চলমান ফিফা বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে পিছিয়ে পড়লেও শেষ মুহূর্তের দারুণ নৈপুণ্যে জয় তুলে নেয় লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। মরগান রজার্সের চমৎকার ক্রস থেকে বাম পায়ের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দিয়েছিলেন গর্ডন।
গোল হজমের পর আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করে ইংলিশরা, তবে পাল্টা আক্রমণে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা অব্যাহত রাখে আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের ৮৫ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের দূরপাল্লার শট থেকে সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। প্রথমে তার শট জর্ডান পিকফোর্ড ঠেকিয়ে দিলেও লিওনেল মেসির নেওয়া কর্নার থেকে ফিরে আসা বলে এনজো ফের শট নিলে পিকফোর্ড আর তা আটকাতে পারেননি।
এরপর ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় মিনিটে লিওনেল মেসির ক্রস থেকে হেডে গোল করে দলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন লাউতারো মার্তিনেজ।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর ৯ মিনিটের ইনজুরি সময়ে ইংল্যান্ড সমতা ফেরানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালালেও আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ তা রুখে দেয়।
এর আগে প্রথমার্ধ ছিল উত্তেজনা, ফাউল আর হাতাহাতির ছড়াছড়ি। দুই দলই গোলের জন্য জোরালো কোনো আক্রমণ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়।
প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা ১২টি এবং ইংল্যান্ড ৭টি ফাউল করে। ম্যাচের ৩৬ মিনিটে এলিয়ট এন্ডারসন এবং ৪২ মিনিটে লিসান্দ্রো মার্তিনেজ হলুদ কার্ড দেখেন।
গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় বেশ কয়েকবার গোলবঞ্চিত হয় আর্জেন্টিনা। ৭৫ মিনিটে আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড জর্ডান পিকফোর্ড ডানদিকে ঝাঁপিয়ে কোনোমতে প্রতিহত করেন।
৬৮ মিনিটে নিকো গনজালেজের হেডও পিকফোর্ড রুখে দিয়েছিলেন। সব মিলিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে আর্জেন্টিনার আক্রমণে দিশেহারা ইংলিশ রক্ষণভাগ শেষ পর্যন্ত লিওনেল মেসির সহায়তায় করা লাউতারোর শেষ গোলটি আর সামলাতে পারেনি।

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
চলমান ফিফা বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে পিছিয়ে পড়লেও শেষ মুহূর্তের দারুণ নৈপুণ্যে জয় তুলে নেয় লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। মরগান রজার্সের চমৎকার ক্রস থেকে বাম পায়ের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দিয়েছিলেন গর্ডন।
গোল হজমের পর আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করে ইংলিশরা, তবে পাল্টা আক্রমণে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা অব্যাহত রাখে আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের ৮৫ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের দূরপাল্লার শট থেকে সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। প্রথমে তার শট জর্ডান পিকফোর্ড ঠেকিয়ে দিলেও লিওনেল মেসির নেওয়া কর্নার থেকে ফিরে আসা বলে এনজো ফের শট নিলে পিকফোর্ড আর তা আটকাতে পারেননি।
এরপর ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় মিনিটে লিওনেল মেসির ক্রস থেকে হেডে গোল করে দলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন লাউতারো মার্তিনেজ।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর ৯ মিনিটের ইনজুরি সময়ে ইংল্যান্ড সমতা ফেরানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালালেও আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ তা রুখে দেয়।
এর আগে প্রথমার্ধ ছিল উত্তেজনা, ফাউল আর হাতাহাতির ছড়াছড়ি। দুই দলই গোলের জন্য জোরালো কোনো আক্রমণ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়।
প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা ১২টি এবং ইংল্যান্ড ৭টি ফাউল করে। ম্যাচের ৩৬ মিনিটে এলিয়ট এন্ডারসন এবং ৪২ মিনিটে লিসান্দ্রো মার্তিনেজ হলুদ কার্ড দেখেন।
গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় বেশ কয়েকবার গোলবঞ্চিত হয় আর্জেন্টিনা। ৭৫ মিনিটে আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড জর্ডান পিকফোর্ড ডানদিকে ঝাঁপিয়ে কোনোমতে প্রতিহত করেন।
৬৮ মিনিটে নিকো গনজালেজের হেডও পিকফোর্ড রুখে দিয়েছিলেন। সব মিলিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে আর্জেন্টিনার আক্রমণে দিশেহারা ইংলিশ রক্ষণভাগ শেষ পর্যন্ত লিওনেল মেসির সহায়তায় করা লাউতারোর শেষ গোলটি আর সামলাতে পারেনি।

আপনার মতামত লিখুন