বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল শনিবার (১৩ জুন) দিনব্যাপী সফরে কক্সবাজার যাচ্ছেন। সফরকালে তিনি জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা এবং একাধিক রাজনৈতিক ও সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে কেন্দ্র করে জেলায় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক পর্যায়ে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
সফরের অন্যতম প্রধান কর্মসূচি হলো পিএমখালীর ঐতিহাসিক পাতলী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন। ১৯৭৯ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজ হাতে কোদাল দিয়ে এই খালের খননকাজ শুরু করেছিলেন। সেই ঐতিহাসিক স্মৃতির ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। এরপর তিনি সেখানে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য দেবেন।
পিএমখালী ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মো. শামশুল হক জানান, পাতলী খাল পুনঃখনন সম্পন্ন হলে অন্তত দুই লাখ মানুষ উপকৃত হবেন। স্থানীয় বাসিন্দারা এই এলাকায় একটি ‘জিয়া স্মৃতি পার্ক’ নির্মাণের দাবিও জানিয়েছেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করবেন এবং বনাঞ্চল রক্ষায় আগামী পাঁচ বছরের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
সফরের আরেকটি উল্লেখযোগ্য অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী পেকুয়ায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করবেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এ ছাড়া তিনি নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভা এবং মাতামুহুরী উপজেলা ও থানার উদ্বোধন করবেন।
বিকেলে চকরিয়া উপজেলা বাস টার্মিনালে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সন্ধ্যায় কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ ও সমুদ্রসৈকত পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়ার মাধ্যমে তার সফর শেষ হবে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। প্রতিটি কর্মসূচি নিরাপদ ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে সমন্বয় সভা করা হয়েছে।
/

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল শনিবার (১৩ জুন) দিনব্যাপী সফরে কক্সবাজার যাচ্ছেন। সফরকালে তিনি জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা এবং একাধিক রাজনৈতিক ও সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে কেন্দ্র করে জেলায় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক পর্যায়ে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
সফরের অন্যতম প্রধান কর্মসূচি হলো পিএমখালীর ঐতিহাসিক পাতলী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন। ১৯৭৯ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজ হাতে কোদাল দিয়ে এই খালের খননকাজ শুরু করেছিলেন। সেই ঐতিহাসিক স্মৃতির ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। এরপর তিনি সেখানে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য দেবেন।
পিএমখালী ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মো. শামশুল হক জানান, পাতলী খাল পুনঃখনন সম্পন্ন হলে অন্তত দুই লাখ মানুষ উপকৃত হবেন। স্থানীয় বাসিন্দারা এই এলাকায় একটি ‘জিয়া স্মৃতি পার্ক’ নির্মাণের দাবিও জানিয়েছেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করবেন এবং বনাঞ্চল রক্ষায় আগামী পাঁচ বছরের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
সফরের আরেকটি উল্লেখযোগ্য অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী পেকুয়ায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করবেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এ ছাড়া তিনি নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভা এবং মাতামুহুরী উপজেলা ও থানার উদ্বোধন করবেন।
বিকেলে চকরিয়া উপজেলা বাস টার্মিনালে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সন্ধ্যায় কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ ও সমুদ্রসৈকত পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়ার মাধ্যমে তার সফর শেষ হবে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। প্রতিটি কর্মসূচি নিরাপদ ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে সমন্বয় সভা করা হয়েছে।
/

আপনার মতামত লিখুন