সংবাদ

কুড়িগ্রামে ৯ বছরের শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার


প্রকাশ: ৬ জুন ২০২৬, ০৭:২৬ পিএম

কুড়িগ্রামে ৯ বছরের শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা এলাকায় হালিমা খাতুন (৯) নামে দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। 

শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের পদ্মারচর (পাগলার বাজার) এলাকায় নিজ ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

হালিমা ওই এলাকার হেলাল মণ্ডলের মেয়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে হালিমার মা তার বাবাকে ছেড়ে অন্যত্র বিয়ে করেন। এরপর থেকে হালিমা তার দাদা-দাদীর সঙ্গে সরকারি আবাসনে থাকত। তার বাবা কাজের সন্ধানে বর্তমানে টাঙ্গাইলে রয়েছেন।

হালিমার দাদী বেইলা বেগম জানান, তারা বাড়ির পাশের বাজারে একটি হোটেলে ব্যবসা করেন। হালিমা সারাদিন তাদের সঙ্গেই দোকানে ছিল। সন্ধ্যায় সে বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে দোকান থেকে চলে আসে। দেড় ঘণ্টা পার হলেও সে দোকানে ফিরে না আসায় তারা বাড়িতে গিয়ে খোঁজ করেন। পরে ঘরের ভেতর বাঁশের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলে থাকতে দেখেন।

নারায়ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে শনিবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল সম্পন্ন করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অর্পণ কুমার দাস বলেন, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের চাচা জিয়াউর রহমান থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা করেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬


কুড়িগ্রামে ৯ বছরের শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬

featured Image

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা এলাকায় হালিমা খাতুন (৯) নামে দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। 

শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের পদ্মারচর (পাগলার বাজার) এলাকায় নিজ ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

হালিমা ওই এলাকার হেলাল মণ্ডলের মেয়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে হালিমার মা তার বাবাকে ছেড়ে অন্যত্র বিয়ে করেন। এরপর থেকে হালিমা তার দাদা-দাদীর সঙ্গে সরকারি আবাসনে থাকত। তার বাবা কাজের সন্ধানে বর্তমানে টাঙ্গাইলে রয়েছেন।

হালিমার দাদী বেইলা বেগম জানান, তারা বাড়ির পাশের বাজারে একটি হোটেলে ব্যবসা করেন। হালিমা সারাদিন তাদের সঙ্গেই দোকানে ছিল। সন্ধ্যায় সে বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে দোকান থেকে চলে আসে। দেড় ঘণ্টা পার হলেও সে দোকানে ফিরে না আসায় তারা বাড়িতে গিয়ে খোঁজ করেন। পরে ঘরের ভেতর বাঁশের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলে থাকতে দেখেন।

নারায়ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে শনিবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল সম্পন্ন করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অর্পণ কুমার দাস বলেন, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের চাচা জিয়াউর রহমান থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা করেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত