পত্তি এই পোর্টালে নথিভুক্ত হয়েছে।
তবে অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের একাংশ প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় মুসলিম প্রতিনিধিত্বের অভাব নিয়ে। উত্তরে রিজিজু বলেন, সরকারের মধ্যে বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে—তিনি নিজে বৌদ্ধ এবং রাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ কুরিয়ান খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সংখ্যালঘুদের একটি অংশের মধ্যে যে সংশয় তৈরি হয়েছে, তা দূর করতেই এই উদ্যোগ। বিরোধীরা যেখানে সরকারের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু বিরোধী নীতির অভিযোগ তুলছে, সেখানে কেন্দ্র উন্নয়নমূলক প্রকল্প ও পরিসংখ্যান সামনে রেখে পাল্টা বার্তা দিতে চাইছে।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
সংখ্যালঘুদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনার মুখে থাকা কেন্দ্রীয় সরকার এবার সেই ধারণা বদলাতে সক্রিয় হয়েছে। প্রধানমন্ত্রিত্বের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার সংখ্যালঘু কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলিকে সামনে রেখে নতুন প্রচার কৌশল নিয়েছে।
আগামী ১০ জুন এনডিএর একটি নৈশভোজের আগে সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিতে শুরু হয়েছে ‘রিফর্মস উৎসব’। এই কর্মসূচির সূচনা করেন কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু।
নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রিজিজু বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার ধর্ম বা জাতপাতের ভিত্তিতে রাজনীতি করে না এবং সব সম্প্রদায়ের উন্নয়নই তাদের লক্ষ্য। তার দাবি, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগ “অপপ্রচার” এবং সরকারি তথ্য যাচাই করলে ভিন্ন চিত্র সামনে আসবে। সরকারের পক্ষ থেকে সংখ্যালঘুদের জন্য চালু বিভিন্ন প্রকল্প—হজ যাত্রার সুবিধা, ঋণ সহায়তা এবং ওয়াকফ সম্পত্তির ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন—উল্লেখ করা হয়।
সংসদে সংশোধিত ওয়াকফ আইনের পর ‘উমিদ’ পোর্টালের মাধ্যমে দ্রুত রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চালু হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই প্রায় ৪.৯৬ লক্ষ ওয়াকফ সম্পত্তি এই পোর্টালে নথিভুক্ত হয়েছে।
তবে অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের একাংশ প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় মুসলিম প্রতিনিধিত্বের অভাব নিয়ে। উত্তরে রিজিজু বলেন, সরকারের মধ্যে বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে—তিনি নিজে বৌদ্ধ এবং রাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ কুরিয়ান খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সংখ্যালঘুদের একটি অংশের মধ্যে যে সংশয় তৈরি হয়েছে, তা দূর করতেই এই উদ্যোগ। বিরোধীরা যেখানে সরকারের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু বিরোধী নীতির অভিযোগ তুলছে, সেখানে কেন্দ্র উন্নয়নমূলক প্রকল্প ও পরিসংখ্যান সামনে রেখে পাল্টা বার্তা দিতে চাইছে।

আপনার মতামত লিখুন