হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার নিম্নাঞ্চলের বিশাল এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে শত শত একর ফসলি জমি। অনেক ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পানিনিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত দু-তিন দিনের টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে উপজেলার গাজীপুর, আহম্মদাবাদ, সাটিয়াজুড়ী, পাইকপাড়া ও শানখলা ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। খোয়াই, করাঙ্গী ও সুতাং নদী এবং বিভিন্ন পাহাড়ি ছড়ার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে লোকালয়ে প্রবেশ করছে। এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির পাশাপাশি অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পানিনিষ্কাশনের নালা ও খাল ভরাট বা দখল হয়ে যাওয়ায় পানি নামতে পারছে না। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই দীর্ঘমেয়াদী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।
চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসন তৎপর রয়েছে। কোথাও বাঁধ ভেঙে গেলে বা ফসলি জমিতে পানি প্রবেশ করলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা উপজেলা প্রশাসনকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়া কেউ যেন কৃত্রিমভাবে পানি আটকে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না করেন, সে বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে। তাছাড়া কোন খাল কিংবা জলাশয় এর পানি আটকে রেখে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না করার অনুরোধ জানিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত না করার জন্য অনুরোধ করছেন উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার নিম্নাঞ্চলের বিশাল এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে শত শত একর ফসলি জমি। অনেক ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পানিনিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত দু-তিন দিনের টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে উপজেলার গাজীপুর, আহম্মদাবাদ, সাটিয়াজুড়ী, পাইকপাড়া ও শানখলা ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। খোয়াই, করাঙ্গী ও সুতাং নদী এবং বিভিন্ন পাহাড়ি ছড়ার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে লোকালয়ে প্রবেশ করছে। এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির পাশাপাশি অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পানিনিষ্কাশনের নালা ও খাল ভরাট বা দখল হয়ে যাওয়ায় পানি নামতে পারছে না। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই দীর্ঘমেয়াদী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।
চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসন তৎপর রয়েছে। কোথাও বাঁধ ভেঙে গেলে বা ফসলি জমিতে পানি প্রবেশ করলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা উপজেলা প্রশাসনকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়া কেউ যেন কৃত্রিমভাবে পানি আটকে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না করেন, সে বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে। তাছাড়া কোন খাল কিংবা জলাশয় এর পানি আটকে রেখে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না করার অনুরোধ জানিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত না করার জন্য অনুরোধ করছেন উপজেলা প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন