সংবাদ

খিলগাঁওয়ে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সাংস্কৃতিক ফোরামের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৮:৩৪ পিএম

খিলগাঁওয়ে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সাংস্কৃতিক ফোরামের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত
ছবি : সংবাদ

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের পল্লীমা সংসদে গতকাল শনিবার জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হলো বৃহত্তর ময়মনসিংহ সাংস্কৃতিক ফোরামের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০২৬। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচিতে কিছুটা পরিবর্তন এনে সংক্ষিপ্ত পরিসরে দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই উৎসব সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও কৃষিবিষয়ক উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম খানের দ্রুত আরোগ্য কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। ফোরামের সমাজকল্যাণ সেলের আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান ময়ানার পরিচালনায় এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

পল্লীমা সংসদ, খিলগাঁও


পরে ফোরামের সভাপতি, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের চেয়ারম্যান এ এস এম আবদুল হালিম এই উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মোশারফ হোসেন এবং বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী।

শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. আশরাফ সিদ্দিকীর কন্যা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক তাসনীম সিদ্দিকী এবং সাবেক সচিব আব্দুল ওয়াহাব। অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হাসান শেলী। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশিষ্ট নাট্যকার ও প্রতিযোগিতা উপকমিটির আহ্বায়ক ড. গোলাম শফিক।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল গুণীজন সম্মাননা পর্ব। সাবেক রাষ্ট্রদূত মসয়ূদ মান্নানের সভাপতিত্বে দেশের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে এবং ফোরামের প্রতিষ্ঠালগ্নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

সম্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন-ফোরামের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সাবেক সচিব এ এইচ এম সাদেকুল হক ও সাহিত্যিক-সাংবাদিক আরেফিন বাদল। এ ছাড়া জাতীয় পর্যায়ে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের জন্য ইমেরিটাস অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক, সাহিত্যিক-সাংবাদিক আতা সরকার, বিশিষ্ট ব্যাংকার ও লেখক ড. ইউসুফ খান, চিত্রনায়িকা নূতন, বিশিষ্ট সমাজসেবী রাজিয়া সামাদ ডালিয়া এবং কবি ও গবেষক রইস মনরমকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

বিকেলে ফোরামের সাংস্কৃতিক সেল, সমাজকল্যাণ সেল ও প্রতিযোগিতা উপকমিটির যৌথ ব্যবস্থাপনায় জেলা পর্যায় থেকে আগত নিবন্ধিত প্রতিযোগীদের নিয়ে কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এই পর্বের মূল দায়িত্বে ছিলেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা মসিউদ্দিন শাকের ও সমাজসেবী রাজিয়া সামাদ ডালিয়া। অনুষ্ঠানটি সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ রেজা, সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহিদুজ্জামান, সানোয়ার সামছী এবং প্রকৌশলী এম এ মান্নান।

প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দেশের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। লোকসংগীত বিভাগে বিচারক ছিলেন আকরামুল ইসলাম, আমিনুল হক ও আবু বকর সিদ্দিক। সংগীত বিভাগে দায়িত্ব পালন করেন ফেরদৌস পারভীন খান, রুমি আজনবী, শেলী চন্দ, রাহাত আরা গীতি, ড. মো. শোয়েব, মানিক রহমান ও শহীদ কবীর পলাশ। নৃত্য বিভাগে বিচারক ছিলেন নিলুফার ওয়াহিদ পাপড়ি ও ফারহানা চৌধুরী বেবী। এ ছাড়া অভিনয় ও আবৃত্তি বিভাগে বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন আব্দুল কাদের তালুকদার, মির্জা আবদুর রাজ্জাক, রূপশ্রী চক্রবর্তী ও খন্দকার ফারহানা রহমান সোমা।


.

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬


খিলগাঁওয়ে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সাংস্কৃতিক ফোরামের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬

featured Image

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের পল্লীমা সংসদে গতকাল শনিবার জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হলো বৃহত্তর ময়মনসিংহ সাংস্কৃতিক ফোরামের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০২৬। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচিতে কিছুটা পরিবর্তন এনে সংক্ষিপ্ত পরিসরে দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই উৎসব সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও কৃষিবিষয়ক উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম খানের দ্রুত আরোগ্য কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। ফোরামের সমাজকল্যাণ সেলের আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান ময়ানার পরিচালনায় এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

পল্লীমা সংসদ, খিলগাঁও


পরে ফোরামের সভাপতি, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের চেয়ারম্যান এ এস এম আবদুল হালিম এই উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মোশারফ হোসেন এবং বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী।

শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. আশরাফ সিদ্দিকীর কন্যা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক তাসনীম সিদ্দিকী এবং সাবেক সচিব আব্দুল ওয়াহাব। অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হাসান শেলী। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশিষ্ট নাট্যকার ও প্রতিযোগিতা উপকমিটির আহ্বায়ক ড. গোলাম শফিক।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল গুণীজন সম্মাননা পর্ব। সাবেক রাষ্ট্রদূত মসয়ূদ মান্নানের সভাপতিত্বে দেশের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে এবং ফোরামের প্রতিষ্ঠালগ্নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

সম্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন-ফোরামের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সাবেক সচিব এ এইচ এম সাদেকুল হক ও সাহিত্যিক-সাংবাদিক আরেফিন বাদল। এ ছাড়া জাতীয় পর্যায়ে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের জন্য ইমেরিটাস অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক, সাহিত্যিক-সাংবাদিক আতা সরকার, বিশিষ্ট ব্যাংকার ও লেখক ড. ইউসুফ খান, চিত্রনায়িকা নূতন, বিশিষ্ট সমাজসেবী রাজিয়া সামাদ ডালিয়া এবং কবি ও গবেষক রইস মনরমকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

বিকেলে ফোরামের সাংস্কৃতিক সেল, সমাজকল্যাণ সেল ও প্রতিযোগিতা উপকমিটির যৌথ ব্যবস্থাপনায় জেলা পর্যায় থেকে আগত নিবন্ধিত প্রতিযোগীদের নিয়ে কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এই পর্বের মূল দায়িত্বে ছিলেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা মসিউদ্দিন শাকের ও সমাজসেবী রাজিয়া সামাদ ডালিয়া। অনুষ্ঠানটি সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ রেজা, সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহিদুজ্জামান, সানোয়ার সামছী এবং প্রকৌশলী এম এ মান্নান।

প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দেশের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। লোকসংগীত বিভাগে বিচারক ছিলেন আকরামুল ইসলাম, আমিনুল হক ও আবু বকর সিদ্দিক। সংগীত বিভাগে দায়িত্ব পালন করেন ফেরদৌস পারভীন খান, রুমি আজনবী, শেলী চন্দ, রাহাত আরা গীতি, ড. মো. শোয়েব, মানিক রহমান ও শহীদ কবীর পলাশ। নৃত্য বিভাগে বিচারক ছিলেন নিলুফার ওয়াহিদ পাপড়ি ও ফারহানা চৌধুরী বেবী। এ ছাড়া অভিনয় ও আবৃত্তি বিভাগে বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন আব্দুল কাদের তালুকদার, মির্জা আবদুর রাজ্জাক, রূপশ্রী চক্রবর্তী ও খন্দকার ফারহানা রহমান সোমা।


.


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত