সংবাদ

পাহাড়ি ঢলে ঘর ধসে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার


প্রতিনিধি, তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ)
প্রতিনিধি, তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ)
প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম

পাহাড়ি ঢলে ঘর ধসে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার
ছবি : ভিডিও থেকে সংগৃহীত

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে পাহাড়ি ঢলের তোড়ে ঘর ধসে খালের পানিতে পড়ে রুবেল মিয়া (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) সকালে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় আট ঘণ্টা পর বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত রুবেল মিয়া উপজেলার বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নের বড়দল পুরানহাটি এলাকার বশিরুল হকের ছেলে। তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার নদী-নালা ও খালের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। সকাল নয়টার দিকে বড়দল পুরানহাটির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ‘মাঝের খাল’ দিয়ে প্রবল স্রোত প্রবাহিত হচ্ছিল। পানির তোড়ে খালের পাড়ে থাকা বশিরুল হকের ঘরটি হঠাৎ ধসে পড়ে। পরিবারের অন্য সদস্যরা দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে পারলেও ভেতরে থাকা রুবেল মিয়া আটকা পড়েন। মানসিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তার জন্য তাঁকে ঘরের একটি খুঁটির সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রেখেছিলেন। ঘরটি সরাসরি খালের পানিতে তলিয়ে গেলে রুবেলও নিখোঁজ হন।

খবর পেয়ে তাহিরপুর থানা-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি দল স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ আট ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পর বিকেল সাড়ে চারটার দিকে পানির নিচে ধসে পড়া ঘরের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহায়তায় বিকেলে যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬


পাহাড়ি ঢলে ঘর ধসে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬

featured Image

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে পাহাড়ি ঢলের তোড়ে ঘর ধসে খালের পানিতে পড়ে রুবেল মিয়া (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) সকালে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় আট ঘণ্টা পর বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত রুবেল মিয়া উপজেলার বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নের বড়দল পুরানহাটি এলাকার বশিরুল হকের ছেলে। তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার নদী-নালা ও খালের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। সকাল নয়টার দিকে বড়দল পুরানহাটির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ‘মাঝের খাল’ দিয়ে প্রবল স্রোত প্রবাহিত হচ্ছিল। পানির তোড়ে খালের পাড়ে থাকা বশিরুল হকের ঘরটি হঠাৎ ধসে পড়ে। পরিবারের অন্য সদস্যরা দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে পারলেও ভেতরে থাকা রুবেল মিয়া আটকা পড়েন। মানসিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তার জন্য তাঁকে ঘরের একটি খুঁটির সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রেখেছিলেন। ঘরটি সরাসরি খালের পানিতে তলিয়ে গেলে রুবেলও নিখোঁজ হন।

খবর পেয়ে তাহিরপুর থানা-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি দল স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ আট ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পর বিকেল সাড়ে চারটার দিকে পানির নিচে ধসে পড়া ঘরের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহায়তায় বিকেলে যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত