হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে খোয়াই নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় ভাঙন তীব্রতর হয়েছে। এতে উপজেলার নালমুখ ও কাচুয়া এলাকার বেশ কয়েকটি পরিবারের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। গত ২-৩ দিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে খোয়াই নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার ২২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
নদীর পানি বাড়ায় নদীর তীরবর্তী মানুষের ভিটেমাটিসহ হুমকির মুখে পড়েছে একটি সেতু। বিশেষ করে ১০নং মিরাশি ইউনিয়নের নালমুখ বাজারের পাশের রবিদাস পাড়া এবং ৩ নং দেওরগাছ ইউনিয়নের কাচুয়া এলাকার গৌরাঙ্গ শুক্লবৈদ্যের বাড়িটি যেকোনো সময় নদীতে ধসে পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপারের বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দ্রুত প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ বা ব্যবস্থা না নিলে খোয়াই নদীর করাল গ্রাসে তলিয়ে যাবে পুরো এলাকা। ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলো এখন নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধান করছে।
চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী জানান, উপজেলা প্রশাসন বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। নদী তীরবর্তী মানুষের ভিটেমাটি রক্ষায় টেকসই বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। আপাতত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে।
\

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে খোয়াই নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় ভাঙন তীব্রতর হয়েছে। এতে উপজেলার নালমুখ ও কাচুয়া এলাকার বেশ কয়েকটি পরিবারের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। গত ২-৩ দিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে খোয়াই নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার ২২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
নদীর পানি বাড়ায় নদীর তীরবর্তী মানুষের ভিটেমাটিসহ হুমকির মুখে পড়েছে একটি সেতু। বিশেষ করে ১০নং মিরাশি ইউনিয়নের নালমুখ বাজারের পাশের রবিদাস পাড়া এবং ৩ নং দেওরগাছ ইউনিয়নের কাচুয়া এলাকার গৌরাঙ্গ শুক্লবৈদ্যের বাড়িটি যেকোনো সময় নদীতে ধসে পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপারের বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দ্রুত প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ বা ব্যবস্থা না নিলে খোয়াই নদীর করাল গ্রাসে তলিয়ে যাবে পুরো এলাকা। ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলো এখন নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধান করছে।
চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী জানান, উপজেলা প্রশাসন বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। নদী তীরবর্তী মানুষের ভিটেমাটি রক্ষায় টেকসই বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। আপাতত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে।
\

আপনার মতামত লিখুন