চীনের বেইজিংয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল পাঁচটায় বেইজিংয়ের ঐতিহ্যবাহী ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ এই শীর্ষ বৈঠক শুরু হয়।
বৈঠক শেষে দুই দেশের শীর্ষ নেতার উপস্থিতিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতাবিষয়ক ১৫টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে, দুই প্রধানমন্ত্রীর এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, “আমরা অত্যন্ত আশাবাদী যে, আজ যেসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হতে যাচ্ছে, তা চীন ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং তা সুদৃঢ় করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে দিনভর ঠাসা কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সকালে চীনের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এরপর বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং বেইজিংয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম’-এর বিশেষ আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।
চীনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক ছাড়াও দেশটির বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও নীতিপ্রণেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আলাদা বৈঠক ও কর্মসূচি রয়েছে।
সফরের শেষ দিন আগামীকাল শুক্রবার (২৬ জুন) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুই শীর্ষ নেতার এই বৈঠকে আঞ্চলিক ভূরাজনীতি ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারত্বের বিষয়গুলো স্থান পেতে পারে। রাষ্ট্রীয় সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামীকালই ঢাকার উদ্দেশে বেইজিং ছাড়ার কথা রয়েছে সরকারপ্রধানের।
এর আগে, চীনের দালিয়ান প্রদেশে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক সম্মেলন শেষে গত বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বেইজিং রেলস্টেশনে পৌঁছালে তাঁকে লালগালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
দালিয়ানের সম্মেলনে বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশের ১ হাজার ৭০০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন, যার সাইডলাইন বৈঠকে কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
চীনের বেইজিংয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল পাঁচটায় বেইজিংয়ের ঐতিহ্যবাহী ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ এই শীর্ষ বৈঠক শুরু হয়।
বৈঠক শেষে দুই দেশের শীর্ষ নেতার উপস্থিতিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতাবিষয়ক ১৫টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে, দুই প্রধানমন্ত্রীর এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, “আমরা অত্যন্ত আশাবাদী যে, আজ যেসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হতে যাচ্ছে, তা চীন ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং তা সুদৃঢ় করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে দিনভর ঠাসা কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সকালে চীনের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এরপর বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং বেইজিংয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম’-এর বিশেষ আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।
চীনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক ছাড়াও দেশটির বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও নীতিপ্রণেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আলাদা বৈঠক ও কর্মসূচি রয়েছে।
সফরের শেষ দিন আগামীকাল শুক্রবার (২৬ জুন) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুই শীর্ষ নেতার এই বৈঠকে আঞ্চলিক ভূরাজনীতি ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারত্বের বিষয়গুলো স্থান পেতে পারে। রাষ্ট্রীয় সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামীকালই ঢাকার উদ্দেশে বেইজিং ছাড়ার কথা রয়েছে সরকারপ্রধানের।
এর আগে, চীনের দালিয়ান প্রদেশে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক সম্মেলন শেষে গত বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বেইজিং রেলস্টেশনে পৌঁছালে তাঁকে লালগালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
দালিয়ানের সম্মেলনে বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশের ১ হাজার ৭০০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন, যার সাইডলাইন বৈঠকে কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন