যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দুর্দান্ত জোড়া গোলে ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছে পর্তুগাল। রবার্তো মার্তিনেজের শিষ্যরা প্রথমার্ধ শেষ করেছে ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকে। ম্যাচের শুরু থেকেই মাঠের আধিপত্য ছিল ইউরোপের পরাশক্তিদের দখলে।
ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই গোলের সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করেছিলেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ, তবে তার শট উজবেক ডিফেন্ডার আব্দুল্লায়েভের গায়ে লেগে কর্নার হলে রক্ষা পায় মধ্য এশিয়ার দলটি। এর ঠিক দুই মিনিট পর নুনো মেন্দেসের দারুণ ক্রস থেকে বল পেয়েও ঠিকমতো সংযোগ করতে পারেননি পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা রোনালদো।
তবে ষষ্ঠ মিনিটে আর কোনো ভুল করেননি সিআরসেভেন। হোয়াও ক্যানসেলোর দ্রুতগতির আক্রমণ থেকে আসা কাটব্যাক নিখুঁতভাবে জালে পাঠিয়ে পর্তুগালকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। এই গোলের মধ্য দিয়ে ইতিহাস গড়ে ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করা পৃথিবীর প্রথম ফুটবলার হয়ে যান রোনালদো। ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরও আক্রমণের ধার কমায়নি পর্তুগাল।
১৪ মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে পেদ্রো নেতোকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন উজবেক মিডফিল্ডার ওদিলজন খামরোবেকভ। ১৭তম মিনিটে সবাই ভেবেছিল ফ্রি-কিক থেকে রোনালদাই সরাসরি শটটা নেবেন, তিনি সে পজিশনেও ছিলেন। কিন্তু সবাইকে চমকে দিয়ে আচমকা বাঁ-পায়ের দুর্দান্ত বাঁকানো শটে বল উজবেকিস্তানের জালের ডান কোণে জড়িয়ে দেন নুনো মেন্দেজ। উজবেক গোলরক্ষক কোনো সুযোগই পাননি, ফলে ব্যবধান দাঁড়ায় ২-০।
ম্যাচের ১৯ মিনিটে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে উজবেকিস্তানের নাসরুল্লায়েভের নেওয়া শট সহজেই ঠেকিয়ে দেন পর্তুগিজ গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তা। এরপর ২৯ মিনিটে ম্যাচে বড় নাটকীয়তা যোগ হয় যখন ফাইজুল্লায়েভ ক্যানসেলোর কাছ থেকে বল ছিনিয়ে নেওয়ার পর গা’নিয়েভ প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে অসাধারণ এক শটে বল জড়িয়ে দেন পর্তু্গালের জালে।
তবে ভিএআর পর্যালোচনার পর রেফারি জালাল জায়েদ জানান, বল দখলের সময় ফাউল হয়েছিল, যার ফলে দুর্দান্ত সেই গোলটি বাতিল হয়ে যায়। গোল বাতিলের ধাক্কা উজবেকরা কাটিয়ে ওঠার আগেই ৩৯ মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেজের নিখুঁত থ্রু পাস ধরে ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে নিচু শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রোনালদো। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপে ১০টি গোল নিয়ে পর্তুগালের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে কিংবদন্তি ইউসেবিওকে ছাড়িয়ে যান তিনি।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে হ্যাটট্রিকের খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন রোনালদো। ক্যানসেলোর ক্রস থেকে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে তিনি বল তুলে দিলেও গোললাইন থেকে খুসানোভ বল ক্লিয়ার করায় আরও বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পায় উজবেকিস্তান।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দুর্দান্ত জোড়া গোলে ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছে পর্তুগাল। রবার্তো মার্তিনেজের শিষ্যরা প্রথমার্ধ শেষ করেছে ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকে। ম্যাচের শুরু থেকেই মাঠের আধিপত্য ছিল ইউরোপের পরাশক্তিদের দখলে।
ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই গোলের সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করেছিলেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ, তবে তার শট উজবেক ডিফেন্ডার আব্দুল্লায়েভের গায়ে লেগে কর্নার হলে রক্ষা পায় মধ্য এশিয়ার দলটি। এর ঠিক দুই মিনিট পর নুনো মেন্দেসের দারুণ ক্রস থেকে বল পেয়েও ঠিকমতো সংযোগ করতে পারেননি পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা রোনালদো।
তবে ষষ্ঠ মিনিটে আর কোনো ভুল করেননি সিআরসেভেন। হোয়াও ক্যানসেলোর দ্রুতগতির আক্রমণ থেকে আসা কাটব্যাক নিখুঁতভাবে জালে পাঠিয়ে পর্তুগালকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। এই গোলের মধ্য দিয়ে ইতিহাস গড়ে ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করা পৃথিবীর প্রথম ফুটবলার হয়ে যান রোনালদো। ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরও আক্রমণের ধার কমায়নি পর্তুগাল।
১৪ মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে পেদ্রো নেতোকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন উজবেক মিডফিল্ডার ওদিলজন খামরোবেকভ। ১৭তম মিনিটে সবাই ভেবেছিল ফ্রি-কিক থেকে রোনালদাই সরাসরি শটটা নেবেন, তিনি সে পজিশনেও ছিলেন। কিন্তু সবাইকে চমকে দিয়ে আচমকা বাঁ-পায়ের দুর্দান্ত বাঁকানো শটে বল উজবেকিস্তানের জালের ডান কোণে জড়িয়ে দেন নুনো মেন্দেজ। উজবেক গোলরক্ষক কোনো সুযোগই পাননি, ফলে ব্যবধান দাঁড়ায় ২-০।
ম্যাচের ১৯ মিনিটে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে উজবেকিস্তানের নাসরুল্লায়েভের নেওয়া শট সহজেই ঠেকিয়ে দেন পর্তুগিজ গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তা। এরপর ২৯ মিনিটে ম্যাচে বড় নাটকীয়তা যোগ হয় যখন ফাইজুল্লায়েভ ক্যানসেলোর কাছ থেকে বল ছিনিয়ে নেওয়ার পর গা’নিয়েভ প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে অসাধারণ এক শটে বল জড়িয়ে দেন পর্তু্গালের জালে।
তবে ভিএআর পর্যালোচনার পর রেফারি জালাল জায়েদ জানান, বল দখলের সময় ফাউল হয়েছিল, যার ফলে দুর্দান্ত সেই গোলটি বাতিল হয়ে যায়। গোল বাতিলের ধাক্কা উজবেকরা কাটিয়ে ওঠার আগেই ৩৯ মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেজের নিখুঁত থ্রু পাস ধরে ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে নিচু শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রোনালদো। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপে ১০টি গোল নিয়ে পর্তুগালের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে কিংবদন্তি ইউসেবিওকে ছাড়িয়ে যান তিনি।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে হ্যাটট্রিকের খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন রোনালদো। ক্যানসেলোর ক্রস থেকে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে তিনি বল তুলে দিলেও গোললাইন থেকে খুসানোভ বল ক্লিয়ার করায় আরও বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পায় উজবেকিস্তান।

আপনার মতামত লিখুন