সংবাদ

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ এএম

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া ও চীনে ছয় দিনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই ছিল তার প্রথম সরকারি বিদেশ সফর।

শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা, সংসদ সদস্য এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এ সময় বিএনপির সিনিয়র নেতারাও বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে তাদের দলীয় প্রধানকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গী উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সদস্যরাও একই ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন।
​এর আগে শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) বেইজিং ড্যাক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ফ্লাইটটি।
চীন সফরের আগে গত ২১ জুন মালয়েশিয়া পৌঁছান তারেক রহমান। সেখানে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
প্রথমে দুই নেতার মধ্যে একান্ত বৈঠক এবং পরে সীমিত পরিসরে আলোচনা হয়। এতে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, শ্রমবাজার, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। পরবর্তীতে উভয় দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে বৃহত্তর পরিসরে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আরেকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
​মালয়েশিয়ার সফর শেষ করে গত সোমবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে চীনের পথে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী। চার দিনের চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংসহ শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেন।
বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, "বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশ্বস্ত বন্ধু হয়ে থাকবে চীন।" একই সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীনের মধ্যে একটি নতুন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব দেয় বেইজিং।
এই সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে মোট ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়, যা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে এবং বিভিন্ন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ব‌লে জানা‌নো হয়।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬


মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬

featured Image

মালয়েশিয়া ও চীনে ছয় দিনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই ছিল তার প্রথম সরকারি বিদেশ সফর।

শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা, সংসদ সদস্য এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এ সময় বিএনপির সিনিয়র নেতারাও বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে তাদের দলীয় প্রধানকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গী উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সদস্যরাও একই ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন।
​এর আগে শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) বেইজিং ড্যাক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ফ্লাইটটি।
চীন সফরের আগে গত ২১ জুন মালয়েশিয়া পৌঁছান তারেক রহমান। সেখানে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
প্রথমে দুই নেতার মধ্যে একান্ত বৈঠক এবং পরে সীমিত পরিসরে আলোচনা হয়। এতে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, শ্রমবাজার, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। পরবর্তীতে উভয় দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে বৃহত্তর পরিসরে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আরেকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
​মালয়েশিয়ার সফর শেষ করে গত সোমবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে চীনের পথে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী। চার দিনের চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংসহ শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেন।
বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, "বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশ্বস্ত বন্ধু হয়ে থাকবে চীন।" একই সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীনের মধ্যে একটি নতুন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব দেয় বেইজিং।
এই সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে মোট ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়, যা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে এবং বিভিন্ন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ব‌লে জানা‌নো হয়।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত