বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে স্তব্ধ ফ্রান্স শিবির। ম্যাচ শেষের পর ফরাসি ডাগআউটের সেই হতাশা সংবাদ সম্মেলনে এসেও লুকাতে পারলেন না কোচ দিদিয়ের দেশ্যম। হারের বেদনায় ভেঙে পড়া দলের চিত্র ফুটিয়ে তোলার পাশাপাশি ম্যাচ রেফারি ইভান বার্টনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে ছাড়লেন না তিনি। এল সালভাদরের এই রেফারির যোগ্যতা নিয়েই সরাসরি প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন এই ফরাসি মাস্টারমাইন্ড।
চলতি বিশ্বকাপে রীতিমতো উড়ছিল
ফ্রান্স। শেষ চারে আসার আগে ৬ ম্যাচে ১৬ গোল করে ফুটবলপ্রেমীদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছিল
তারা। দেশ্যমের ক্ষুরধার কৌশলে ফুটবল বিশ্ব খুঁজে পাচ্ছিল ইতিহাসের সেরা দলগুলোর ছায়া।
কিন্তু সেমিফাইনালের মঞ্চে স্প্যানিশ জাদুর সামনে সেই চেনা ফ্রান্সকে চেনাই গেল না।
দাপুটে ফুটবল খেলে ফ্রান্সের তৃতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে দিলো স্পেন। আসর শেষেই ফরাসি
কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে রাখা দেশ্যম যেন ম্যাচ শেষে হারের কোনো কূলকিনারা
খুঁজে পাচ্ছিলেন না।
ম্যাচের ২২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে
গোল করে এগিয়ে যায় স্পেন। বিরতির পর তারা ব্যবধান করে দ্বিগুণ। ফ্রান্স বলের পিছু ছুটে
আর পেরে উঠেনি। শেষ দিকে কিছু সুযোগ তৈরি করলেও স্পেনের রক্ষণে ধরাতে পারেনি কাঁপন।
টেক্সাসের আর্লিংটনের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষের পরপরই নিজের হতাশা উগড়ে
দেন দেশ্যম। তিনি বলেন, ‘হতাশাটা আকাশচুম্বী। দলের সবাই ভীষণ ভেঙে পড়েছে, কারণ আমাদের
স্বপ্নটা ছিল অনেক বড়। তবে আমাদের বাস্তববাদীও হতে হবে। টেকনিক্যাল দিক থেকে আজ আমরা
এক ধাপ পিছিয়ে ছিলাম। স্পেন দারুণভাবে ম্যাচটা নিয়ন্ত্রণ করেছে।’
নিজেদের ঘাটতি অকপটে স্বীকার
করলেও হারের পুরো দায় দলের ওপর চাপাতে রাজি নন ফরাসি কোচ। আর তাই তো প্রথমার্ধে লুকাস
দিনিয়ে কর্তৃক লামিনে ইয়ামালকে ফাউল করার সুবাদে স্পেনের পাওয়া পেনাল্টি নিয়ে ক্ষোভ
উগড়ে দিতে বেছে নিলেন একটু ভিন্ন পথ। রেফারি বার্টনকে লক্ষ্য করে দেশ্যম বলেন, ‘আমি
একটা কঠিন প্রশ্ন রাখছি, তবে এর উত্তর আমি নিজে দেব না। একজন বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের
ম্যাচ পরিচালনার জন্য এই রেফারির যে যোগ্যতা থাকা দরকার, তা কি ওনার আছে? আমি শুধু
আজ হেরেছি বলেই এই কথা বলছি না। ম্যাচের বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ
আছে। কিছু কিছু সিদ্ধান্ত একদিকে পক্ষপাতমূলকও ছিল।’

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে স্তব্ধ ফ্রান্স শিবির। ম্যাচ শেষের পর ফরাসি ডাগআউটের সেই হতাশা সংবাদ সম্মেলনে এসেও লুকাতে পারলেন না কোচ দিদিয়ের দেশ্যম। হারের বেদনায় ভেঙে পড়া দলের চিত্র ফুটিয়ে তোলার পাশাপাশি ম্যাচ রেফারি ইভান বার্টনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে ছাড়লেন না তিনি। এল সালভাদরের এই রেফারির যোগ্যতা নিয়েই সরাসরি প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন এই ফরাসি মাস্টারমাইন্ড।
চলতি বিশ্বকাপে রীতিমতো উড়ছিল
ফ্রান্স। শেষ চারে আসার আগে ৬ ম্যাচে ১৬ গোল করে ফুটবলপ্রেমীদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছিল
তারা। দেশ্যমের ক্ষুরধার কৌশলে ফুটবল বিশ্ব খুঁজে পাচ্ছিল ইতিহাসের সেরা দলগুলোর ছায়া।
কিন্তু সেমিফাইনালের মঞ্চে স্প্যানিশ জাদুর সামনে সেই চেনা ফ্রান্সকে চেনাই গেল না।
দাপুটে ফুটবল খেলে ফ্রান্সের তৃতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে দিলো স্পেন। আসর শেষেই ফরাসি
কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে রাখা দেশ্যম যেন ম্যাচ শেষে হারের কোনো কূলকিনারা
খুঁজে পাচ্ছিলেন না।
ম্যাচের ২২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে
গোল করে এগিয়ে যায় স্পেন। বিরতির পর তারা ব্যবধান করে দ্বিগুণ। ফ্রান্স বলের পিছু ছুটে
আর পেরে উঠেনি। শেষ দিকে কিছু সুযোগ তৈরি করলেও স্পেনের রক্ষণে ধরাতে পারেনি কাঁপন।
টেক্সাসের আর্লিংটনের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষের পরপরই নিজের হতাশা উগড়ে
দেন দেশ্যম। তিনি বলেন, ‘হতাশাটা আকাশচুম্বী। দলের সবাই ভীষণ ভেঙে পড়েছে, কারণ আমাদের
স্বপ্নটা ছিল অনেক বড়। তবে আমাদের বাস্তববাদীও হতে হবে। টেকনিক্যাল দিক থেকে আজ আমরা
এক ধাপ পিছিয়ে ছিলাম। স্পেন দারুণভাবে ম্যাচটা নিয়ন্ত্রণ করেছে।’
নিজেদের ঘাটতি অকপটে স্বীকার
করলেও হারের পুরো দায় দলের ওপর চাপাতে রাজি নন ফরাসি কোচ। আর তাই তো প্রথমার্ধে লুকাস
দিনিয়ে কর্তৃক লামিনে ইয়ামালকে ফাউল করার সুবাদে স্পেনের পাওয়া পেনাল্টি নিয়ে ক্ষোভ
উগড়ে দিতে বেছে নিলেন একটু ভিন্ন পথ। রেফারি বার্টনকে লক্ষ্য করে দেশ্যম বলেন, ‘আমি
একটা কঠিন প্রশ্ন রাখছি, তবে এর উত্তর আমি নিজে দেব না। একজন বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের
ম্যাচ পরিচালনার জন্য এই রেফারির যে যোগ্যতা থাকা দরকার, তা কি ওনার আছে? আমি শুধু
আজ হেরেছি বলেই এই কথা বলছি না। ম্যাচের বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ
আছে। কিছু কিছু সিদ্ধান্ত একদিকে পক্ষপাতমূলকও ছিল।’

আপনার মতামত লিখুন