তিস্তা নদীতে পানির প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় রংপুরের গঙ্গাচড়ায় দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতুর রক্ষা বাঁধে বড় ধরনের ভাঙন দেখা দিয়েছে। এলজিইডির ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে বসানো বাঁশের পাইলিং ভেঙে গিয়ে প্রায় ৩০ মিটার বাঁধ নদীগর্ভে চলে গেছে। ফলে সেতুটি ও রংপুর-লালমনিরহাট আঞ্চলিক সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে।
গত বছর একই জায়গায় ভাঙন দেখা দিলে এলজিইডি অস্থায়ীভাবে বাঁশের পাইলিং বসিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করেছিল। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা তখন ব্লক দিয়ে স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই পরামর্শ আমলে নেয়া হয়নি। ফলে ছয় মাসেরও কম সময়ের মধ্যে পানির স্রোতের কাছে পাইলিংটি টিকতে পারেনি। অস্থায়ী ব্যবস্থায় নদীভাঙন রোধ করা সম্ভব নয়।
এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন ৩০-৩৫ হাজার মানুষ যাতায়াত করে। দুই জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভাঙন যদি নিয়ন্ত্রণে না আসে, তাহলে সেতুর অস্তিত্বই বিপন্ন হয়ে পড়বে। এতে জনদুর্ভোগ বাড়বে, যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।
জেলা প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তারা বলছে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। এটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে তদন্তের পাশাপাশি দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। শুধু অস্থায়ী পাইলিং বা সাময়িক মেরামতের ওপর নির্ভর করলে বারবার একই সমস্যা দেখা দেবে। নদীভাঙন রোধে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুসরণ করে ব্লক, জিওব্যাগ বা অন্য টেকসই প্রযুক্তি ব্যবহার করা উচিত।
নদীবিধ্বস্ত এলাকায় অবকাঠামো রক্ষা জনজীবনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তাই এ বিষয়ে আর কোনো অবহেলা কাম্য নয়। এই সমস্যার টেকসই সমাধান না হলে জনগণের কষ্ট ও সরকারি অর্থের অপচয় দুটোই চলতে থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
তিস্তা নদীতে পানির প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় রংপুরের গঙ্গাচড়ায় দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতুর রক্ষা বাঁধে বড় ধরনের ভাঙন দেখা দিয়েছে। এলজিইডির ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে বসানো বাঁশের পাইলিং ভেঙে গিয়ে প্রায় ৩০ মিটার বাঁধ নদীগর্ভে চলে গেছে। ফলে সেতুটি ও রংপুর-লালমনিরহাট আঞ্চলিক সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে।
গত বছর একই জায়গায় ভাঙন দেখা দিলে এলজিইডি অস্থায়ীভাবে বাঁশের পাইলিং বসিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করেছিল। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা তখন ব্লক দিয়ে স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই পরামর্শ আমলে নেয়া হয়নি। ফলে ছয় মাসেরও কম সময়ের মধ্যে পানির স্রোতের কাছে পাইলিংটি টিকতে পারেনি। অস্থায়ী ব্যবস্থায় নদীভাঙন রোধ করা সম্ভব নয়।
এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন ৩০-৩৫ হাজার মানুষ যাতায়াত করে। দুই জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভাঙন যদি নিয়ন্ত্রণে না আসে, তাহলে সেতুর অস্তিত্বই বিপন্ন হয়ে পড়বে। এতে জনদুর্ভোগ বাড়বে, যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।
জেলা প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তারা বলছে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। এটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে তদন্তের পাশাপাশি দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। শুধু অস্থায়ী পাইলিং বা সাময়িক মেরামতের ওপর নির্ভর করলে বারবার একই সমস্যা দেখা দেবে। নদীভাঙন রোধে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুসরণ করে ব্লক, জিওব্যাগ বা অন্য টেকসই প্রযুক্তি ব্যবহার করা উচিত।
নদীবিধ্বস্ত এলাকায় অবকাঠামো রক্ষা জনজীবনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তাই এ বিষয়ে আর কোনো অবহেলা কাম্য নয়। এই সমস্যার টেকসই সমাধান না হলে জনগণের কষ্ট ও সরকারি অর্থের অপচয় দুটোই চলতে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন