মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূ আছমা আক্তার (২৬) হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। হত্যাকাণ্ডের পর ৪ বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়া স্বামী মুহাসিন মাতুব্বরকে (৩২) ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে পিবিআই জানায়, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে গোপালগঞ্জের মকসুদপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (৮ জুলাই) মুন্সীগঞ্জ আদালতে তিনি স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
পিবিআই ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীবাড়ীর পূর্ব বলিয়াগাঁও এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এই দম্পতি। আছমার আগের ২ টি বিয়ের তথ্য গোপন করা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে কলহ চলছিল। গত ৬ জুলাই সকালে নাশতা তৈরি নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে মুহাসিন তার স্ত্রীকে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে সাজানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে মরদেহ খাটে ফেলে রেখে সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে যান তিনি।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই শামীম তালুকদার বাদী হয়ে টঙ্গীবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন। পিবিআই মুন্সীগঞ্জ জেলা ইউনিট স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করে।
মুন্সীগঞ্জ পিবিআই জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে মুহাসিন হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন। পারিবারিক কলহের জেরে ক্ষোভ থেকেই তিনি এই কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন। বর্তমানে মামলার অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
\

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূ আছমা আক্তার (২৬) হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। হত্যাকাণ্ডের পর ৪ বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়া স্বামী মুহাসিন মাতুব্বরকে (৩২) ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে পিবিআই জানায়, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে গোপালগঞ্জের মকসুদপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (৮ জুলাই) মুন্সীগঞ্জ আদালতে তিনি স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
পিবিআই ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীবাড়ীর পূর্ব বলিয়াগাঁও এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এই দম্পতি। আছমার আগের ২ টি বিয়ের তথ্য গোপন করা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে কলহ চলছিল। গত ৬ জুলাই সকালে নাশতা তৈরি নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে মুহাসিন তার স্ত্রীকে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে সাজানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে মরদেহ খাটে ফেলে রেখে সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে যান তিনি।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই শামীম তালুকদার বাদী হয়ে টঙ্গীবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন। পিবিআই মুন্সীগঞ্জ জেলা ইউনিট স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করে।
মুন্সীগঞ্জ পিবিআই জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে মুহাসিন হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন। পারিবারিক কলহের জেরে ক্ষোভ থেকেই তিনি এই কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন। বর্তমানে মামলার অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
\

আপনার মতামত লিখুন