বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জা কসমেটিক সার্জারি, সৌন্দর্যের প্রচলিত মানদণ্ড এবং নারীদের প্রতি ইন্ডাস্ট্রির দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। সম্প্রতি দ্য পিপল-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই তাকে চেহারা বদলানোর নানা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দিয়ার ভাষ্য, কখনো
ঠোঁটে ফিলার করাতে, আবার কখনো স্তনের আকার বড় করতে বলা হয়েছে। তবে সবচেয়ে অবাক করার
বিষয় হলো, এসব পরামর্শ কোনো নারীর কাছ থেকে নয়, বরং পুরুষদের কাছ থেকেই এসেছে।
অভিনেত্রী বলেন,
বিনোদনজগতের বড় অংশই পুরুষনিয়ন্ত্রিত। তাদের তৈরি সৌন্দর্যের মানদণ্ড নারীদের মধ্যে
অনিরাপত্তা তৈরি করে এবং কসমেটিক সার্জারির দিকে ঠেলে দেয়। তাঁর মতে, যখন একজন নারী
নিজের স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে অস্বীকার করে পরিবর্তনের প্রয়োজন অনুভব করেন, তখন সেটি
একটি ‘ফাঁদ’-এ পরিণত হয়।
দিয়া আরও জানান,
খুব অল্প বয়সেই দুটি আন্তর্জাতিক বিউটি টাইটেল জেতার পরও তাকে বারবার বলা হতো— শরীরের
কোন অংশ বদলালে আরও সুন্দর দেখাবে। পরিচালক, প্রযোজক কিংবা নিজেকে বিশেষজ্ঞ দাবি করা
অনেকেই এমন পরামর্শ দিয়েছেন। তবে কোনো নারী কখনো তাকে এ ধরনের মন্তব্য করেননি বলেও
উল্লেখ করেন তিনি।
অভিনেত্রীর এই বক্তব্য
আবারও বলিউডে নারীদের প্রতি সৌন্দর্যকেন্দ্রিক চাপ এবং কসমেটিক সার্জারি নিয়ে চলমান
বিতর্ককে সামনে নিয়ে এসেছে।

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জা কসমেটিক সার্জারি, সৌন্দর্যের প্রচলিত মানদণ্ড এবং নারীদের প্রতি ইন্ডাস্ট্রির দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। সম্প্রতি দ্য পিপল-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই তাকে চেহারা বদলানোর নানা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দিয়ার ভাষ্য, কখনো
ঠোঁটে ফিলার করাতে, আবার কখনো স্তনের আকার বড় করতে বলা হয়েছে। তবে সবচেয়ে অবাক করার
বিষয় হলো, এসব পরামর্শ কোনো নারীর কাছ থেকে নয়, বরং পুরুষদের কাছ থেকেই এসেছে।
অভিনেত্রী বলেন,
বিনোদনজগতের বড় অংশই পুরুষনিয়ন্ত্রিত। তাদের তৈরি সৌন্দর্যের মানদণ্ড নারীদের মধ্যে
অনিরাপত্তা তৈরি করে এবং কসমেটিক সার্জারির দিকে ঠেলে দেয়। তাঁর মতে, যখন একজন নারী
নিজের স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে অস্বীকার করে পরিবর্তনের প্রয়োজন অনুভব করেন, তখন সেটি
একটি ‘ফাঁদ’-এ পরিণত হয়।
দিয়া আরও জানান,
খুব অল্প বয়সেই দুটি আন্তর্জাতিক বিউটি টাইটেল জেতার পরও তাকে বারবার বলা হতো— শরীরের
কোন অংশ বদলালে আরও সুন্দর দেখাবে। পরিচালক, প্রযোজক কিংবা নিজেকে বিশেষজ্ঞ দাবি করা
অনেকেই এমন পরামর্শ দিয়েছেন। তবে কোনো নারী কখনো তাকে এ ধরনের মন্তব্য করেননি বলেও
উল্লেখ করেন তিনি।
অভিনেত্রীর এই বক্তব্য
আবারও বলিউডে নারীদের প্রতি সৌন্দর্যকেন্দ্রিক চাপ এবং কসমেটিক সার্জারি নিয়ে চলমান
বিতর্ককে সামনে নিয়ে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন