বগুড়ার ধুনট উপজেলার নিমগাছী-হেউটনগর সড়কের চরকাদহ খালের ওপর নির্মিত একটি আরসিসি গার্ডার সেতু দেবে ও হেলে পড়েছে। সোমবার (২২ জুন) সকাল ৮ টার দিকে খালের পানির প্রবল স্রোতে সেতুর নিচের মাটি সরে গিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ওই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালে ৩৯ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১২ মিটার প্রস্থের এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়। ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৭ লাখ টাকা। সেতুটি ধসে যাওয়ায় নিমগাছী ও কালেরপাড়া ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে। বিশেষ করে খালের দুই তীরের কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করা নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রোববার (২১ জুন) বিকেল থেকে ধুনটে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়। এতে খালের পানির প্রবাহ ও স্রোত বেড়ে যায়। পানির চাপে সেতুর নিচের ও পাশের সংযোগ সড়কের মাটি ধসে গেলে সোমবার সকালে সেতুটি একপাশে হেলে পড়ে এবং সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
অটোভ্যান চালক নূর আলম বলেন, ‘আমি এই পথে নিয়মিত যাত্রী আনা-নেওয়া করি। সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় এখন অনেক পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হবে। দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থার দাবি জানাই।’ স্থানীয় কৃষক আব্দুল জলিল বলেন, ফসলের মৌসুমে সেতুটি অকেজো হয়ে যাওয়ায় কৃষকদের দুর্ভোগের সীমা থাকবে না।
খবর পেয়ে ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল্লাহ নিজামী ও এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী বখতিয়ার হোসেন ক্ষতিগ্রস্ত সেতুটি পরিদর্শন করেছেন। উপজেলা প্রকৌশলী বখতিয়ার হোসেন বলেন, ভারী বর্ষণ ও স্রোতের কারণে সেতুর নিচ থেকে মাটি সরে যাওয়ায় এই ধস নেমেছে। দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
/

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
বগুড়ার ধুনট উপজেলার নিমগাছী-হেউটনগর সড়কের চরকাদহ খালের ওপর নির্মিত একটি আরসিসি গার্ডার সেতু দেবে ও হেলে পড়েছে। সোমবার (২২ জুন) সকাল ৮ টার দিকে খালের পানির প্রবল স্রোতে সেতুর নিচের মাটি সরে গিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ওই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালে ৩৯ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১২ মিটার প্রস্থের এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়। ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৭ লাখ টাকা। সেতুটি ধসে যাওয়ায় নিমগাছী ও কালেরপাড়া ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে। বিশেষ করে খালের দুই তীরের কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করা নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রোববার (২১ জুন) বিকেল থেকে ধুনটে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়। এতে খালের পানির প্রবাহ ও স্রোত বেড়ে যায়। পানির চাপে সেতুর নিচের ও পাশের সংযোগ সড়কের মাটি ধসে গেলে সোমবার সকালে সেতুটি একপাশে হেলে পড়ে এবং সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
অটোভ্যান চালক নূর আলম বলেন, ‘আমি এই পথে নিয়মিত যাত্রী আনা-নেওয়া করি। সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় এখন অনেক পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হবে। দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থার দাবি জানাই।’ স্থানীয় কৃষক আব্দুল জলিল বলেন, ফসলের মৌসুমে সেতুটি অকেজো হয়ে যাওয়ায় কৃষকদের দুর্ভোগের সীমা থাকবে না।
খবর পেয়ে ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল্লাহ নিজামী ও এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী বখতিয়ার হোসেন ক্ষতিগ্রস্ত সেতুটি পরিদর্শন করেছেন। উপজেলা প্রকৌশলী বখতিয়ার হোসেন বলেন, ভারী বর্ষণ ও স্রোতের কারণে সেতুর নিচ থেকে মাটি সরে যাওয়ায় এই ধস নেমেছে। দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
/

আপনার মতামত লিখুন