চলমান বিশ্বকাপ ফুটবল যেন একের পর এক রেকর্ড ভাঙা-গড়ার পসরা সাজিয়ে বসেছে। চলতি আসরে কোনো দল দীর্ঘ খরা কাটিয়ে নকআউট পর্বে গোলের দেখা পাচ্ছে, আবার কোনো দেশ প্রথমবারের মতো গোল করার আনন্দে ভাসছে। তবে এই সবকিছুকে ছাপিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক অনন্য নজির সৃষ্টি করলো আফ্রিকা মহাদেশের দেশ মিশর।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নকআউট রাউন্ডের ম্যাচের মাত্র ১৩ মিনিটের মাথায় দুর্দান্ত এক হেডে গোল করে বসেন মিশরীয় ক্লাব আহলিতে খেলা তারকা ফুটবলার ইমাম আশুর। আর এই এক গোলের মাধ্যমেই পিরামিডের দেশটি অবসান ঘটালো দীর্ঘ ৯২ বছরের এক পরম আরাধ্য গোলের অপেক্ষার।
বিশ্বকাপের ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, এর আগে মিশর সর্বশেষ নকআউট রাউন্ডে গোলের মুখ দেখেছিল ১৯৩৪ সালে হাঙ্গেরির বিপক্ষে। ফলে বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে এত দীর্ঘ সময় পর নকআউট রাউন্ডে গোল করার রেকর্ড আর কোনো দলের নেই।
৯২ বছরের সেই অধরা গোলটি পাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই মিশরীয়দের বাধভাঙা উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠার কথা ছিল। কিন্তু চরম আনন্দের সেই মুহূর্তেও মিশরীয় ফুটবলাররা ভুলে যাননি তাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক শেকড়কে।
সকারুজ খ্যাত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গোলটি করার পরপরই মাঠের সবুজ ঘাসে ইমাম আশুরের সঙ্গে পরম ভক্তিতে সেজদায় লুটিয়ে পড়েন মিশরের অন্য ফুটবলাররা। এই নান্দনিক গোলের সুবাদে ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে মাঠ ছাড়ে পিরামিডের দেশটি।
দীর্ঘ প্রায় এক শতাব্দী পর পাওয়া এই গোলের ওপর ভর করে এবার তাদের সামনে সুযোগ তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের মর্যাদাপূর্ণ রাউন্ড অফ-সিক্সটিনে ওঠার।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
চলমান বিশ্বকাপ ফুটবল যেন একের পর এক রেকর্ড ভাঙা-গড়ার পসরা সাজিয়ে বসেছে। চলতি আসরে কোনো দল দীর্ঘ খরা কাটিয়ে নকআউট পর্বে গোলের দেখা পাচ্ছে, আবার কোনো দেশ প্রথমবারের মতো গোল করার আনন্দে ভাসছে। তবে এই সবকিছুকে ছাপিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক অনন্য নজির সৃষ্টি করলো আফ্রিকা মহাদেশের দেশ মিশর।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নকআউট রাউন্ডের ম্যাচের মাত্র ১৩ মিনিটের মাথায় দুর্দান্ত এক হেডে গোল করে বসেন মিশরীয় ক্লাব আহলিতে খেলা তারকা ফুটবলার ইমাম আশুর। আর এই এক গোলের মাধ্যমেই পিরামিডের দেশটি অবসান ঘটালো দীর্ঘ ৯২ বছরের এক পরম আরাধ্য গোলের অপেক্ষার।
বিশ্বকাপের ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, এর আগে মিশর সর্বশেষ নকআউট রাউন্ডে গোলের মুখ দেখেছিল ১৯৩৪ সালে হাঙ্গেরির বিপক্ষে। ফলে বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে এত দীর্ঘ সময় পর নকআউট রাউন্ডে গোল করার রেকর্ড আর কোনো দলের নেই।
৯২ বছরের সেই অধরা গোলটি পাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই মিশরীয়দের বাধভাঙা উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠার কথা ছিল। কিন্তু চরম আনন্দের সেই মুহূর্তেও মিশরীয় ফুটবলাররা ভুলে যাননি তাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক শেকড়কে।
সকারুজ খ্যাত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গোলটি করার পরপরই মাঠের সবুজ ঘাসে ইমাম আশুরের সঙ্গে পরম ভক্তিতে সেজদায় লুটিয়ে পড়েন মিশরের অন্য ফুটবলাররা। এই নান্দনিক গোলের সুবাদে ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে মাঠ ছাড়ে পিরামিডের দেশটি।
দীর্ঘ প্রায় এক শতাব্দী পর পাওয়া এই গোলের ওপর ভর করে এবার তাদের সামনে সুযোগ তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের মর্যাদাপূর্ণ রাউন্ড অফ-সিক্সটিনে ওঠার।

আপনার মতামত লিখুন