রাজবাড়ী শহরে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের মাঠ কর্মকর্তা (ফিল্ড অফিসার) মাসুম বিল্লাহকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় জিল্লুর রহমান ওরফে লালু (৬৫) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে মঙ্গলবার (৯ জুন) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার জিল্লুর রহমান রাজবাড়ী শহরের ভাজনচালা এলাকার বাসিন্দা। মামলার প্রধান আসামি তার ছোট ভাই ও পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মাহবুবুর রহমান পলাশ (৫০) বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
ব্যাংক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ জুন বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে রাজবাড়ী শহরের বড় বাজার এলাকার এফ এন টাওয়ারে অবস্থিত আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের পার্কিং এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত মাসুম বিল্লাহকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার মাথায় ১০টি সেলাই লেগেছে।
এ ঘটনায় ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা (সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার) মো. ইয়াসিন মন্ডল বাদী হয়ে রাজবাড়ী সদর থানায় একটি মামলা করেছেন। মাসুম বিল্লাহর বাড়ি যশোর সদর উপজেলার নাটুয়া পাড়া এলাকায়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ওই দিন বিকেলে ব্যাংকের পার্কিং এলাকায় নিরাপত্তাকর্মী পিয়াসের সঙ্গে অভিযুক্ত পলাশ ও জিল্লুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তারা পিয়াস ও ব্যাংকের মাঠ তত্ত্বাবধায়ক সোহেল রানাকে মারধর শুরু করেন। মাসুম বিল্লাহ তাদের শান্ত করতে গেলে জিল্লুর তাকে কিল-ঘুষি মারেন এবং পলাশ রামদা দিয়ে মাসুমের মাথায় কোপ দেন।
আহত মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘পলাশের সঙ্গে আমার কোনো পূর্বশত্রুতা নেই। আমাদের কর্মীদের মারধর করতে দেখে আমি শুধু ঠেকাতে গিয়েছিলাম। তখনই তিনি আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করেন।’
রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, মামলার ২ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। প্রধান আসামি সাবেক কাউন্সিলর পলাশকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন