নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে জাতীয় পতাকার সঙ্গে আরবি অক্ষরে কালেমা যুক্ত করে বিক্রির অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) রাতে তাদের আটক করা হয়। পরে শুক্রবার দুপুরে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার মাওলানা এরশাদ আলীর ছেলে মো. নিয়ামক উল্লাহ (২৫) এবং শেরপুর সদর উপজেলার চান মিয়ার ছেলে সিদ্দিক (২৬)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) ২ নম্বর ওয়ার্ডের মিতালি মার্কেট এলাকায় তারা আরবি অক্ষরে কালেমা লেখা জাতীয় পতাকা তৈরি করে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিক্রি করতেন। সম্প্রতি সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় তাদের তৈরি এ ধরনের পতাকা উড়তে দেখা যাওয়ায় সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, ‘জাতীয় পতাকাকে বিকৃত করে কালেমা সংযুক্ত পতাকা তৈরি করে অনলাইন পেজের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছিল। এ কার্যক্রমের পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে তাঁদের ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
এ বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে যোগ করেন এই কর্মকর্তা।

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে জাতীয় পতাকার সঙ্গে আরবি অক্ষরে কালেমা যুক্ত করে বিক্রির অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) রাতে তাদের আটক করা হয়। পরে শুক্রবার দুপুরে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার মাওলানা এরশাদ আলীর ছেলে মো. নিয়ামক উল্লাহ (২৫) এবং শেরপুর সদর উপজেলার চান মিয়ার ছেলে সিদ্দিক (২৬)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) ২ নম্বর ওয়ার্ডের মিতালি মার্কেট এলাকায় তারা আরবি অক্ষরে কালেমা লেখা জাতীয় পতাকা তৈরি করে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিক্রি করতেন। সম্প্রতি সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় তাদের তৈরি এ ধরনের পতাকা উড়তে দেখা যাওয়ায় সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, ‘জাতীয় পতাকাকে বিকৃত করে কালেমা সংযুক্ত পতাকা তৈরি করে অনলাইন পেজের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছিল। এ কার্যক্রমের পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে তাঁদের ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
এ বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে যোগ করেন এই কর্মকর্তা।

আপনার মতামত লিখুন