সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সুপ্রবি) স্থায়ী ক্যাম্পাস জেলা সদরে স্থাপন এবং বর্তমান উপাচার্যের (ভিসি) অপসারণের দাবিতে ১০ দিনের আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। দাবি মানা না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে শহরের শহীদ জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে ‘সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাস জেলা সদরে বাস্তবায়ন আন্দোলন’-এর ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি রবিউল লেইছ রোকেসের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সদস্যসচিব মুনাজ্জির হোসেন সুজন।
লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বৃহত্তর জনস্বার্থ উপেক্ষা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস সদর থেকে দূরে শান্তিগঞ্জে স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। জেলা শহরকে গুরুত্বহীন করার প্রশাসনিক অপচেষ্টার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ বিরাজ করছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এই দাবি সুরাহা হবে বলে আশা করা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।
আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, বর্তমান উপাচার্য জেলা সদরবিমুখ। তিনি সিন্ডিকেট গঠনে ছলচাতুরীর আশ্রয় নিয়েছেন এবং সুনামগঞ্জ সদরের কোনো জনপ্রতিনিধি বা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদকে সেখানে রাখেননি। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে জনবল নিয়োগের অভিযোগ তোলা হয়। বলা হয়, নিয়োগপ্রাপ্তদের সিংহভাগই একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর এবং সিলেট বিভাগের বাইরের বাসিন্দা।
মুনাজ্জির হোসেন সুজন বলেন, ‘সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় যেমন সদর উপজেলাতেই হয়েছে, আমরাও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টি জেলা সদরে চাই। বর্তমান উপাচার্যকে ১০ দিনের মধ্যে প্রত্যাহার এবং তার মেয়াদে হওয়া বিতর্কিত নিয়োগগুলো স্থগিত করতে হবে। অন্যথায় আমরা রাজপথে নামতে বাধ্য হব।’
এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে শিক্ষা উপদেষ্টা বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন আন্দোলনকারীরা। সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আকবর আলী, শিক্ষাবিদ যোগেশ্বর দাস, জেলা সিপিবির সাবেক সভাপতি চিত্তরঞ্জন তালুকদারসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
/

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সুপ্রবি) স্থায়ী ক্যাম্পাস জেলা সদরে স্থাপন এবং বর্তমান উপাচার্যের (ভিসি) অপসারণের দাবিতে ১০ দিনের আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। দাবি মানা না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে শহরের শহীদ জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে ‘সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাস জেলা সদরে বাস্তবায়ন আন্দোলন’-এর ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি রবিউল লেইছ রোকেসের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সদস্যসচিব মুনাজ্জির হোসেন সুজন।
লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বৃহত্তর জনস্বার্থ উপেক্ষা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস সদর থেকে দূরে শান্তিগঞ্জে স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। জেলা শহরকে গুরুত্বহীন করার প্রশাসনিক অপচেষ্টার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ বিরাজ করছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এই দাবি সুরাহা হবে বলে আশা করা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।
আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, বর্তমান উপাচার্য জেলা সদরবিমুখ। তিনি সিন্ডিকেট গঠনে ছলচাতুরীর আশ্রয় নিয়েছেন এবং সুনামগঞ্জ সদরের কোনো জনপ্রতিনিধি বা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদকে সেখানে রাখেননি। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে জনবল নিয়োগের অভিযোগ তোলা হয়। বলা হয়, নিয়োগপ্রাপ্তদের সিংহভাগই একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর এবং সিলেট বিভাগের বাইরের বাসিন্দা।
মুনাজ্জির হোসেন সুজন বলেন, ‘সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় যেমন সদর উপজেলাতেই হয়েছে, আমরাও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টি জেলা সদরে চাই। বর্তমান উপাচার্যকে ১০ দিনের মধ্যে প্রত্যাহার এবং তার মেয়াদে হওয়া বিতর্কিত নিয়োগগুলো স্থগিত করতে হবে। অন্যথায় আমরা রাজপথে নামতে বাধ্য হব।’
এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে শিক্ষা উপদেষ্টা বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন আন্দোলনকারীরা। সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আকবর আলী, শিক্ষাবিদ যোগেশ্বর দাস, জেলা সিপিবির সাবেক সভাপতি চিত্তরঞ্জন তালুকদারসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
/

আপনার মতামত লিখুন