যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে ব্রাজিল ও নরওয়ে। প্রথমার্ধের নাটকীয়তার পর দ্বিতীয়ার্ধের শেষ মুহূর্তে এসে খেলার চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে। একের পর এক আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচে আপাতত ২-০ ব্যবধানে লিড নিয়ে জয়ের সুবাস পাচ্ছে নরওয়ে। অন্যদিকে গোল শোধের মরিয়া চেষ্টায় অতিরিক্ত সময়ে লড়ছে ব্রাজিল।
ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য। বল দখলে নরওয়ে এগিয়ে থাকলেও আক্রমণ বেশি করেছিল ব্রাজিল। তবে ম্যাচের শুরুতেই গোল বাতিল আর চার দশক পর ব্রাজিলের পেনাল্টি মিসের ধাক্কায় প্রথমার্ধে কোনো দলই জালের দেখা পায়নি। খেলার ৩ মিনিটে নরওয়ের আলেকজান্ডার সোরলথের পাস থেকে প্যাট্রি বের্গ গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়।
এরপর ১০ মিনিটের মাথায় ব্রাজিলের মাতেউস কুনিয়াকে বক্সের ভেতর ফাউল করায় ভিএআরের সাহায্যে পেনাল্টি পায় সেলেসাওরা। জিকোর ১৯৮৬ সালের পেনাল্টি মিসের পর বিশ্বকাপের মূল সময়ে এই প্রথম ব্রাজিলের কেউ পেনাল্টি মিস করলেন; ব্রুনো গিমারায়েসের শট দারুণভাবে রুখে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক ওরইয়ান নিল্যান্ড।
প্রথমার্ধের বাকি সময়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির আক্রমণগুলো নরওয়ের রক্ষণভাগে প্রতিহত হয়। অন্যদিকে নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হল্যান্ড এবং মার্টিন ওডেগার্ডের কয়েকটি দুর্দান্ত শট চমৎকার দক্ষতায় ফিরিয়ে দিয়ে ব্রাজিলের জাল অক্ষত রাখেন গোলরক্ষক আলিসন বেকার।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে দৃশ্যপট পাল্টে যায়। কাঙ্ক্ষিত গোলের জন্য ভিনিসিয়ুস জুনিয়র প্রথম থেকেই মাঠে কঠোর পরিশ্রম করছিলেন। আক্রমণভাগকে আরও শক্তিশালী করতে দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামানো হয় নেইমারকেও। কিন্তু ব্রাজিলের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে ম্যাচের ৭৯ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন আর্লিং হল্যান্ড। এর আগে প্রায় হাফ ডজন গোল করার সুযোগ মিস করার পর, ৭৯ মিনিটে চমৎকার এক হেডে গোল করে নরওয়েকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন এই স্ট্রাইকার।
পিছিয়ে পড়ে ব্রাজিল যখন গোল শোধে মরিয়া, ঠিক তখনই বড় ধাক্কা দেয় নরওয়ে। গোল করার ঠিক ১০ মিনিট পর, অর্থাৎ ম্যাচের ৮৯ মিনিটে সতীর্থের পাস থেকে পাওয়া বলে জোরালো শট নিয়ে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন হল্যান্ড। এতে নরওয়ে ২-০ ব্যবধানে লিড নিয়ে ম্যাচটি প্রায় নিজেদের মুঠোয় পুরে নেয়।
বর্তমানে নির্ধারিত সময় শেষে খেলা অতিরিক্ত সময়ে গড়িয়েছে। এখন দেখার বিষয়, অতিরিক্ত সময়ের এই শেষ মুহূর্তে এসে ব্রাজিল অবিশ্বাস্য কোনো প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে গোল শোধ করতে পারে কি না।

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে ব্রাজিল ও নরওয়ে। প্রথমার্ধের নাটকীয়তার পর দ্বিতীয়ার্ধের শেষ মুহূর্তে এসে খেলার চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে। একের পর এক আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচে আপাতত ২-০ ব্যবধানে লিড নিয়ে জয়ের সুবাস পাচ্ছে নরওয়ে। অন্যদিকে গোল শোধের মরিয়া চেষ্টায় অতিরিক্ত সময়ে লড়ছে ব্রাজিল।
ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য। বল দখলে নরওয়ে এগিয়ে থাকলেও আক্রমণ বেশি করেছিল ব্রাজিল। তবে ম্যাচের শুরুতেই গোল বাতিল আর চার দশক পর ব্রাজিলের পেনাল্টি মিসের ধাক্কায় প্রথমার্ধে কোনো দলই জালের দেখা পায়নি। খেলার ৩ মিনিটে নরওয়ের আলেকজান্ডার সোরলথের পাস থেকে প্যাট্রি বের্গ গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়।
এরপর ১০ মিনিটের মাথায় ব্রাজিলের মাতেউস কুনিয়াকে বক্সের ভেতর ফাউল করায় ভিএআরের সাহায্যে পেনাল্টি পায় সেলেসাওরা। জিকোর ১৯৮৬ সালের পেনাল্টি মিসের পর বিশ্বকাপের মূল সময়ে এই প্রথম ব্রাজিলের কেউ পেনাল্টি মিস করলেন; ব্রুনো গিমারায়েসের শট দারুণভাবে রুখে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক ওরইয়ান নিল্যান্ড।
প্রথমার্ধের বাকি সময়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির আক্রমণগুলো নরওয়ের রক্ষণভাগে প্রতিহত হয়। অন্যদিকে নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হল্যান্ড এবং মার্টিন ওডেগার্ডের কয়েকটি দুর্দান্ত শট চমৎকার দক্ষতায় ফিরিয়ে দিয়ে ব্রাজিলের জাল অক্ষত রাখেন গোলরক্ষক আলিসন বেকার।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে দৃশ্যপট পাল্টে যায়। কাঙ্ক্ষিত গোলের জন্য ভিনিসিয়ুস জুনিয়র প্রথম থেকেই মাঠে কঠোর পরিশ্রম করছিলেন। আক্রমণভাগকে আরও শক্তিশালী করতে দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামানো হয় নেইমারকেও। কিন্তু ব্রাজিলের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে ম্যাচের ৭৯ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন আর্লিং হল্যান্ড। এর আগে প্রায় হাফ ডজন গোল করার সুযোগ মিস করার পর, ৭৯ মিনিটে চমৎকার এক হেডে গোল করে নরওয়েকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন এই স্ট্রাইকার।
পিছিয়ে পড়ে ব্রাজিল যখন গোল শোধে মরিয়া, ঠিক তখনই বড় ধাক্কা দেয় নরওয়ে। গোল করার ঠিক ১০ মিনিট পর, অর্থাৎ ম্যাচের ৮৯ মিনিটে সতীর্থের পাস থেকে পাওয়া বলে জোরালো শট নিয়ে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন হল্যান্ড। এতে নরওয়ে ২-০ ব্যবধানে লিড নিয়ে ম্যাচটি প্রায় নিজেদের মুঠোয় পুরে নেয়।
বর্তমানে নির্ধারিত সময় শেষে খেলা অতিরিক্ত সময়ে গড়িয়েছে। এখন দেখার বিষয়, অতিরিক্ত সময়ের এই শেষ মুহূর্তে এসে ব্রাজিল অবিশ্বাস্য কোনো প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে গোল শোধ করতে পারে কি না।

আপনার মতামত লিখুন