নরসিংদীতে অটোরিকশাচালক সারোয়ার হোসেন (২২) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ২ যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে সদর মডেল থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. কলিমুল্লাহ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মো. আনোয়ার হোসেন (২৭) ও আশিক (২১)। নিহত সারোয়ার হোসেন নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার চন্দগাতী এলাকার হাজি রহমানের ছেলে। তিনি সপরিবার নরসিংদী শহরের টাওয়াদী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালাতেন।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গত ১৫ জুন রাত সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলার নজরপুর ইউনিয়নের চম্পকনগর গ্রামের বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে এক অজ্ঞাত তরুণের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আনোয়ার ও আশিককে আটক করে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কলিমুল্লাহ জানান, পাওনা টাকা নিয়ে সারোয়ারের সঙ্গে আনোয়ারের বিরোধ ছিল। এর জেরে গত ১৩ জুন কৌশলে অটোরিকশাসহ সারোয়ারকে চম্পকনগর এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে গলা কেটে হত্যার পর মরদেহ ফেলে রাখা হয়। পরে আসামিরা অটোরিকশার ব্যাটারি খুলে নিয়ে অন্য জায়গায় বিক্রি করে দেন।
/

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
নরসিংদীতে অটোরিকশাচালক সারোয়ার হোসেন (২২) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ২ যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে সদর মডেল থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. কলিমুল্লাহ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মো. আনোয়ার হোসেন (২৭) ও আশিক (২১)। নিহত সারোয়ার হোসেন নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার চন্দগাতী এলাকার হাজি রহমানের ছেলে। তিনি সপরিবার নরসিংদী শহরের টাওয়াদী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালাতেন।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গত ১৫ জুন রাত সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলার নজরপুর ইউনিয়নের চম্পকনগর গ্রামের বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে এক অজ্ঞাত তরুণের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আনোয়ার ও আশিককে আটক করে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কলিমুল্লাহ জানান, পাওনা টাকা নিয়ে সারোয়ারের সঙ্গে আনোয়ারের বিরোধ ছিল। এর জেরে গত ১৩ জুন কৌশলে অটোরিকশাসহ সারোয়ারকে চম্পকনগর এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে গলা কেটে হত্যার পর মরদেহ ফেলে রাখা হয়। পরে আসামিরা অটোরিকশার ব্যাটারি খুলে নিয়ে অন্য জায়গায় বিক্রি করে দেন।
/

আপনার মতামত লিখুন