সুইজারল্যান্ডকে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। প্রিয় দলের এই জয়ে আনন্দের জোয়ারে ভেসেছে ফেনী শহরের শত শত ফুটবলপ্রেমী। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই ‘মেসি... মেসি...’ স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো শহর।
রোববার (১২ জুলাই) সকালে ফেনী শহরের জেল রোড মোড়ে বড় পর্দায় খেলা দেখার আয়োজন করা হয়। এই হাইভোল্টেজ ম্যাচটি উপভোগ করতে ফেনী পাইলট হাই স্কুলের গেট থেকে শুরু করে পৌরসভা, স্মৃতিস্তম্ভ ও আশপাশের এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। পুরো এলাকা যেন রূপ নিয়েছিল এক টুকরো বুয়েনস এইরেসে।
খেলা শুরুর আগে থেকেই ফেনী শহর ও আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে সব বয়সী মানুষ আর্জেন্টিনার আকাশী-সাদা জার্সি পরে, প্লাকার্ড ও পতাকা হাতে বড় পর্দার সামনে জড়ো হতে থাকেন। শহরের ল্যাম্পপোস্ট থেকে শুরু করে দেয়ালে টাঙানো শত শত পতাকা পুরো শহরজুড়ে উন্মাদনা ছড়াচ্ছিল। অনেকেই গালে-কপালে প্রিয় দলের পতাকার রঙ মেখে হাজির হন।
ম্যাচের প্রথমার্ধ থেকেই ছিল টানটান উত্তেজনা। সুইজারল্যান্ড প্রথমে গোল করে লিড নিলেও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনা। ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়ালে আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলগুলোর সঙ্গে সঙ্গে পুরো এলাকা উৎসবে মাতোয়ারা হয়ে ওঠে। সমর্থকেরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে এবং ভুভুজেলা বাজিয়ে আনন্দ প্রকাশ করতে থাকেন। এই জয়ে অধিনায়ক লিওনেল মেসি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠলেন।
খেলা দেখতে আসা তরুণ সমর্থক এম কাওসার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, ‘সুইজারল্যান্ড আজ অসাধারণ খেলেছে, সত্যি বলতে বুক কাঁপছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা প্রমাণ করল কেন তারা বিশ্বসেরা। মেসি মাঠে থাকা মানেই অন্যরকম জাদু।’
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তরুণ সমাজকে সুস্থ বিনোদন দিতেই বড় পর্দায় খেলা দেখানোর এই ব্যবস্থা। এদিকে ম্যাচ শেষ হওয়ার পর শহরের ট্রাংক রোড ও মিজান রোড এলাকায় সমর্থকদের আনন্দ মিছিল বের করতে দেখা গেছে।
যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশ মোতায়েন ছিল। ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম জানান, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সমর্থকদের বিজয়োল্লাস শেষ হয়েছে।
আগামী বুধবার (১ জুলাই) সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে প্রিয় দলের আরও একটি জয়ের অপেক্ষায় এখন ফেনীর ফুটবলপ্রেমীরা।
/

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
সুইজারল্যান্ডকে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। প্রিয় দলের এই জয়ে আনন্দের জোয়ারে ভেসেছে ফেনী শহরের শত শত ফুটবলপ্রেমী। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই ‘মেসি... মেসি...’ স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো শহর।
রোববার (১২ জুলাই) সকালে ফেনী শহরের জেল রোড মোড়ে বড় পর্দায় খেলা দেখার আয়োজন করা হয়। এই হাইভোল্টেজ ম্যাচটি উপভোগ করতে ফেনী পাইলট হাই স্কুলের গেট থেকে শুরু করে পৌরসভা, স্মৃতিস্তম্ভ ও আশপাশের এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। পুরো এলাকা যেন রূপ নিয়েছিল এক টুকরো বুয়েনস এইরেসে।
খেলা শুরুর আগে থেকেই ফেনী শহর ও আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে সব বয়সী মানুষ আর্জেন্টিনার আকাশী-সাদা জার্সি পরে, প্লাকার্ড ও পতাকা হাতে বড় পর্দার সামনে জড়ো হতে থাকেন। শহরের ল্যাম্পপোস্ট থেকে শুরু করে দেয়ালে টাঙানো শত শত পতাকা পুরো শহরজুড়ে উন্মাদনা ছড়াচ্ছিল। অনেকেই গালে-কপালে প্রিয় দলের পতাকার রঙ মেখে হাজির হন।
ম্যাচের প্রথমার্ধ থেকেই ছিল টানটান উত্তেজনা। সুইজারল্যান্ড প্রথমে গোল করে লিড নিলেও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনা। ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়ালে আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলগুলোর সঙ্গে সঙ্গে পুরো এলাকা উৎসবে মাতোয়ারা হয়ে ওঠে। সমর্থকেরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে এবং ভুভুজেলা বাজিয়ে আনন্দ প্রকাশ করতে থাকেন। এই জয়ে অধিনায়ক লিওনেল মেসি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠলেন।
খেলা দেখতে আসা তরুণ সমর্থক এম কাওসার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, ‘সুইজারল্যান্ড আজ অসাধারণ খেলেছে, সত্যি বলতে বুক কাঁপছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা প্রমাণ করল কেন তারা বিশ্বসেরা। মেসি মাঠে থাকা মানেই অন্যরকম জাদু।’
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তরুণ সমাজকে সুস্থ বিনোদন দিতেই বড় পর্দায় খেলা দেখানোর এই ব্যবস্থা। এদিকে ম্যাচ শেষ হওয়ার পর শহরের ট্রাংক রোড ও মিজান রোড এলাকায় সমর্থকদের আনন্দ মিছিল বের করতে দেখা গেছে।
যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশ মোতায়েন ছিল। ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম জানান, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সমর্থকদের বিজয়োল্লাস শেষ হয়েছে।
আগামী বুধবার (১ জুলাই) সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে প্রিয় দলের আরও একটি জয়ের অপেক্ষায় এখন ফেনীর ফুটবলপ্রেমীরা।
/

আপনার মতামত লিখুন