সংবাদ

৩৪ বার বল পেয়েছেন, গোলে একটিও শট নেই

ফ্রান্সের বিদায়ের নেপথ্যে ‘খলনায়ক’ এমবাপ্পে


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫১ পিএম

ফ্রান্সের বিদায়ের নেপথ্যে ‘খলনায়ক’ এমবাপ্পে

বিশ্বকাপে পর পর দু’বার হৃদয় ভাঙল কিলিয়ান এমবাপ্পের। গত বার ফাইনালে হেরেছিলেন আর্জেন্টিনার কাছে। এ বার সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে। গত ফাইনালে তবু তিনি হ্যাটট্রিক করে মাথা উঁচু করে বিদায় নিয়েছিলেন। কিন্তু এ বার লজ্জা নিয়ে বিদায় নিতে হয়েছে। স্পেনের বিপক্ষে এমবাপ্পের পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট, বিশ্বকাপে আট গোল করা এমবাপ্পে আসল দিনেই ‘খলনায়ক’ হয়ে গেলেন।

ফ্রান্সের আক্রমণকে বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা বলে মনে করা হচ্ছিল। তাদেরই চুপ করিয়ে দিয়েছে স্পেন। শুধু এমবাপ্পেকেই নন, উসমান দেম্বেলে, মাইকেল ওলিসে, ব্র্যাডলি বার্কোলা- কাউকেই বিপজ্জনক হতে দেয়নি স্পেনীয়রা।

প্রথমার্ধে এমবাপ্পে বাকি ফুটবলারদের মধ্যে সবচেয়ে কম বার বল স্পর্শ করেছিলেন। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার সময়ে দেখা যায়, মাত্র ৩৪ বার বল স্পর্শ করেছিলেন। স্পেনের গোল লক্ষ্য করে মাত্র তিনটি শট নিয়েছেন। কিন্তু একটি শটও পোস্টে ছিল না।

ম্যাচে মাত্র ছ’বার ড্রিবল করেছেন এমবাপ্পে। সফল হয়েছে এক বার। তাঁর পা থেকে ১৪ বার বল কেড়ে নেওয়া হয়েছে। একমাত্র দেম্বেলে, লামিনে ইয়ামাল (দু’জনেরই ১৭ বার) এবং ওলিসে (২০) এমবাপ্পের চেয়ে বেশি বার বল হারিয়েছেন।

সেমিফাইনালে নামার আগে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করেছিল ফ্রান্স। ১৬টি গোল ছিল তাদের নামের পাশে। সেমিফাইনালে তাদের প্রত্যাশিত গোলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে মাত্র ০.৩ শতাংশ। এমবাপ্পের অবদান তার মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ।

গোলে এমবাপ্পের একটিও শট না থাকলেও, ম্যাচে অন্তত তাঁকে দেখেই মনে হয়েছে ফ্রান্স একটু হলেও আক্রমণ করেছে। কারণ ফ্রান্সের বাকি তিন অস্ত্র দেম্বেলে, ওলিসে এবং বার্কোলা দুঃস্বপ্নের রাত কাটিয়েছেন। ২৭ বছরের এমবাপ্পে ম্যাচের ৮৬ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন সিমনকে ইচ্ছাকৃত ফাউল করার জন্য।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬


ফ্রান্সের বিদায়ের নেপথ্যে ‘খলনায়ক’ এমবাপ্পে

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

বিশ্বকাপে পর পর দু’বার হৃদয় ভাঙল কিলিয়ান এমবাপ্পের। গত বার ফাইনালে হেরেছিলেন আর্জেন্টিনার কাছে। এ বার সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে। গত ফাইনালে তবু তিনি হ্যাটট্রিক করে মাথা উঁচু করে বিদায় নিয়েছিলেন। কিন্তু এ বার লজ্জা নিয়ে বিদায় নিতে হয়েছে। স্পেনের বিপক্ষে এমবাপ্পের পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট, বিশ্বকাপে আট গোল করা এমবাপ্পে আসল দিনেই ‘খলনায়ক’ হয়ে গেলেন।

ফ্রান্সের আক্রমণকে বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা বলে মনে করা হচ্ছিল। তাদেরই চুপ করিয়ে দিয়েছে স্পেন। শুধু এমবাপ্পেকেই নন, উসমান দেম্বেলে, মাইকেল ওলিসে, ব্র্যাডলি বার্কোলা- কাউকেই বিপজ্জনক হতে দেয়নি স্পেনীয়রা।

প্রথমার্ধে এমবাপ্পে বাকি ফুটবলারদের মধ্যে সবচেয়ে কম বার বল স্পর্শ করেছিলেন। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার সময়ে দেখা যায়, মাত্র ৩৪ বার বল স্পর্শ করেছিলেন। স্পেনের গোল লক্ষ্য করে মাত্র তিনটি শট নিয়েছেন। কিন্তু একটি শটও পোস্টে ছিল না।

ম্যাচে মাত্র ছ’বার ড্রিবল করেছেন এমবাপ্পে। সফল হয়েছে এক বার। তাঁর পা থেকে ১৪ বার বল কেড়ে নেওয়া হয়েছে। একমাত্র দেম্বেলে, লামিনে ইয়ামাল (দু’জনেরই ১৭ বার) এবং ওলিসে (২০) এমবাপ্পের চেয়ে বেশি বার বল হারিয়েছেন।

সেমিফাইনালে নামার আগে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করেছিল ফ্রান্স। ১৬টি গোল ছিল তাদের নামের পাশে। সেমিফাইনালে তাদের প্রত্যাশিত গোলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে মাত্র ০.৩ শতাংশ। এমবাপ্পের অবদান তার মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ।

গোলে এমবাপ্পের একটিও শট না থাকলেও, ম্যাচে অন্তত তাঁকে দেখেই মনে হয়েছে ফ্রান্স একটু হলেও আক্রমণ করেছে। কারণ ফ্রান্সের বাকি তিন অস্ত্র দেম্বেলে, ওলিসে এবং বার্কোলা দুঃস্বপ্নের রাত কাটিয়েছেন। ২৭ বছরের এমবাপ্পে ম্যাচের ৮৬ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন সিমনকে ইচ্ছাকৃত ফাউল করার জন্য।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত