প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশেই সিলেট-ম্যানচেস্টার ফ্লাইট পুনরায় চালু হয়েছে এবং এটি বন্ধ হওয়ার কোনো অবকাশ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।
রোববার (৫ জুলাই)
দুপুরে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ম্যানচেস্টার থেকে আসা ফ্লাইটের যাত্রীদের
অভ্যর্থনা জানানো শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় তাঁর
সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন শিল্প ও বাণিজ্য এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
দীর্ঘ ১২৬ দিন
বন্ধ থাকার পর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের (বিজি-২০৮) ফ্লাইটটি ২৬৮ জন যাত্রী নিয়ে
সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর মধ্যে ২২৭ জন যাত্রী
সিলেটে নামেন।
ফ্লাইটটি আবার
বন্ধ হয়ে যাবে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বিমানমন্ত্রী বলেন, "আমরা
চাই যে ফ্লাইট চালু হয়েছে, সেটি যেন চালু থাকে। প্রয়োজনীয় এয়ারক্রাফট চলে এসেছে, তাই
এটি আর বন্ধ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।"
তিনি আরও যোগ
করেন, "অনেক প্রবাসী সরাসরি সিলেটে আসতে চান। দেশের প্রতি তাঁদের আলাদা টান রয়েছে।
ম্যানচেস্টার ফ্লাইটের জন্য তাঁদের যে আকুতি ছিল, তা দেখে আমার মনে হয়েছে এটি চালু
করতেই হবে। এ নিয়ে আমি প্রধানমন্ত্রীর সাথেও আলোচনা করেছি।"
আফরোজা
খানম জানান, শুধু বিমান চলাচলই নয়, সিলেটকে একটি আন্তর্জাতিক মানের ট্যুরিজম হাব (পর্যটন
কেন্দ্র) হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে। এছাড়া সিলেট-কক্সবাজার রুটে যত দ্রুত সম্ভব
ফ্লাইট চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
যুক্তরাজ্যের
হিথ্রো থেকে ঢাকা ও সিলেটের বিমান ভাড়ার বৈষম্য (ঢাকায় ৮০০ পাউন্ড বনাম সিলেটে ১২০০-১৩০০
পাউন্ড) এবং অভ্যন্তরীণ রুটে ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, "আমি যুক্তরাজ্যে
গিয়েও এই অভিযোগ শুনে এসেছি। বিমানের দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনা দূর করতে
কিছুটা সময় লাগবে। তবে মধ্যবিত্তরাও যাতে সহজে বিমানে ভ্রমণ করতে পারেন, সেজন্য ভাড়া
সাশ্রয়ী করার কাজ চলছে।"
তিনি আশা প্রকাশ
করেন, ২০২৭ সালের মধ্যে ওসমানী বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ কাজ শেষ হলে এটি আন্তর্জাতিকভাবে
আরও বেশি গুরুত্ব পাবে।
অনুষ্ঠানে শিল্প
ও বাণিজ্য এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, "সিলেট-ম্যানচেস্টার
ফ্লাইট চালুর মাধ্যমে প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হলো। আমার নির্বাচনী ইশতেহারেও
ছিল সিলেট বিমানবন্দরকে একটি ‘রিজিওনাল হাব’ হিসেবে গড়ে তোলা। আমাদের ইচ্ছা আছে সিলেট
থেকে ভারতের গুয়াহাটিসহ অন্যান্য আঞ্চলিক রুটে যেন বিমান চলাচল শুরু হয়। এতে বাণিজ্য
ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও উন্নত হবে।"
যাত্রীদের স্বাগত
জানাতে বিমানবন্দরে আরও উপস্থিত ছিলেন সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের
পরিচালক হাফিজ আহমদ, সিলেট বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশেই সিলেট-ম্যানচেস্টার ফ্লাইট পুনরায় চালু হয়েছে এবং এটি বন্ধ হওয়ার কোনো অবকাশ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।
রোববার (৫ জুলাই)
দুপুরে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ম্যানচেস্টার থেকে আসা ফ্লাইটের যাত্রীদের
অভ্যর্থনা জানানো শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় তাঁর
সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন শিল্প ও বাণিজ্য এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
দীর্ঘ ১২৬ দিন
বন্ধ থাকার পর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের (বিজি-২০৮) ফ্লাইটটি ২৬৮ জন যাত্রী নিয়ে
সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর মধ্যে ২২৭ জন যাত্রী
সিলেটে নামেন।
ফ্লাইটটি আবার
বন্ধ হয়ে যাবে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বিমানমন্ত্রী বলেন, "আমরা
চাই যে ফ্লাইট চালু হয়েছে, সেটি যেন চালু থাকে। প্রয়োজনীয় এয়ারক্রাফট চলে এসেছে, তাই
এটি আর বন্ধ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।"
তিনি আরও যোগ
করেন, "অনেক প্রবাসী সরাসরি সিলেটে আসতে চান। দেশের প্রতি তাঁদের আলাদা টান রয়েছে।
ম্যানচেস্টার ফ্লাইটের জন্য তাঁদের যে আকুতি ছিল, তা দেখে আমার মনে হয়েছে এটি চালু
করতেই হবে। এ নিয়ে আমি প্রধানমন্ত্রীর সাথেও আলোচনা করেছি।"
আফরোজা
খানম জানান, শুধু বিমান চলাচলই নয়, সিলেটকে একটি আন্তর্জাতিক মানের ট্যুরিজম হাব (পর্যটন
কেন্দ্র) হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে। এছাড়া সিলেট-কক্সবাজার রুটে যত দ্রুত সম্ভব
ফ্লাইট চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
যুক্তরাজ্যের
হিথ্রো থেকে ঢাকা ও সিলেটের বিমান ভাড়ার বৈষম্য (ঢাকায় ৮০০ পাউন্ড বনাম সিলেটে ১২০০-১৩০০
পাউন্ড) এবং অভ্যন্তরীণ রুটে ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, "আমি যুক্তরাজ্যে
গিয়েও এই অভিযোগ শুনে এসেছি। বিমানের দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনা দূর করতে
কিছুটা সময় লাগবে। তবে মধ্যবিত্তরাও যাতে সহজে বিমানে ভ্রমণ করতে পারেন, সেজন্য ভাড়া
সাশ্রয়ী করার কাজ চলছে।"
তিনি আশা প্রকাশ
করেন, ২০২৭ সালের মধ্যে ওসমানী বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ কাজ শেষ হলে এটি আন্তর্জাতিকভাবে
আরও বেশি গুরুত্ব পাবে।
অনুষ্ঠানে শিল্প
ও বাণিজ্য এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, "সিলেট-ম্যানচেস্টার
ফ্লাইট চালুর মাধ্যমে প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হলো। আমার নির্বাচনী ইশতেহারেও
ছিল সিলেট বিমানবন্দরকে একটি ‘রিজিওনাল হাব’ হিসেবে গড়ে তোলা। আমাদের ইচ্ছা আছে সিলেট
থেকে ভারতের গুয়াহাটিসহ অন্যান্য আঞ্চলিক রুটে যেন বিমান চলাচল শুরু হয়। এতে বাণিজ্য
ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও উন্নত হবে।"
যাত্রীদের স্বাগত
জানাতে বিমানবন্দরে আরও উপস্থিত ছিলেন সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের
পরিচালক হাফিজ আহমদ, সিলেট বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন