সংবাদ

অ‌তি‌রিক্ত সম‌য়ে আর্জেন্টিনার ২-১ লিড


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৮ এএম

অ‌তি‌রিক্ত সম‌য়ে আর্জেন্টিনার ২-১ লিড

​ফিফা বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার দ্বিতীয় সেমি-ফাইনাল ম্যাচটি শুরু থেকেই ছিল টানটান উত্তেজনায় ঠাসা। ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল মূলত ফাউল ও হাতাহাতির লড়াই, যেখানে গোলের চেয়ে বাঁশির শব্দই বেশি শোনা গেছে। প্রথমার্ধ গোলশূন্যভাবে শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে দৃশ্যপট বদলে যায়।

৫৫ মিনিটের মাথায় মরগান রজার্সের চমৎকার ক্রসে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে নেন অ্যান্থনি গর্ডন। পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া আর্জেন্টিনা একের পর এক আক্রমণ শুরু করলেও ইংল্যান্ডের জমাট রক্ষণভাগ ও গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ড বারবার বাধা হয়ে দাঁড়ান।
​ম্যাচের ৮৫ মিনিটের মাথায় শেষ পর্যন্ত সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির ছোট কর্নার থেকে বল দেওয়া-নেওয়া করে এনজো ফার্নান্দেজ দূরপাল্লার এক জোরালো শট নেন, যা ইংলিশ গোলকিপার পিকফোর্ডকে পরাস্ত করে জালে জড়ায়। ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার অপেক্ষায় থাকা ম্যাচের ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ।
ডান পাশ থেকে লিওনেল মেসির মাপা ক্রসে সবার চেয়ে ওপরে লাফিয়ে উঠে দুর্দান্ত হেডে গোল করেন লাউতারো মার্তিনেজ। ইনজুরি টাইমে ২-১ গোলে আর্জেন্টিনা লি‌ডে।
​পুরো ম্যাচে আর্জেন্টিনা বলের নিয়ন্ত্রণে কিছুটা এগিয়ে থাকলেও দুই দলের খেলোয়াড়রাই সমানতালে আক্রমণ ও রক্ষণভাগ সামলেছেন। ম্যাচের ৫২ মিনিটের মাথায় ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহামকে ফাউল করে ক্রিস্তিয়ান রোমেরো হলুদ কার্ড দেখেন।
এরপর ৪২ মিনিটে মরগান রজার্সের জার্সি টেনে ধরায় আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজও দেখেন কার্ড। এছাড়া প্রথমার্ধের ৩৬ মিনিটে লিওনেল মেসিকে ফাউল করায় প্রথম হলুদ কার্ডটি পেয়েছিলেন এলিয়ট এন্ডারসন। দুই দলের এই উত্তপ্ত লড়াই শেষে শেষ হাসি হাসল স্কালোনির শিষ্যরাই।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬


অ‌তি‌রিক্ত সম‌য়ে আর্জেন্টিনার ২-১ লিড

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

​ফিফা বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার দ্বিতীয় সেমি-ফাইনাল ম্যাচটি শুরু থেকেই ছিল টানটান উত্তেজনায় ঠাসা। ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল মূলত ফাউল ও হাতাহাতির লড়াই, যেখানে গোলের চেয়ে বাঁশির শব্দই বেশি শোনা গেছে। প্রথমার্ধ গোলশূন্যভাবে শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে দৃশ্যপট বদলে যায়।

৫৫ মিনিটের মাথায় মরগান রজার্সের চমৎকার ক্রসে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে নেন অ্যান্থনি গর্ডন। পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া আর্জেন্টিনা একের পর এক আক্রমণ শুরু করলেও ইংল্যান্ডের জমাট রক্ষণভাগ ও গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ড বারবার বাধা হয়ে দাঁড়ান।
​ম্যাচের ৮৫ মিনিটের মাথায় শেষ পর্যন্ত সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির ছোট কর্নার থেকে বল দেওয়া-নেওয়া করে এনজো ফার্নান্দেজ দূরপাল্লার এক জোরালো শট নেন, যা ইংলিশ গোলকিপার পিকফোর্ডকে পরাস্ত করে জালে জড়ায়। ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার অপেক্ষায় থাকা ম্যাচের ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ।
ডান পাশ থেকে লিওনেল মেসির মাপা ক্রসে সবার চেয়ে ওপরে লাফিয়ে উঠে দুর্দান্ত হেডে গোল করেন লাউতারো মার্তিনেজ। ইনজুরি টাইমে ২-১ গোলে আর্জেন্টিনা লি‌ডে।
​পুরো ম্যাচে আর্জেন্টিনা বলের নিয়ন্ত্রণে কিছুটা এগিয়ে থাকলেও দুই দলের খেলোয়াড়রাই সমানতালে আক্রমণ ও রক্ষণভাগ সামলেছেন। ম্যাচের ৫২ মিনিটের মাথায় ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহামকে ফাউল করে ক্রিস্তিয়ান রোমেরো হলুদ কার্ড দেখেন।
এরপর ৪২ মিনিটে মরগান রজার্সের জার্সি টেনে ধরায় আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজও দেখেন কার্ড। এছাড়া প্রথমার্ধের ৩৬ মিনিটে লিওনেল মেসিকে ফাউল করায় প্রথম হলুদ কার্ডটি পেয়েছিলেন এলিয়ট এন্ডারসন। দুই দলের এই উত্তপ্ত লড়াই শেষে শেষ হাসি হাসল স্কালোনির শিষ্যরাই।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত