জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় স্ত্রীকে গলা টিপে হত্যার দায়ে স্বামী আনোয়ার হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আনোয়ার হোসেন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী ইউনিয়নের লম্বাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
আদালত ও মামলার বিবরণ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১২ বছর আগে ২০১২ সালের ১১ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে আনোয়ার হোসেন তার স্ত্রী ইসমত আরাকে গলা টিপে হত্যা করেন। হত্যার পর মরদেহ পাশের এক ব্যক্তির বাড়ির সামনে ফেলে রেখে যান। পরদিন ১২ ডিসেম্বর নিহতের ভাই মজনু মিয়া বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আজ আদালত এই রায় দেন।
ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) ফজলুল হক জানান, আনোয়ার ও ইসমত আরার সংসারে একটি সন্তান রয়েছে। ঘটনার আগের দিন ইসমত আরা বাবার বাড়িতে যেতে চাইলে আনোয়ার তাতে বাধা দেন এবং দুর্ব্যবহার করেন। সেই কলহের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত সর্বোচ্চ সাজা প্রদান করেছেন। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
\

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় স্ত্রীকে গলা টিপে হত্যার দায়ে স্বামী আনোয়ার হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আনোয়ার হোসেন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী ইউনিয়নের লম্বাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
আদালত ও মামলার বিবরণ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১২ বছর আগে ২০১২ সালের ১১ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে আনোয়ার হোসেন তার স্ত্রী ইসমত আরাকে গলা টিপে হত্যা করেন। হত্যার পর মরদেহ পাশের এক ব্যক্তির বাড়ির সামনে ফেলে রেখে যান। পরদিন ১২ ডিসেম্বর নিহতের ভাই মজনু মিয়া বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আজ আদালত এই রায় দেন।
ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) ফজলুল হক জানান, আনোয়ার ও ইসমত আরার সংসারে একটি সন্তান রয়েছে। ঘটনার আগের দিন ইসমত আরা বাবার বাড়িতে যেতে চাইলে আনোয়ার তাতে বাধা দেন এবং দুর্ব্যবহার করেন। সেই কলহের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত সর্বোচ্চ সাজা প্রদান করেছেন। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
\

আপনার মতামত লিখুন