সংবাদ

ফাউল ও কার্ডে গোলশূন্য প্রথমার্ধ


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৪ এএম

ফাউল ও কার্ডে গোলশূন্য প্রথমার্ধ

​ফিফা বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার লড়াই প্রথমার্ধে কোনো গোল ছাড়াই শেষ হয়েছে। ১৬ জুলাই অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে খেলার চেয়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ফাউল ও কার্ডের আধিক্যই বেশি দেখা গেছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই আক্রমণাত্মক থাকলেও গোলের জন্য কোনো জোরাল সম্ভাবনা তৈরি করতে পারেনি। ২৫ মিনিটের মাথায় প্রথম হাইড্রেশন বিরতির সময় দেখা যায়, দুই দল মিলে মোট ১০টি ফাউল করেছে। ১৪ মিনিটের মাথায় অ্যান্থনি গর্ডনের ড্রিবলিংয়ের প্রচেষ্টা আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের তৎপরতায় ব্যর্থ হয়। ২৩ মিনিটে জুড বেলিংহাম ফাউলের শিকার হলে আর্জেন্টিনা ফ্রি কিক পায়, তবে তা থেকে কোনো লক্ষ্যভেদ হয়নি। ৩৫ মিনিটে নাহুয়েল মোলিনা বেলিংহামকে ফাউল করলে ইংল্যান্ড বিপজ্জনক জায়গায় ফ্রি কিক পায়, কিন্তু রিস জেমসের নেওয়া কিকটি কোনোমতে বিপদমুক্ত করে আর্জেন্টিনা।
​ম্যাচের ৩৬ মিনিটের মাথায় লিওনেল মেসিকে ফাউল করে বসেন এলিয়ট এন্ডারসন, যার ফলে তিনি ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন। এরপর ৪২ মিনিটে মরগান রজার্সের জার্সি টেনে ধরায় লিসান্দ্রো মার্তিনেজও হলুদ কার্ড দেখেন। আর্জেন্টিনার হয়ে এনজো ফার্নান্দেজ একটি দূরপাল্লার শট নিলেও তা বারের ওপর দিয়ে চলে যায়।
​প্রথমার্ধের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বল দখলের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনা কিছুটা এগিয়ে থাকলেও ফাউলের সংখ্যা তাদেরই বেশি ছিল। আর্জেন্টিনার ১২টি ফাউলের বিপরীতে ইংল্যান্ড করেছে ৭টি ফাউল। গোলের জন্য আর্জেন্টিনা দুইটি শট নিলেও কোনোটিই লক্ষ্যে ছিল না, অন্যদিকে ইংল্যান্ডের একমাত্র শটটিও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। সব মিলিয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এই সেমিফাইনালের প্রথমার্ধ গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬


ফাউল ও কার্ডে গোলশূন্য প্রথমার্ধ

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

​ফিফা বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার লড়াই প্রথমার্ধে কোনো গোল ছাড়াই শেষ হয়েছে। ১৬ জুলাই অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে খেলার চেয়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ফাউল ও কার্ডের আধিক্যই বেশি দেখা গেছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই আক্রমণাত্মক থাকলেও গোলের জন্য কোনো জোরাল সম্ভাবনা তৈরি করতে পারেনি। ২৫ মিনিটের মাথায় প্রথম হাইড্রেশন বিরতির সময় দেখা যায়, দুই দল মিলে মোট ১০টি ফাউল করেছে। ১৪ মিনিটের মাথায় অ্যান্থনি গর্ডনের ড্রিবলিংয়ের প্রচেষ্টা আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের তৎপরতায় ব্যর্থ হয়। ২৩ মিনিটে জুড বেলিংহাম ফাউলের শিকার হলে আর্জেন্টিনা ফ্রি কিক পায়, তবে তা থেকে কোনো লক্ষ্যভেদ হয়নি। ৩৫ মিনিটে নাহুয়েল মোলিনা বেলিংহামকে ফাউল করলে ইংল্যান্ড বিপজ্জনক জায়গায় ফ্রি কিক পায়, কিন্তু রিস জেমসের নেওয়া কিকটি কোনোমতে বিপদমুক্ত করে আর্জেন্টিনা।
​ম্যাচের ৩৬ মিনিটের মাথায় লিওনেল মেসিকে ফাউল করে বসেন এলিয়ট এন্ডারসন, যার ফলে তিনি ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন। এরপর ৪২ মিনিটে মরগান রজার্সের জার্সি টেনে ধরায় লিসান্দ্রো মার্তিনেজও হলুদ কার্ড দেখেন। আর্জেন্টিনার হয়ে এনজো ফার্নান্দেজ একটি দূরপাল্লার শট নিলেও তা বারের ওপর দিয়ে চলে যায়।
​প্রথমার্ধের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বল দখলের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনা কিছুটা এগিয়ে থাকলেও ফাউলের সংখ্যা তাদেরই বেশি ছিল। আর্জেন্টিনার ১২টি ফাউলের বিপরীতে ইংল্যান্ড করেছে ৭টি ফাউল। গোলের জন্য আর্জেন্টিনা দুইটি শট নিলেও কোনোটিই লক্ষ্যে ছিল না, অন্যদিকে ইংল্যান্ডের একমাত্র শটটিও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। সব মিলিয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এই সেমিফাইনালের প্রথমার্ধ গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত