আলজেরিয়া ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে, মেসি ছুঁয়েছিলেন বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোজার ১৬ গোলের রেকর্ড। অস্ট্রিয়া ম্যাচের প্রথম গোলে সেটি তিনি নিজের করে নিয়েছেন। দ্বিতীয় গোলে রেকর্ডটা তুলেছেন আরেকটু উঁচুতে। মেসি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ী খেলোয়াড় বনে গেছেন, ১৭টি ম্যাচ জয় নিয়ে। এ নিয়ে টানা দুই ম্যাচে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারটিও জিতেছেন এই মহাতারকা।
মেসির দক্ষতা, নিষ্ঠা, নিবেদন
নিয়ে বছরের পর বছর ধরে প্রসংশাই ঝরছে সবার মুখে। কোচ স্কালোনিও একই কথা বলতে হলো অস্ট্রিয়া
ম্যাচের পর । ‘বল ছাড়া যখন দল কঠিন সময় পার করছিল, তখন, সে বল কেড়ে নেয়ার কাজটি করেছে।
তার প্রতিশ্রুতির মাত্রাটা আপনারা দেখেছেন।’
‘এর অনেক কারণ আছে। তার নিবেদন
আছে এবং এটাই তার ভেতরে সঞ্চারিত হয়, তাকে তাড়িত করে। লিওকে নিয়ে বলার মতো কথা আমার
কাছে নেই। সবসময় তাকে নিয়ে কথা বলতে বলতে একটু ক্লান্ত বোধ করি।’
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জালের দেখা
মেসি পেতে পারতেন অষ্টম মিনিটে। কিন্তু দুর্বল ও লক্ষ্যভ্রষ্ট পেনাল্টি শটে তিনি হতাশ
করেন।
‘এটা জটিল পরিস্থিতি ছিল। যদিও
আমরা স্বস্তিতে ছিলাম এবং ম্যাচ শেষের দিকে এগুচ্ছিলাম। লিওর পারফরম্যান্সে আমি ভীষণ
খুশি। কেননা, যখন আমরা ভুগছিলাম, সে আবারও গোল করলো।’
মেসির পারফরম্যান্স নিয়েও কথা
বললেন স্কালোনি। ‘দল ভুগেছে। অনেক সময় অস্ট্রিয়া কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করছিল এবং আমরা
বলের নিয়ন্ত্রণ পাচ্ছিলাম না। আমরা কষ্ট সহ্য করতে জানি এবং দল হিসেবে কষ্ট সইতে পারাটা
প্রশংসনীয়।’
‘দল জানে, কীভাবে প্রতিক্রিয়া
দেখাতে হয়। অস্ট্রিয়া এমন এক প্রতিপক্ষ, যাদের খেলোয়াড়েরা খুবই লম্বা, যে কারণে চ্যালেঞ্জের
মুখে পড়তে হয়েছে। কেউই ভাবেনি, ম্যাচটা সহজ হবে। এ পর্যন্ত খেলা দুই ম্যাচই আমাদের
জন্য জটিল ছিল।’
‘বিশ্বকাপে ফেবারিট হিসেবে খেলা
বা তারকা নিয়ে গড়া জাতীয় দলের কোনো সম্পর্ক নেই। এখানে খেলার মধ্যে আরও অনেক বিষয় আছে,
ফিটনেসের মান, আবেগ-এমন অনেক কিছু।’
‘আরও অনেক দল আছে, যারা শিরোপা
জিততে পারে। বড় দলগুলোর একটা শিরোপা জিতবে। আশা করি, আমরা সেখানে থাকব, শিরোপার দাবিদারদের
একটি হব, কিন্তু বড় দলগুলোর একটার মুখোমুখি হওয়া আমাদের জন্য কঠিন হবে। একইসঙ্গে আমাদের
মুখোমুখি হওয়াও তাদের জন্য কঠিন হবে।’

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
আলজেরিয়া ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে, মেসি ছুঁয়েছিলেন বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোজার ১৬ গোলের রেকর্ড। অস্ট্রিয়া ম্যাচের প্রথম গোলে সেটি তিনি নিজের করে নিয়েছেন। দ্বিতীয় গোলে রেকর্ডটা তুলেছেন আরেকটু উঁচুতে। মেসি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ী খেলোয়াড় বনে গেছেন, ১৭টি ম্যাচ জয় নিয়ে। এ নিয়ে টানা দুই ম্যাচে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারটিও জিতেছেন এই মহাতারকা।
মেসির দক্ষতা, নিষ্ঠা, নিবেদন
নিয়ে বছরের পর বছর ধরে প্রসংশাই ঝরছে সবার মুখে। কোচ স্কালোনিও একই কথা বলতে হলো অস্ট্রিয়া
ম্যাচের পর । ‘বল ছাড়া যখন দল কঠিন সময় পার করছিল, তখন, সে বল কেড়ে নেয়ার কাজটি করেছে।
তার প্রতিশ্রুতির মাত্রাটা আপনারা দেখেছেন।’
‘এর অনেক কারণ আছে। তার নিবেদন
আছে এবং এটাই তার ভেতরে সঞ্চারিত হয়, তাকে তাড়িত করে। লিওকে নিয়ে বলার মতো কথা আমার
কাছে নেই। সবসময় তাকে নিয়ে কথা বলতে বলতে একটু ক্লান্ত বোধ করি।’
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জালের দেখা
মেসি পেতে পারতেন অষ্টম মিনিটে। কিন্তু দুর্বল ও লক্ষ্যভ্রষ্ট পেনাল্টি শটে তিনি হতাশ
করেন।
‘এটা জটিল পরিস্থিতি ছিল। যদিও
আমরা স্বস্তিতে ছিলাম এবং ম্যাচ শেষের দিকে এগুচ্ছিলাম। লিওর পারফরম্যান্সে আমি ভীষণ
খুশি। কেননা, যখন আমরা ভুগছিলাম, সে আবারও গোল করলো।’
মেসির পারফরম্যান্স নিয়েও কথা
বললেন স্কালোনি। ‘দল ভুগেছে। অনেক সময় অস্ট্রিয়া কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করছিল এবং আমরা
বলের নিয়ন্ত্রণ পাচ্ছিলাম না। আমরা কষ্ট সহ্য করতে জানি এবং দল হিসেবে কষ্ট সইতে পারাটা
প্রশংসনীয়।’
‘দল জানে, কীভাবে প্রতিক্রিয়া
দেখাতে হয়। অস্ট্রিয়া এমন এক প্রতিপক্ষ, যাদের খেলোয়াড়েরা খুবই লম্বা, যে কারণে চ্যালেঞ্জের
মুখে পড়তে হয়েছে। কেউই ভাবেনি, ম্যাচটা সহজ হবে। এ পর্যন্ত খেলা দুই ম্যাচই আমাদের
জন্য জটিল ছিল।’
‘বিশ্বকাপে ফেবারিট হিসেবে খেলা
বা তারকা নিয়ে গড়া জাতীয় দলের কোনো সম্পর্ক নেই। এখানে খেলার মধ্যে আরও অনেক বিষয় আছে,
ফিটনেসের মান, আবেগ-এমন অনেক কিছু।’
‘আরও অনেক দল আছে, যারা শিরোপা
জিততে পারে। বড় দলগুলোর একটা শিরোপা জিতবে। আশা করি, আমরা সেখানে থাকব, শিরোপার দাবিদারদের
একটি হব, কিন্তু বড় দলগুলোর একটার মুখোমুখি হওয়া আমাদের জন্য কঠিন হবে। একইসঙ্গে আমাদের
মুখোমুখি হওয়াও তাদের জন্য কঠিন হবে।’

আপনার মতামত লিখুন