ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে স্বাগতিক মেক্সিকো ও ইংল্যান্ডের মধ্যে এক অবিশ্বাস্য প্রথমার্ধ দেখল ফুটবলবিশ্ব। মাঠের উত্তাপ আর চার গোলের রোমাঞ্চ ছড়ানো প্রথমার্ধ শেষে থমাস টুখেলের শিষ্যরা ২-১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গেছে।
পুরো সময়জুড়ে বল দখলে মেক্সিকো এগিয়ে থাকলেও কাউন্টার অ্যাটাক বা পাল্টা আক্রমণে বাজিমাত করেছে ইংলিশরা। ম্যাচের প্রথম ৪৫ মিনিটে বল মেক্সিকোর পায়ে ছিল প্রায় ৬২.৭ শতাংশ সময়, কিন্তু মাত্র ৩৭.৩ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেও গোলমুখে চরম কার্যকারিতা দেখিয়েছে ইংল্যান্ড।
ম্যাচের ডেডলক ভাঙে ৩৬তম মিনিটে এক দুর্দান্ত কাউন্টার অ্যাটাক থেকে। ইংলিশ গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড ও ডেকলান রাইসের দ্রুতগতির পাসিং থেকে বল পান বুকায়ো সাকা। তার চোখধাঁধানো ক্রস হ্যারি কেইনকে ফাঁকি দিয়ে চলে গেলে ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থাকা জুড বেলিংহ্যাম দারুণ এক হেডে বল জালে জড়িয়ে ইংল্যান্ডকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন।
এই গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই মাত্র দুই মিনিট পর আবারও মেক্সিকোর রক্ষণভাগকে স্তব্ধ করে দেন বেলিংহ্যাম। অধিনায়ক হ্যারি কেইনের সঙ্গে চমৎকার ওয়ান-টু খেলে এবং এলিয়ট অ্যান্ডারসনের কাছ থেকে বল কেড়ে নেওয়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা মিডফিল্ডার।
তবে ঘরের মাঠের দর্শকদের স্তব্ধ করে দিয়ে দুই গোল হজম করলেও দমে যায়নি স্বাগতিক মেক্সিকো। বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। মেক্সিকোর একটি ফ্রি-কিক ইংলিশ ডিফেন্ডাররা ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে বল পান জুলিয়ান কুইনোনেস।
তিনি কোনো ভুল না করে চমৎকার এক ভলিতে গোল করে ব্যবধান ২-১ এ নামিয়ে আনেন। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ দিকে সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগও পেয়েছিল মেক্সিকো, কিন্তু রাউল হিমেনেসের জোরালো শট গোলরক্ষক পিকফোর্ড অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন।
এরপর শেষ মুহূর্তে বেলিংহ্যামের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্ষণের কল্যাণে ২-১ গোলের স্বস্তিদায়ক লিড নিয়েই মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে স্বাগতিক মেক্সিকো ও ইংল্যান্ডের মধ্যে এক অবিশ্বাস্য প্রথমার্ধ দেখল ফুটবলবিশ্ব। মাঠের উত্তাপ আর চার গোলের রোমাঞ্চ ছড়ানো প্রথমার্ধ শেষে থমাস টুখেলের শিষ্যরা ২-১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গেছে।
পুরো সময়জুড়ে বল দখলে মেক্সিকো এগিয়ে থাকলেও কাউন্টার অ্যাটাক বা পাল্টা আক্রমণে বাজিমাত করেছে ইংলিশরা। ম্যাচের প্রথম ৪৫ মিনিটে বল মেক্সিকোর পায়ে ছিল প্রায় ৬২.৭ শতাংশ সময়, কিন্তু মাত্র ৩৭.৩ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেও গোলমুখে চরম কার্যকারিতা দেখিয়েছে ইংল্যান্ড।
ম্যাচের ডেডলক ভাঙে ৩৬তম মিনিটে এক দুর্দান্ত কাউন্টার অ্যাটাক থেকে। ইংলিশ গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড ও ডেকলান রাইসের দ্রুতগতির পাসিং থেকে বল পান বুকায়ো সাকা। তার চোখধাঁধানো ক্রস হ্যারি কেইনকে ফাঁকি দিয়ে চলে গেলে ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থাকা জুড বেলিংহ্যাম দারুণ এক হেডে বল জালে জড়িয়ে ইংল্যান্ডকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন।
এই গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই মাত্র দুই মিনিট পর আবারও মেক্সিকোর রক্ষণভাগকে স্তব্ধ করে দেন বেলিংহ্যাম। অধিনায়ক হ্যারি কেইনের সঙ্গে চমৎকার ওয়ান-টু খেলে এবং এলিয়ট অ্যান্ডারসনের কাছ থেকে বল কেড়ে নেওয়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা মিডফিল্ডার।
তবে ঘরের মাঠের দর্শকদের স্তব্ধ করে দিয়ে দুই গোল হজম করলেও দমে যায়নি স্বাগতিক মেক্সিকো। বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। মেক্সিকোর একটি ফ্রি-কিক ইংলিশ ডিফেন্ডাররা ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে বল পান জুলিয়ান কুইনোনেস।
তিনি কোনো ভুল না করে চমৎকার এক ভলিতে গোল করে ব্যবধান ২-১ এ নামিয়ে আনেন। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ দিকে সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগও পেয়েছিল মেক্সিকো, কিন্তু রাউল হিমেনেসের জোরালো শট গোলরক্ষক পিকফোর্ড অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন।
এরপর শেষ মুহূর্তে বেলিংহ্যামের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্ষণের কল্যাণে ২-১ গোলের স্বস্তিদায়ক লিড নিয়েই মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।

আপনার মতামত লিখুন