সংবাদ

মেঘনায় অবৈধ বালু উত্তোলন, আটক ৩


প্রতিনিধি, চাঁদপুর
প্রতিনিধি, চাঁদপুর
প্রকাশ: ৬ জুন ২০২৬, ০৭:৪৭ পিএম

মেঘনায় অবৈধ বালু উত্তোলন, আটক ৩
চাঁদপুরের হাইমচরে মেঘনা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান চালান ইউএনও। ছবি : সংবাদ

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের সাহেবগঞ্জ এলাকায় মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু তোলার দায়ে তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার (৬ জুন) বিকেলে এ অভিযান চালানো হয়। একই সঙ্গে বালু তোলায় ব্যবহৃত তিনটি মিনি ড্রেজার পাম্প জব্দ করা হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার মধ্যচর ভাঙা এলাকার বাসিন্দা ও নীলকমল ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সেলিনা মেম্বারের ছেলে মোহাম্মদ আশরাফুল আলম ওরফে বেঙ্গল (৩৮) এবং তার দুই সহযোগী কুদ্দুস আলী (৩২) ও মোহাম্মদ আক্কাস ফকির (৪৫)। ভ্রাম্যমাণ আদালত আশরাফুল আলমকে তিন মাস এবং তার দুই সহযোগীকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত রায় এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাহেবগঞ্জ এলাকায় মেঘনা নদীতে অভিযান চালানো হয়। সেখানে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ লঙ্ঘন করে বালু উত্তোলনের সত্যতা পাওয়ায় তাদের সাজা দেওয়া হয়েছে।

ইউএনও অমিত রায় বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে তিনটি ড্রেজার পাম্প জব্দ করে নীলকমল ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে ও নদী রক্ষায় এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আশরাফুল আলম দীর্ঘদিন ধরে দলবল নিয়ে পাম্পের মাধ্যমে নদীর তলদেশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিলেন। প্রশাসনের এই অভিযানে এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬


মেঘনায় অবৈধ বালু উত্তোলন, আটক ৩

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬

featured Image

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের সাহেবগঞ্জ এলাকায় মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু তোলার দায়ে তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার (৬ জুন) বিকেলে এ অভিযান চালানো হয়। একই সঙ্গে বালু তোলায় ব্যবহৃত তিনটি মিনি ড্রেজার পাম্প জব্দ করা হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার মধ্যচর ভাঙা এলাকার বাসিন্দা ও নীলকমল ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সেলিনা মেম্বারের ছেলে মোহাম্মদ আশরাফুল আলম ওরফে বেঙ্গল (৩৮) এবং তার দুই সহযোগী কুদ্দুস আলী (৩২) ও মোহাম্মদ আক্কাস ফকির (৪৫)। ভ্রাম্যমাণ আদালত আশরাফুল আলমকে তিন মাস এবং তার দুই সহযোগীকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত রায় এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাহেবগঞ্জ এলাকায় মেঘনা নদীতে অভিযান চালানো হয়। সেখানে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ লঙ্ঘন করে বালু উত্তোলনের সত্যতা পাওয়ায় তাদের সাজা দেওয়া হয়েছে।

ইউএনও অমিত রায় বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে তিনটি ড্রেজার পাম্প জব্দ করে নীলকমল ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে ও নদী রক্ষায় এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আশরাফুল আলম দীর্ঘদিন ধরে দলবল নিয়ে পাম্পের মাধ্যমে নদীর তলদেশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিলেন। প্রশাসনের এই অভিযানে এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত