সুন্দরবনে বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনীর হাতে অপহৃত হওয়ার ৬০ ঘণ্টা পর মুক্তি পেয়েছেন বন বিভাগের এক বেতার চালকসহ ৩ জন। শুক্রবার (১২ জুন) ভোররাতে দস্যুরা তাদের সুন্দরবনের আমবাড়ীয়া এলাকায় ছেড়ে দেয়। এর আগে গত মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে শরণখোলা রেঞ্জের কালামিয়া এলাকা থেকে তাদের অপহরণ করা হয়েছিল।
মুক্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের দুবলা ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির বেতার চালক মো. ফরিদুল ইসলাম এবং ট্রলার মাঝি তোফাজ্জেল সরদার ও তার সহকারী মো. আলকাস।
বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেতার চালক ফরিদুল ইসলাম জামালপুরে নিজ বাড়িতে ছুটি কাটিয়ে গত মঙ্গলবার দুপুরে পাথরঘাটার পদ্মা স্লুইস থেকে দুবলা অফিসের উদ্দেশে ট্রলারে রওনা হন। বিকেল পাঁচটার দিকে সুন্দরবনের কালামিয়া এলাকা অতিক্রমকালে বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনী ট্রলারটিতে হামলা চালিয়ে তাদের অপহরণ করে। তিন দিন ধরে তাদের কোনো সন্ধান না পেয়ে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে শরণখোলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ফরেস্ট রেঞ্জার মো. খলিলুর রহমান।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করীম চৌধুরী জানান, নিখোঁজ বনকর্মীর সন্ধানে ৩ দিন ধরে সুন্দরবনে ড্রোন উড়িয়ে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। শুক্রবার (১২ জুন) ভোরে দস্যুরা তাদের চোখ বেঁধে আমবাড়ীয়া এলাকায় ছেড়ে দিয়ে যায়। দস্যুরা অপহৃত ব্যক্তির বনকর্মী পরিচয় জানতে পেরে কোনো মুক্তিপণ দাবি করেনি বলে জানান এই কর্মকর্তা। শুক্রবার সকালে তারা দুবলা অফিসে ফিরে এসেছেন।
/

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
সুন্দরবনে বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনীর হাতে অপহৃত হওয়ার ৬০ ঘণ্টা পর মুক্তি পেয়েছেন বন বিভাগের এক বেতার চালকসহ ৩ জন। শুক্রবার (১২ জুন) ভোররাতে দস্যুরা তাদের সুন্দরবনের আমবাড়ীয়া এলাকায় ছেড়ে দেয়। এর আগে গত মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে শরণখোলা রেঞ্জের কালামিয়া এলাকা থেকে তাদের অপহরণ করা হয়েছিল।
মুক্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের দুবলা ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির বেতার চালক মো. ফরিদুল ইসলাম এবং ট্রলার মাঝি তোফাজ্জেল সরদার ও তার সহকারী মো. আলকাস।
বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেতার চালক ফরিদুল ইসলাম জামালপুরে নিজ বাড়িতে ছুটি কাটিয়ে গত মঙ্গলবার দুপুরে পাথরঘাটার পদ্মা স্লুইস থেকে দুবলা অফিসের উদ্দেশে ট্রলারে রওনা হন। বিকেল পাঁচটার দিকে সুন্দরবনের কালামিয়া এলাকা অতিক্রমকালে বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনী ট্রলারটিতে হামলা চালিয়ে তাদের অপহরণ করে। তিন দিন ধরে তাদের কোনো সন্ধান না পেয়ে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে শরণখোলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ফরেস্ট রেঞ্জার মো. খলিলুর রহমান।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করীম চৌধুরী জানান, নিখোঁজ বনকর্মীর সন্ধানে ৩ দিন ধরে সুন্দরবনে ড্রোন উড়িয়ে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। শুক্রবার (১২ জুন) ভোরে দস্যুরা তাদের চোখ বেঁধে আমবাড়ীয়া এলাকায় ছেড়ে দিয়ে যায়। দস্যুরা অপহৃত ব্যক্তির বনকর্মী পরিচয় জানতে পেরে কোনো মুক্তিপণ দাবি করেনি বলে জানান এই কর্মকর্তা। শুক্রবার সকালে তারা দুবলা অফিসে ফিরে এসেছেন।
/

আপনার মতামত লিখুন