সংবাদ

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা টাকা ফেরত পাবেন কবে, সংসদে প্রশ্ন


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০৭:২২ পিএম

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা টাকা ফেরত পাবেন কবে, সংসদে প্রশ্ন

বেসরকারি খাতের শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংক একীভূত হয়ে গঠিত ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের’ আমানতকারীরা কবে তাদের আমানত (টাকা) ফেরত পাবেন, বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যরা (এমপি) তা জানতে চেয়েছেন।  আমানত ফেরতের ক্ষেত্রে কতটুকু পাওয়া যাবে, কি শর্ত থাকবে এসব বিষয়েও জানতে চেয়েছেন কয়েকজন আইন প্রণেতা।

বুধবার (২৪ জুন) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কাছে এ সংক্রান্ত প্রশ্নে রাখেন বেশ কয়েকজন এমপি।

এ সময় ব্যাংক খাতের তারল্য সংকট, কথিত ‘হেয়ারকাট’, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের অগ্রগতির প্রসঙ্গেও জিজ্ঞাসা ছিল।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অব বাংলাদেশ পিএলসি বা এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এবং ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসিকে ব্যাংক রেজল্যুশন স্কিম, ২০২৫ এর আওতায় নেওয়া হয়েছে। এসব ব্যাংকের দায় ও সম্পদ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে হস্তান্তর করা হয়েছে। স্কিম অনুযায়ী আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়া হচ্ছে।

আর্থিক সংকট ও নানা অব্যবস্থাপনায় বিপর্যস্ত এই পাঁচটি ব্যংককে একীভূত (মার্জ) করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি গঠন করা হয়েছে। গত ১ ডিসেম্বর ব্যাংকটিকে চূড়ান্ত লাইসেন্স দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকের মোট ৩৫ হাজার কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনের মধ্যে সরকার দেয় ২০ হাজার কোটি।

এ ব্যাংকের গ্রাহকরা চাহিদামতো আমানত ফিরে পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিএনপির এমপি (গোপালগঞ্জ-১) মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা প্রশ্ন রাখেন, অর্থ সংকটের কারণে যেসব ব্যাংক তারল্য সংকটে রয়েছে এবং গ্রাহকের আমানত ফেরত দিতে ‘হিমশিম’ খাচ্ছে, সেগুলোর সংকট নিরসনে বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো পদক্ষেপ নেবে কি না।

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, রেজল্যুশনের আওতায় থাকা পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়া হচ্ছে। আমানত সুরক্ষা আইন, ২০২৬ অনুযায়ী ওই পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা করে পরিশোধ করা হচ্ছে। বর্তমানে আরও যেসব ব্যাংক তারল্য সংকটে রয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগ কাজ করছে। প্রয়োজন হলে ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জামায়াতে ইসলামীর এমপি (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩) মো. নূরুল ইসলাম সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের সাধারণ আমানতকারীদের ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের কথিত ‘হেয়ারকাট’ বা দুই বছরের মুনাফা কেটে রাখার নীতি বাতিল করে সম্পূর্ণ মুনাফাসহ আমানত ফেরতের পরিকল্পনা আছে কিনা, তা জানতে চান।

অর্থমন্ত্রীর জবাবে ‘হেয়ারকাট’ প্রত্যাহার হবে কিনা বা গ্রাহকরা পূরো মুনাফা পাবেন কি না, সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত বা সময়সীমা আসেনি।

অর্থমন্ত্রী প্রশ্নের জবাবে বলেন, শরিয়াহ আইন অনুযায়ী ইসলামী ব্যাংকিংয়ে ব্যাংক মুনাফা করলে আমানতকারীরা মুনাফা পাওয়ার অধিকারী হন। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে ব্যাংক মুনাফা না করলেও আমানতকারীদের ৪ শতাংশ ‘এহসান’ হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর এমপি (কুড়িগ্রাম-১) মো. আনোয়ারুল ইসলাম জানতে চান, দেউলিয়ার পথে থাকা ব্যাংকগুলো সচলে করতে ‘লুট হওয়া অর্থ’ পুনরুদ্ধারে সরকারের কোনো আলাদা পরিকল্পনা আছে কি না।

অর্থমন্ত্রী জবাবে বলেন, ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সৃষ্ট খেলাপি ঋণের টাকা অবৈধভাবে বিদেশে পাচার হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৩০টি ব্যাংক ঋণের অর্থ উদ্ধারের উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে ব্যাংকগুলো নয়টি আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট সই করে ‘নো উইন নো ফি’ শর্তে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “প্রথম পর্যায়ে ছয়টি কেইস নিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেগুলো হল সাইফুজ্জামান চৌধুরী, এস আলম, বেক্সিমকো, সিকদার, নাসা ও ওরিয়ন গ্রুপ।” তিনি জানান, এ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা আছে।

বিএনপির এমপি (জামালপুর-৩) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর ও সচল করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা জানতে চান।

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদে চেয়ারম্যান দেওয়া হয়েছে এবং তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন। পর্ষদে পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের জন্য মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়েছে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি জানান, ব্যাংকটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে সাংগঠনিক কাঠামো, চাকরি প্রবিধানমালা, আইটি, সিবিএস, জনবল ও শাখা একীভূতকরণ এবং কোম্পানি সেক্রেটারি, চিফ ফাইন্যান্স অফিসার ও চিফ টেকনোলজি অফিসার নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।

বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি রেহানা আক্তার রানু বলেন, পাঁচ ব্যাংক একীভূত হলেও গ্রাহকরা এখনও টাকা পাচ্ছেন না- এ অভিযোগ সত্য হলে সরকার কী পদক্ষেপ নেবে? জবাবেও অর্থমন্ত্রী গ্রাহকদের সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা করে পরিশোধ করা বিষয়টি জানান।

বিএনপির সংরক্ষিত আসনের এমপি মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তার বলেন, তারল্য সংকটের কারণে যেসব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান গ্রাহকের সঞ্চিত অর্থ ফেরত দিতে পারছে না, সেসব প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রাহকের অর্থ ফেরত নিশ্চিত করতে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে।

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, গ্রাহকের অর্থ দেওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক জরুরি তারল্য সহায়তা দিয়েছে। ২০২৬ সালের ১৫ জুন পর্যন্ত জরুরি তারল্য সহায়তা হিসেবে ব্যাংকগুলোকে ৭৫ হাজার ৯০৩ কোটি ১১ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬


সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা টাকা ফেরত পাবেন কবে, সংসদে প্রশ্ন

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬

featured Image

বেসরকারি খাতের শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংক একীভূত হয়ে গঠিত ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের’ আমানতকারীরা কবে তাদের আমানত (টাকা) ফেরত পাবেন, বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যরা (এমপি) তা জানতে চেয়েছেন।  আমানত ফেরতের ক্ষেত্রে কতটুকু পাওয়া যাবে, কি শর্ত থাকবে এসব বিষয়েও জানতে চেয়েছেন কয়েকজন আইন প্রণেতা।

বুধবার (২৪ জুন) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কাছে এ সংক্রান্ত প্রশ্নে রাখেন বেশ কয়েকজন এমপি।

এ সময় ব্যাংক খাতের তারল্য সংকট, কথিত ‘হেয়ারকাট’, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের অগ্রগতির প্রসঙ্গেও জিজ্ঞাসা ছিল।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অব বাংলাদেশ পিএলসি বা এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এবং ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসিকে ব্যাংক রেজল্যুশন স্কিম, ২০২৫ এর আওতায় নেওয়া হয়েছে। এসব ব্যাংকের দায় ও সম্পদ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে হস্তান্তর করা হয়েছে। স্কিম অনুযায়ী আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়া হচ্ছে।

আর্থিক সংকট ও নানা অব্যবস্থাপনায় বিপর্যস্ত এই পাঁচটি ব্যংককে একীভূত (মার্জ) করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি গঠন করা হয়েছে। গত ১ ডিসেম্বর ব্যাংকটিকে চূড়ান্ত লাইসেন্স দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকের মোট ৩৫ হাজার কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনের মধ্যে সরকার দেয় ২০ হাজার কোটি।

এ ব্যাংকের গ্রাহকরা চাহিদামতো আমানত ফিরে পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিএনপির এমপি (গোপালগঞ্জ-১) মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা প্রশ্ন রাখেন, অর্থ সংকটের কারণে যেসব ব্যাংক তারল্য সংকটে রয়েছে এবং গ্রাহকের আমানত ফেরত দিতে ‘হিমশিম’ খাচ্ছে, সেগুলোর সংকট নিরসনে বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো পদক্ষেপ নেবে কি না।

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, রেজল্যুশনের আওতায় থাকা পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়া হচ্ছে। আমানত সুরক্ষা আইন, ২০২৬ অনুযায়ী ওই পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা করে পরিশোধ করা হচ্ছে। বর্তমানে আরও যেসব ব্যাংক তারল্য সংকটে রয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগ কাজ করছে। প্রয়োজন হলে ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জামায়াতে ইসলামীর এমপি (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩) মো. নূরুল ইসলাম সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের সাধারণ আমানতকারীদের ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের কথিত ‘হেয়ারকাট’ বা দুই বছরের মুনাফা কেটে রাখার নীতি বাতিল করে সম্পূর্ণ মুনাফাসহ আমানত ফেরতের পরিকল্পনা আছে কিনা, তা জানতে চান।

অর্থমন্ত্রীর জবাবে ‘হেয়ারকাট’ প্রত্যাহার হবে কিনা বা গ্রাহকরা পূরো মুনাফা পাবেন কি না, সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত বা সময়সীমা আসেনি।

অর্থমন্ত্রী প্রশ্নের জবাবে বলেন, শরিয়াহ আইন অনুযায়ী ইসলামী ব্যাংকিংয়ে ব্যাংক মুনাফা করলে আমানতকারীরা মুনাফা পাওয়ার অধিকারী হন। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে ব্যাংক মুনাফা না করলেও আমানতকারীদের ৪ শতাংশ ‘এহসান’ হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর এমপি (কুড়িগ্রাম-১) মো. আনোয়ারুল ইসলাম জানতে চান, দেউলিয়ার পথে থাকা ব্যাংকগুলো সচলে করতে ‘লুট হওয়া অর্থ’ পুনরুদ্ধারে সরকারের কোনো আলাদা পরিকল্পনা আছে কি না।

অর্থমন্ত্রী জবাবে বলেন, ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সৃষ্ট খেলাপি ঋণের টাকা অবৈধভাবে বিদেশে পাচার হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৩০টি ব্যাংক ঋণের অর্থ উদ্ধারের উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে ব্যাংকগুলো নয়টি আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট সই করে ‘নো উইন নো ফি’ শর্তে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “প্রথম পর্যায়ে ছয়টি কেইস নিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেগুলো হল সাইফুজ্জামান চৌধুরী, এস আলম, বেক্সিমকো, সিকদার, নাসা ও ওরিয়ন গ্রুপ।” তিনি জানান, এ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা আছে।

বিএনপির এমপি (জামালপুর-৩) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর ও সচল করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা জানতে চান।

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদে চেয়ারম্যান দেওয়া হয়েছে এবং তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন। পর্ষদে পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের জন্য মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়েছে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি জানান, ব্যাংকটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে সাংগঠনিক কাঠামো, চাকরি প্রবিধানমালা, আইটি, সিবিএস, জনবল ও শাখা একীভূতকরণ এবং কোম্পানি সেক্রেটারি, চিফ ফাইন্যান্স অফিসার ও চিফ টেকনোলজি অফিসার নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।

বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি রেহানা আক্তার রানু বলেন, পাঁচ ব্যাংক একীভূত হলেও গ্রাহকরা এখনও টাকা পাচ্ছেন না- এ অভিযোগ সত্য হলে সরকার কী পদক্ষেপ নেবে? জবাবেও অর্থমন্ত্রী গ্রাহকদের সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা করে পরিশোধ করা বিষয়টি জানান।

বিএনপির সংরক্ষিত আসনের এমপি মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তার বলেন, তারল্য সংকটের কারণে যেসব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান গ্রাহকের সঞ্চিত অর্থ ফেরত দিতে পারছে না, সেসব প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রাহকের অর্থ ফেরত নিশ্চিত করতে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে।

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, গ্রাহকের অর্থ দেওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক জরুরি তারল্য সহায়তা দিয়েছে। ২০২৬ সালের ১৫ জুন পর্যন্ত জরুরি তারল্য সহায়তা হিসেবে ব্যাংকগুলোকে ৭৫ হাজার ৯০৩ কোটি ১১ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত