গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার ভাতিজাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৩। শুক্রবার (১২ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের মিরাপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম আতিকুর রহমান ওরফে আতাব (৫০)। তিনি ওই গ্রামের মৃত হোসেন আলীর ছেলে। র্যাব-১৩-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী ও অভিযুক্ত আতিকুর রহমান একই বাড়িতে বসবাস করেন। গত ১৬ মে বিকেলে ওই নারী বাড়ির নলকূপে গোসল করতে গেলে আতিকুর তার মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করেন। এ সময় ভুক্তভোগীর শিশুকন্যা ঘটনাটি দেখে চিৎকার শুরু করলে অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুটির গলাও চেপে ধরেন।
শিশুর চিৎকার শুনে ভুক্তভোগীর ভাবি ঘটনাস্থলে এগিয়ে এলে আতিকুর পালিয়ে নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে ঘরের ভেতর আটকে রাখলেও স্বজনদের সহায়তায় তিনি পালিয়ে যান। এ ঘটনায় গত ১৭ মে ভুক্তভোগী নারীর ভাই বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
মামলা হওয়ার পর থেকেই আসামি পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রাত সোয়া ১ টার দিকে র্যাব-১৩ গাইবান্ধা ক্যাম্পের একটি দল মিরাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
র্যাব-১৩-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গোবিন্দগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
/

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার ভাতিজাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৩। শুক্রবার (১২ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের মিরাপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম আতিকুর রহমান ওরফে আতাব (৫০)। তিনি ওই গ্রামের মৃত হোসেন আলীর ছেলে। র্যাব-১৩-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী ও অভিযুক্ত আতিকুর রহমান একই বাড়িতে বসবাস করেন। গত ১৬ মে বিকেলে ওই নারী বাড়ির নলকূপে গোসল করতে গেলে আতিকুর তার মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করেন। এ সময় ভুক্তভোগীর শিশুকন্যা ঘটনাটি দেখে চিৎকার শুরু করলে অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুটির গলাও চেপে ধরেন।
শিশুর চিৎকার শুনে ভুক্তভোগীর ভাবি ঘটনাস্থলে এগিয়ে এলে আতিকুর পালিয়ে নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে ঘরের ভেতর আটকে রাখলেও স্বজনদের সহায়তায় তিনি পালিয়ে যান। এ ঘটনায় গত ১৭ মে ভুক্তভোগী নারীর ভাই বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
মামলা হওয়ার পর থেকেই আসামি পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রাত সোয়া ১ টার দিকে র্যাব-১৩ গাইবান্ধা ক্যাম্পের একটি দল মিরাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
র্যাব-১৩-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গোবিন্দগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
/

আপনার মতামত লিখুন