জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা যুবক আমির হোসেনকে গুলি এবং মায়া ও নাদিম ইসলামকে হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আজ। আজ রবিবার (২৮ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারিক প্যানেল বহুল আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণা করবেন। ট্রাইব্যুনালের এই রায় প্রদান প্রক্রিয়া সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
এই মামলায় অভিযুক্ত আসামিরা হলেন:
সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-ওসি মো. মশিউর রহমান, রামপুরা থানার সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া ও এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার।
আসামিদের মধ্যে কেবল এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার বর্তমানে আইনের আওতায় আছেন এবং বাকি ৪ জন আসামিই এখন পর্যন্ত পলাতক রয়েছেন।
গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল। পুরো বিচারিক প্রক্রিয়ায় এ মামলায় মোট ১৩ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেছেন।
প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সমস্ত তথ্য এবং অকাট্য প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সফলভাবে প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে। অপরাধের ভয়াবহতা বিবেচনা করে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছে রাষ্ট্রপক্ষ।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের মক্কেলদের নির্দোষ দাবি করে আদালত থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন।
আজ ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নৃশংস এই ঘটনার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বিচার সম্পন্ন হতে যাচ্ছে।

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা যুবক আমির হোসেনকে গুলি এবং মায়া ও নাদিম ইসলামকে হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আজ। আজ রবিবার (২৮ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারিক প্যানেল বহুল আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণা করবেন। ট্রাইব্যুনালের এই রায় প্রদান প্রক্রিয়া সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
এই মামলায় অভিযুক্ত আসামিরা হলেন:
সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-ওসি মো. মশিউর রহমান, রামপুরা থানার সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া ও এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার।
আসামিদের মধ্যে কেবল এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার বর্তমানে আইনের আওতায় আছেন এবং বাকি ৪ জন আসামিই এখন পর্যন্ত পলাতক রয়েছেন।
গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল। পুরো বিচারিক প্রক্রিয়ায় এ মামলায় মোট ১৩ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেছেন।
প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সমস্ত তথ্য এবং অকাট্য প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সফলভাবে প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে। অপরাধের ভয়াবহতা বিবেচনা করে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছে রাষ্ট্রপক্ষ।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের মক্কেলদের নির্দোষ দাবি করে আদালত থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন।
আজ ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নৃশংস এই ঘটনার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বিচার সম্পন্ন হতে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন