চীনের দালিয়ান থেকে দেশটির রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৫৮ মিনিটে দালিয়ান উত্তর রেলওয়ে স্টেশন থেকে হাই স্পিড বুলেট ট্রেনযোগে বেইজিংয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী।
স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে বেইজিংয়ের চাউমিং রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী এবং তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় উষ্ণ অভ্যর্থনা, লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
চীনের ‘জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমস’ (জিএসিসি)-এর মন্ত্রী এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কমিটির সেক্রেটারি সুন মেইজুন রেলওয়ে স্টেশনে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। এ সময় স্থানীয় শিশু-কিশোররা প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণীর হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেয়।
রেলস্টেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ মোটর শোভাযাত্রা সহকারে চীনের ঐতিহাসিক ও রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘দিয়াওইউতাই গেস্ট হাউসে’ নিয়ে যাওয়া হয়। বেইজিং সফরকালে প্রধানমন্ত্রী, তার সহধর্মিণী এবং উচ্চপর্যায়ের সফরসঙ্গীরা এই রাজকীয় গেস্ট হাউসেই অবস্থান করবেন।
বেইজিংয়ে আসার আগে সকালে চীনের দালিয়ানে অবস্থিত ‘ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে’ স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোসে’র বার্ষিক সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
গত সোমবার মালয়েশিয়ায় দুই দিনের দ্বিপাক্ষিক সফর শেষ করে বিশেষ বিমানে সফরসঙ্গীদের নিয়ে চীনের দালিয়ানে এসে পৌঁছেছিলেন তিনি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার পর মালয়েশিয়া ও চীনে এটিই তার প্রথম বিদেশ সফর।
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে সফরসঙ্গী হিসেবে সরকারের নীতিপ্রণেতা ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা রয়েছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা এ কে এম শামছুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
চীনের দালিয়ান থেকে দেশটির রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৫৮ মিনিটে দালিয়ান উত্তর রেলওয়ে স্টেশন থেকে হাই স্পিড বুলেট ট্রেনযোগে বেইজিংয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী।
স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে বেইজিংয়ের চাউমিং রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী এবং তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় উষ্ণ অভ্যর্থনা, লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
চীনের ‘জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমস’ (জিএসিসি)-এর মন্ত্রী এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কমিটির সেক্রেটারি সুন মেইজুন রেলওয়ে স্টেশনে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। এ সময় স্থানীয় শিশু-কিশোররা প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণীর হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেয়।
রেলস্টেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ মোটর শোভাযাত্রা সহকারে চীনের ঐতিহাসিক ও রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘দিয়াওইউতাই গেস্ট হাউসে’ নিয়ে যাওয়া হয়। বেইজিং সফরকালে প্রধানমন্ত্রী, তার সহধর্মিণী এবং উচ্চপর্যায়ের সফরসঙ্গীরা এই রাজকীয় গেস্ট হাউসেই অবস্থান করবেন।
বেইজিংয়ে আসার আগে সকালে চীনের দালিয়ানে অবস্থিত ‘ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে’ স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোসে’র বার্ষিক সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
গত সোমবার মালয়েশিয়ায় দুই দিনের দ্বিপাক্ষিক সফর শেষ করে বিশেষ বিমানে সফরসঙ্গীদের নিয়ে চীনের দালিয়ানে এসে পৌঁছেছিলেন তিনি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার পর মালয়েশিয়া ও চীনে এটিই তার প্রথম বিদেশ সফর।
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে সফরসঙ্গী হিসেবে সরকারের নীতিপ্রণেতা ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা রয়েছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা এ কে এম শামছুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন