ফরিদপুরের মধুখালীতে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) হেফাজতে মারা যাওয়া ছাত্রলীগ কর্মী ইশতিয়াক মির্জা প্রান্তের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) বাদ জোহর মধুখালী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আত্মীয়স্বজনসহ বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। জানাজার নামাজে ইমামতি করেন নিহতের ১২ বছর বয়সী ছোট ভাই মির্জা আব্দুস সামাদ। জানাজা শেষে তাকে উপজেলার পশ্চিম গোন্দারদিয়া এলাকার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন মধুখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদ সতেজ, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল আলিম মানিক, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. হায়দার আলী মোল্লা এবং নিহতের চাচাতো ভাই মির্জা শাহরিয়ার লোটাস। বক্তারা এই মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন।
উল্লেখ্য, শনিবার (২০ জুন) ইশতিয়াক মির্জা প্রান্তকে আটক করে জেলা ডিবি পুলিশ। পরদিন রবিবার (২১ জুন) সকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যুর খবর পায় পরিবার। পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ তোলা হলেও পুলিশের দাবি, হেফাজতে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
/

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
ফরিদপুরের মধুখালীতে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) হেফাজতে মারা যাওয়া ছাত্রলীগ কর্মী ইশতিয়াক মির্জা প্রান্তের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) বাদ জোহর মধুখালী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আত্মীয়স্বজনসহ বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। জানাজার নামাজে ইমামতি করেন নিহতের ১২ বছর বয়সী ছোট ভাই মির্জা আব্দুস সামাদ। জানাজা শেষে তাকে উপজেলার পশ্চিম গোন্দারদিয়া এলাকার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন মধুখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদ সতেজ, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল আলিম মানিক, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. হায়দার আলী মোল্লা এবং নিহতের চাচাতো ভাই মির্জা শাহরিয়ার লোটাস। বক্তারা এই মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন।
উল্লেখ্য, শনিবার (২০ জুন) ইশতিয়াক মির্জা প্রান্তকে আটক করে জেলা ডিবি পুলিশ। পরদিন রবিবার (২১ জুন) সকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যুর খবর পায় পরিবার। পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ তোলা হলেও পুলিশের দাবি, হেফাজতে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
/

আপনার মতামত লিখুন