সংবাদ

সাহিত্য

মাইকেলের নিসর্গপ্রেম ও তাঁর চতুর্দশপদী কবিতা

মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর একক প্রচেষ্টায় বাংলা কবিতার দিগন্তকে বহুদূর পর্যন্ত প্রসারিত করেছেন|  তিনি ছিলেন একজন যুগ-পুরুষ| তাঁর হাত ধরেই বাংলা কবিতা মধ্যযুগ থেকে আধুনিক যুগে প্রবেশ করে| তাঁর আগে কবিতা ছিলো মূলত ধর্মীয় আখ্যাননির্ভর| দেবদেবীর প্রশস্তি কীর্তন ছিলো কবিতার মূল উদ্দেশ্য; মানুষের সুখ-দুঃখ, ভালোবাসা, স্বপ্ন-আকাঙ্ক্ষার কোনো স্থান ছিলো না| মাইকেল মধুসূদন দত্ত কবিতায় মানুষ, প্রকৃতি ও নিসর্গের কথা নিয়ে আসেন|  এছাড়া হাজার বছর ধরে চলে আসা ধর্মীয় মিথকে তিনি ভিন্নতর প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করেন|মাইকেলের আগে ঈশ্বর গুপ্তের কবিতায় মানুষ এবং সমাজের কিছু বিষয় উঠে এসেছে|  প্রচলিত রীতিনীতি, অসঙ্গতি এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে তিনি ব্যাঙ্গাত্মক কবিতা লিখেছেন| কিন্তু কবিতার প্রকরণ এবং ছন্দের ক্ষেত্রে তিনি মধ্যযুগীয় রীতিকেই অনুসরণ করে গেছেন| অর্থাৎ তাঁর কবিতার মননে আধুনিক যুগের ক্ষীণ আলোর রেখা দৃশ্যমান হলেও তাঁর কবিতার শরীর ছিলো মধ্যযুগীয়| মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কবিতায় প্রচলিত পয়ারের একঘেয়ে ছন্দের পরিবর্তে প্রবর্তন করেন অমিত্রাক্ষর এবং মুক্তক ছন্দ| এর ফলে কবিতা বিষয়-বৈচিত্র্যে, ভাবে ও বৈভবে আরও বিকাশ লাভ করে| এবং এই পথ ধরেই পরবর্তীকালে আরও নতুন ভাবনা এবং প্রকরণগত নীরিক্ষার সূচনা হয়| মাইকেলের জন্ম যশোর জেলার সাগরদাড়ি গ্রামের কপোতাক্ষ নদীর তীরে, পিতৃগৃহে| কিন্তু মাত্র সাত বছর বয়সে তিনি পরিবারের সাথে কলকাতা চলে আসেন| ভর্তি হন তৎকালীন বিখ্যাত হিন্দু কলেজের নিম্ন শ্রেণিতে| হিন্দু কলেজ ছিলো সেই সময় শিক্ষাদীক্ষা এবং জ্ঞান চর্চায় সমগ্র বাংলায় সর্বশ্রেষ্ঠ স্থানে অধিষ্ঠিত| ইংরেজি তথা পাশ্চাত্যের সাহিত্য, দর্শন এবং অন্যান্য মানববিদ্যা সংক্রান্ত জ্ঞান তৎকালীন ভারতবর্ষে যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবেশ করে হিন্দু কলেজ ছিলো তাদের মধ্যে অন্যতম| এই কলেজের সংস্পর্শে এসে মধুসূদনের চিন্তার জগৎ প্রসারিত হয়| এবং সবাইকে বিস্মিত করে ১৯৪৩ সালে তিনি খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন| পরবর্তীতে কলকাতার জীবনে জটিলতা সৃষ্টি হলে ১৯৪৮ সালে তিনি মাদ্রাজে চলে যান| আট বছর মাদ্রাজে অবস্থান করে ১৯৫৬ সালে তিনি কলকাতায় ফিরে আসেন| ১৯৬২ সালে ব্যারিস্টারি পড়ার জন্য ইংল্যান্ডে গমন করার পূর্ব পর্যন্ত যে ছয় বছর তিনি কলকাতায় বসবাস করেন, তাঁর জীবনে এটা ছিলো সবচেয়ে সৃষ্টিমুখর সময়| এই স্বল্পকালীন কলকাতার জীবনেই একে একে প্রকাশিত হয় তাঁর কালজয়ী রচনাসমূহ| ইংল্যান্ডে কিছুদিন পড়াশোনা করার পরে আর্থিক সংকটে পড়লে তিনি ইংল্যান্ড ছেড়ে প্রথমে ফ্রান্সের প্যারিস এবং পরবর্তীতে ভার্সাই নগরীতে গিয়ে বসবাস করতে থাকেন| সেখানেও অর্থ সংকট তাঁর পিছু ছাড়েনি| তবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বদান্যতায় তিনি সংকট কাটিয়ে উঠে পুনরায় ইংল্যান্ডে ফিরে গিয়ে ১৮৬৫ সালের নভেম্বর মাসে ব্যারিস্টারি পড়াশোনা সম্পন্ন করেন| ব্যারিস্টার হয়ে মাইকেল ১৮৬৭ সালে ভারতে প্রত্যাবর্তন করেন| ফ্রান্সে অবস্থানকালীন মাইকেল ইটালীয় কবি পেত্রার্ক প্রবর্তিত সনেটের প্রতি আগ্রহী হন| কবিতার এই রীতি তিনি বাংলা ভাষায় প্রচলনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন| ফ্রান্সে বসে তিনি সর্বমোট ১০৮টি সনেট রচনা করেন| তাঁর লিখিত সনেটের একটি সংকলন ১৯৬৬ সালে ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ নামে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়| জীবদ্দশায় এটাই ছিলো মধুসূদনের শেষ কাব্যগ্রন্থ| কবি মধুসূদন দত্তের জীবন কখনও সরলরেখায় চলেনি| জীবনে নানা চরাই-উৎরাই এসেছে| তিনি ছিলেন প্রবল উচ্চাভিলাষী কিন্তু বেহিসাবি ও এলোমেলো| তবে একটা লক্ষণীয় ব্যাপার হলো, মাইকেলের সৃষ্টির মধ্যে বিদ্রোহ এবং প্রতিবাদের যে সুর ধ্বনিত হয়, তাঁর রচিত সনেটে তা অনেকটাই ম্রিয়মাণ হয়ে গেছে| কাব্যস্বরেও এসেছে কোমলতা| প্রথমবারের মতো তিনি স্বদেশের নিসর্গের দিকে দৃষ্টি ফিরিয়েছেন|  ভার্সাই নগরীতে মাইকেলের জীবন ছিলো অনিশ্চিত| কিন্তু এসময় তাঁর মনোজগতে একটা পরিবর্তন ঘটে যায়| এতোদিন বড় বড় গুরুগম্ভীর বিষয়সমূহ তাঁর সাহিত্যে ঠাঁই পেয়েছে| কিন্তু প্রবাসের বৈরি আবহে স্বদেশের মানুষ, প্রকৃতি ও নিসর্গ তাকে কাছে টানে| স্বদেশের প্রাত্যহিক জীবন যাপনে যেসব বিষয় ছিলো অতি সাধারণ, সুদুর প্রবাসে বসে সেই নগণ্য বিষয়ই কবির মানসপটে অসাধারণ ব্যঞ্জনা নিয়ে ধরা দেয়| ভার্সাই নগরীর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া স্যেন নদীর তীরে বসে কবি মধুসূদন দত্তের মনে পড়েছে তাঁর জন্মভূমি সাগরদাঁড়ির কপোতাক্ষ নদের কথা| তিনি লিখলেন— “সতত, হে নদ, তুমি পড় মোর মনে| সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে; ...   ...   ...বহু দেশে দেখিয়াছি বহু নদ-দলে, কিন্তু এ স্নেহের তৃষ্ণা মিটে কার জলে?দুগ্ধ-স্রোতোরূপী তুমি জন্ম-ভূমি স্তনে!”                    (কপোতাক্ষ নদ) ˆশশবের স্মৃতি-বিজড়িত কপোতাক্ষ নদের জল প্রবাসের নিঃসঙ্গ জীবনে কবির কাছে মাতৃদুগ্ধের মতো জীবনদায়িনী রূপে প্রতিভাত হয়েছে| কবির এই অনুভূতির মূলে ছিলো স্বদেশের প্রতি গভীর অনুরাগের বহিঃপ্রকাশ| ভার্সাই নগরীতে অবস্থানকালে স্বদেশের ভাষা, মানুষ এবং নিসর্গ কবিকে স্মৃতিকাতর করে তোলে| যার প্রতিফলন দেখা যায় তাঁর রচিত সনেটে| যেমন চতুর্দশপদী কবিতাবলী গ্রন্থে তাঁর ˆশশবের দেখা বটবৃক্ষ নিয়ে একটি সনেট আছে| বাংলার বিভিন্ন প্রান্তরে এরকম বটবৃক্ষের দেখা মেলে| এই বৃক্ষ ছায়া দেয়, যে ছায়ায় পথিকের শরীর শীতল হয়| শুধু মানুষ নয়, পশুপাখিও এই ছায়ায় সূর্যের খরতাপ থেকে রক্ষা পায়| বৃক্ষ নিজে তাপদগ্ধ হয়, কিন্তু আশ্রয়প্রার্থীকে বঞ্চিত করে না| এগুলো খুবই সাধারণ বিষয়|  কিন্তু মধুসূদন এই সাধারণ বিষয়ের মধ্যেও অসাধারণত্ব আরোপ করেছেন| বটবৃক্ষ কবিতায় তিনি দেখেন, দেবতা না হয়েও দেবতার মতো প্রসন্নচিত্তে এই বৃক্ষ সবাইকে আশ্রয় দেয়, কাউকে দূরে সরিয়ে দেয় না| কবিতায় এই বৃক্ষকে তিনি একদিকে দেবতার সঙ্গে তুলনা করেছেন, অন্যদিকে এর ছায়াকে বলেছেন বৃক্ষের দুহিতা বা কন্যা| কবির স্মৃতিপটের তুচ্ছ একটি বটগাছ অসীম ঐশ্বর্য নিয়ে এখানে উপস্থিত হয়েছে| বটবৃক্ষকে উদ্দ্যেশ্য করে কবি বলেন— “জীবকুল-হিতৈষিণী, ছায়া সু-সুন্দরী,/ তোমার দুহিতা, সাধু! যবে বসুধারে/ দগ্ধে আগ্নেয় তাপে, দয়া পরিহরি, / মিহির, আকুল জীব বাঁচে পূজি তারে|” (বটবৃক্ষ)| মাইকেল তাঁর সময় থেকে অগ্রগামী ছিলেন| মাদ্রাজ থেকে কলকাতায় ফিরে তিনি দেখেন কলকাতার রঙ্গমঞ্চে মঞ্চস্থ সব নাটক বিদেশিদের লিখিত| বাংলা ভাষায় কোনো নাটক নেই| এই বন্ধ্যত্ব ঘোচাতে একে একে তিনি লিখে ফেলেন শর্মিষ্ঠা, পদ্মাবতী এবং কৃষ্ণকুমারীর মতো মঞ্চ সফল নাটক| এবং রচনা করেন দুটি সার্থক প্রহসন: ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ এবং ‘বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ’| সাহিত্য, সমাজ ও রাষ্ট্র সংক্রান্ত তাঁর বোধ ছিলো গভীরে প্রথিত| কিন্তু সনেটে তিনি খুবই নরম এবং প্রাণোচ্ছল| মনের অর্গল এখানে সম্পূর্ণ খুলে দিয়েছেন তিনি| ‘বউ কথা কও’ কবিতায় দেখা যায়, কবি পুরুষ পাখির সাথে রসিকতা করছেন| পাখিটি গাছের ডালে বসে একমনে ‘বউ কথা কও’ বলে ডেকে চলেছে| কবি মনে করছেন তার সঙ্গিনী অভিমানে ঘোমটায় মুখ ঢেকে রেখেছে| তাই তিনি পাখিকে পরামর্শ দিয়েছেন দ্রুত গিয়ে সে যেন সঙ্গিনীর কাছে ক্ষমা চেয়ে অভিমান ভাঙ্গায়| কবির ভাষায়— “পবনের বেগে যাও যথায় যুবতী;/ “ক্ষম, প্রিয়ে,” এই বলি পড় গিয়া পায়ে!—/ কভু দাস, কভু প্রভু, শুন, ক্ষুন্ন-মতি,/ প্রেম-রাজ্যে রাজাসন থাকে এ উপায়ে|” (বউ কথা কও)| ‘বউ কথা কও’ কবিতায় তিনি প্রকৃতির সঙ্গে মানবীয় প্রেমের সাযুজ্য দেখতে পেয়েছেন| পাখি এবং পতঙ্গ নিয়ে আরও কয়েকটি কবিতা রয়েছে, যেমন— ‘বসন্তে একটি পাখির প্রতি’, শ্যামা-পক্ষী, মধুকর, কুমুমে কীট প্রভৃতি|‘বসন্তে একটি পাখির প্রতি’ কবিতায় কবি কোকিলকে প্রেমাস্পদ কৃষ্ণের দূত বলে স¤ে^াধন করেছেন| কোকিল তার সুরেলা ডাকের মাধ্যমে বসন্তকে আহ্বান জানায়| এসময় প্রকৃতির সবকিছু রঙিন হয়ে ওঠে| আনন্দমুখরতায় জেগে চারপাশ| কোথাও কোনো মলিনতা থাকে না| কবি বলেন— “কে কোথা মলিন কবে মধুর মিলনে, /বসুমতী সতি যবে রত প্রেমবতে?”‘সায়াংকাল’ কবিতায় কবি সন্ধ্যার গোধূলিলগ্নের মায়াবী সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়েছেন| সূর্য যখন অস্ত যায়, চারপাশ সোনালি আলোর বিভায় উদ্ভাসিত হয়| তারপর একসময় কালো মেঘে ঢেকে যায় সবকিছু| সূর্য অস্ত যাওয়ার লগ্নে বিশ্ব চরাচরে সৃষ্ট অপূর্ব সৌন্দর্যময়তার একটি চিত্র পাওয়া যায় এই কবিতায়| যেমন— “চেয়ে দেখ চলিছেন মৃদে অস্তাচলে/ দিনেশ, ছড়ায়ে স্বর্ণ, রত্ন রাশি রাশি/ আকাশে| কত বা যত্নে কাদম্বিনী আসি/ ধরিতেছ তা সবারে সুনীল আঁচলে!” (সায়াংকাল)| গোধূলিলগ্নে প্রকৃতিতে লাল আভা দেখা দিয়ে আবার মিলিয়ে যায়| কবি দেখেন, সূর্য রাশি রাশি স্বর্ণ এবং রত্ন ছড়িয়ে সবকিছু আলোকিত করে তুলেছে| অতঃপর ঘন মেঘ এসে তার নীল আঁচল দিয়ে অন্ধকারে ঢেকে দিয়েছে সকল মাধুর্য| কবির কল্পনা এবং কাব্য-শক্তির এই প্রকাশ অসাধারণ| মধুসূদনের “চতুর্দশপদী কবিতাবলী” গ্রন্থের চমৎকার আরেকটি কবিতা ‘সায়াংকালের তারা’| এর অর্থ সন্ধ্যাতারা| সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যাওয়ার কিছু পরে পশ্চিম আকাশে উজ্জ্বল একটি তারার দেখা মেলে যার ঔজ্জ্বল্যের কাছে অন্য সব তারা ম্লান হয়ে যায়| কবি এই তারার রূপে মুগ্ধ হয়ে তাকে স্বর্গের সুর-সুন্দরী বলে অবিহিত করেছেন এবং অন্য সব তারা থেকে আলাদা অবস্থানের কারণে তিনি প্রশ্ন করেছেন, রজনী কি তাকে ভালোবাসেনা? অথবা তার সৌন্দর্যের কারণে অভিমান করে অন্যান্য তারা থেকে আকাশ কি তাকে আলাদা করে রাখে?“ক্ষণমাত্র দেখি তোমা নক্ষত্রমণ্ডলে/ কি হেতু? ভালো কি তোমা বাসে না শর্বরী?/ হেরি অপরূপ রূপ বুঝি ক্ষুণ্ন মনে/ মানিনী রজনী রাণী, তেঁই অনাদরে/ না দেয় শোভিতে তোমা সখিদল-সনে,” (সায়াংকালের তারা)| এসবই কবির কল্পনা| এখানে তিনি মূলত সৌন্দর্যের প্রতি তাঁর অপার মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন| মাইকেল মধুসূদন দত্ত ছিলেন এক কালজয়ী প্রতিভা| মনে এবং মননে তিনি ইউরোপীয় আধুনিকতাকে আত্মস্থ করেছিলেন| ফলে কোনো প্রকার অন্ধবিশ্বাস এবং কূপমণ্ডূকতা তাঁকে স্পর্শ করতে পারেনি| প্রচলিত পথ ও ভাবনাকে অতিক্রম করে তিনি বাংলা নাটক এবং কবিতায় নবদিগন্তের দুয়ার খুলে দেন| যেকোনো নতুন বিষয় গ্রহণে মানুষের সহজাত অনীহা থাকে| এমনকি প্রতিবাদও থাকে| মধুসূদনের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি| বাংলা সাহিত্যের দুই দিকপাল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং বুদ্ধদেব বসুর আক্রমণের স্বীকার হয়েছেন তিনি|  যদিও রবীন্দ্রনাথ পরিণত বয়সে এসে তাঁর প্রথম জীবনের মধুসূদন-বিদ্বেষ প্রত্যাহার করেন| কিন্তু বুদ্ধদেব বসু শেষদিন পর্যন্ত মধুসূদনের সাহিত্য প্রতিভাকে উপেক্ষা করে গেছেন| তাতে মাইকেল মধুসূদন দত্তের গরিমা একটুও ম্লান হয়নি| কালের বিচারে বুদ্ধদেব বসুর মূল্যায়নই বরং গুরুত্বহীন হয়ে গেছে| 

মাইকেলের নিসর্গপ্রেম ও তাঁর চতুর্দশপদী কবিতা