উরুগুয়ের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়েছে অত্যন্ত হতাশাজনকভাবে। গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়ার পর উরুগুয়েকে নিয়ে চলছে বিতর্ক।
উরুগুয়ের সংবাদমাধ্যমের একাধিক
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মেক্সিকোর অনুশীলন ঘাঁটি থেকে রাজধানী মন্টেভিডিও ফেরার
জন্য নির্ধারিত দলের চার্টার ফ্লাইট বাতিল করে দেয় উরুগুয়ের ফুটবল ফেডারেশন। ফলে খেলোয়াড়দের
বাধ্য হয়ে বিজনেস ক্লাসে দেশে ফিরতে হয়েছে।
বিশ্বকাপের আগে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে
১৬ নম্বরে থাকা উরুগুয়ে ছিল গ্রুপ পর্ব পেরোতে ব্যর্থ দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি র্যাঙ্কিংধারী।
কিন্তু মাঠের পারফরম্যান্সে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি উরুগুয়ে।
গ্রুপ এইচ-এর প্রথম ম্যাচে সৌদি
আরবের বিরুদ্ধে ১-১ ড্র করেছিল উরুগুয়ে। এরপর বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে আসা কেপ ভার্দের
বিরুদ্ধে দ্বিতীয়ার্ধে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলে ড্র করে। শেষ ম্যাচে স্পেনের
বিপক্ষে গোলরক্ষকের ভুলে ১-০ ব্যবধানে হারতে হয় উরুগুয়েকে।
দলের অধিনায়ক হোসে মারিয়া হিমেনেজ
তিন ম্যাচেই বেঞ্চে ছিলেন, হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘ব্যথাটা অনেক গভীর। অনুভূতিটা
শুধুই অসীম দুঃখের। উরুগুয়ের মানুষের কাছে আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। এটা আমাদের প্রত্যাশা
ছিল না, কিন্তু ফুটবল এমনই।’
কোচ মার্সেলো বিয়েলসাও স্পেনের
কাছে হারের পরে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, তিন বছর কাজ করার পরও যদি ফল না আসে, তাহলে
একজন কোচের অবদান মানুষ মনে রাখে না। প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পেন ম্যাচের আগে দলের ভিতর
অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। ম্যাচের পরে বিয়েলসার সঙ্গে সাংবাদিকদের
উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়।

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
উরুগুয়ের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়েছে অত্যন্ত হতাশাজনকভাবে। গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়ার পর উরুগুয়েকে নিয়ে চলছে বিতর্ক।
উরুগুয়ের সংবাদমাধ্যমের একাধিক
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মেক্সিকোর অনুশীলন ঘাঁটি থেকে রাজধানী মন্টেভিডিও ফেরার
জন্য নির্ধারিত দলের চার্টার ফ্লাইট বাতিল করে দেয় উরুগুয়ের ফুটবল ফেডারেশন। ফলে খেলোয়াড়দের
বাধ্য হয়ে বিজনেস ক্লাসে দেশে ফিরতে হয়েছে।
বিশ্বকাপের আগে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে
১৬ নম্বরে থাকা উরুগুয়ে ছিল গ্রুপ পর্ব পেরোতে ব্যর্থ দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি র্যাঙ্কিংধারী।
কিন্তু মাঠের পারফরম্যান্সে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি উরুগুয়ে।
গ্রুপ এইচ-এর প্রথম ম্যাচে সৌদি
আরবের বিরুদ্ধে ১-১ ড্র করেছিল উরুগুয়ে। এরপর বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে আসা কেপ ভার্দের
বিরুদ্ধে দ্বিতীয়ার্ধে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলে ড্র করে। শেষ ম্যাচে স্পেনের
বিপক্ষে গোলরক্ষকের ভুলে ১-০ ব্যবধানে হারতে হয় উরুগুয়েকে।
দলের অধিনায়ক হোসে মারিয়া হিমেনেজ
তিন ম্যাচেই বেঞ্চে ছিলেন, হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘ব্যথাটা অনেক গভীর। অনুভূতিটা
শুধুই অসীম দুঃখের। উরুগুয়ের মানুষের কাছে আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। এটা আমাদের প্রত্যাশা
ছিল না, কিন্তু ফুটবল এমনই।’
কোচ মার্সেলো বিয়েলসাও স্পেনের
কাছে হারের পরে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, তিন বছর কাজ করার পরও যদি ফল না আসে, তাহলে
একজন কোচের অবদান মানুষ মনে রাখে না। প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পেন ম্যাচের আগে দলের ভিতর
অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। ম্যাচের পরে বিয়েলসার সঙ্গে সাংবাদিকদের
উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়।

আপনার মতামত লিখুন