চট্টগ্রামের বাঁশখালিতে পানিবন্দি ঘর থেকে ৮ মাস বয়সী এক শিশুসহ একটি পরিবারের ১৩ সদস্যকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে শ্বাসরুদ্ধকর উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তারা এই পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসে।
বাঁশখালি উপজেলার চেচুরিয়া এলাকায় বুধবার (৮ জুলাই) রাতে জলকদর খালের পানিতে তলিয়ে যায় এলাকাটি। ট্রিপল নাইন থেকে খবর পেয়ে বাঁশখালি ফায়ার স্টেশনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে রশিসহ অন্যান্য সরঞ্জাম সেট করতে সময় লেগে যায় প্রায় ঘণ্টাখানেক।
ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কুঁড়েঘরে আটকে পড়া ৮ মাস বয়সী শিশু, গর্ভবর্তী নারী, বৃদ্ধা ও অন্যান্য সদস্যসহ মোট ১৩ জনকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ৭-৮ বছর বয়সী শিশুও ছিল।
বাঁশখালি ফায়ার স্টেশনের ইনচার্জ মিজানুর রহমান জানান, 'প্রচুর পানির স্রোত থাকায় উদ্ধার কাজ শেষ করতে রাত সাড়ে ১০টা পেরিয়ে যায়। সব মিলিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস ৩০ জনকে উদ্ধার করেছে।'
বাঁশখালি থানার ওসি রবিউল হক জানান, উপজেলার ৪-৫টি ইউনিয়নের নিচু এলাকায় প্রায় ২০ হাজার মানুষ এখনো পানিবন্দি। গত ৭ জুলাই থেকে পানি বাড়তে শুরু করে, এখনও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি।
ঘরবাড়ি ডুবে যাওয়ায় থানার পুলিশ ফাঁড়ি ও তদন্ত কেন্দ্রও পানিতে তলিয়ে গেছে। এরপরও পুলিশ উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
জাতীয় জরুরি সেবার পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার জানান, এলাকায় কোথাও কোমর সমান, কোথাও হাঁটু সমান পানি জমেছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দীর্ঘ সময় ধরে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রামের বাঁশখালিতে পানিবন্দি ঘর থেকে ৮ মাস বয়সী এক শিশুসহ একটি পরিবারের ১৩ সদস্যকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে শ্বাসরুদ্ধকর উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তারা এই পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসে।
বাঁশখালি উপজেলার চেচুরিয়া এলাকায় বুধবার (৮ জুলাই) রাতে জলকদর খালের পানিতে তলিয়ে যায় এলাকাটি। ট্রিপল নাইন থেকে খবর পেয়ে বাঁশখালি ফায়ার স্টেশনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে রশিসহ অন্যান্য সরঞ্জাম সেট করতে সময় লেগে যায় প্রায় ঘণ্টাখানেক।
ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কুঁড়েঘরে আটকে পড়া ৮ মাস বয়সী শিশু, গর্ভবর্তী নারী, বৃদ্ধা ও অন্যান্য সদস্যসহ মোট ১৩ জনকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ৭-৮ বছর বয়সী শিশুও ছিল।
বাঁশখালি ফায়ার স্টেশনের ইনচার্জ মিজানুর রহমান জানান, 'প্রচুর পানির স্রোত থাকায় উদ্ধার কাজ শেষ করতে রাত সাড়ে ১০টা পেরিয়ে যায়। সব মিলিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস ৩০ জনকে উদ্ধার করেছে।'
বাঁশখালি থানার ওসি রবিউল হক জানান, উপজেলার ৪-৫টি ইউনিয়নের নিচু এলাকায় প্রায় ২০ হাজার মানুষ এখনো পানিবন্দি। গত ৭ জুলাই থেকে পানি বাড়তে শুরু করে, এখনও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি।
ঘরবাড়ি ডুবে যাওয়ায় থানার পুলিশ ফাঁড়ি ও তদন্ত কেন্দ্রও পানিতে তলিয়ে গেছে। এরপরও পুলিশ উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
জাতীয় জরুরি সেবার পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার জানান, এলাকায় কোথাও কোমর সমান, কোথাও হাঁটু সমান পানি জমেছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দীর্ঘ সময় ধরে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন