ফিফা বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার লড়াই বেশ উত্তাপ ছড়িয়েছে। ম্যাচের ৫৫ মিনিটের মাথায় কাঙ্ক্ষিত সেই গোলের দেখা পায় ইংল্যান্ড। ডান প্রান্ত থেকে মরগান রজার্সের চমৎকার একটি ক্রস থেকে বাম পাশে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে বল জালে জড়িয়ে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন অ্যান্থনি গর্ডন।
এর আগে ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের খেলায় ফাউলের আধিক্য ছিল চোখে পড়ার মতো। ম্যাচের প্রথমার্ধের ২৫ মিনিটে প্রথম হাইড্রেশন বিরতিতে দেখা যায়, তখন পর্যন্ত দুই দল মিলে মোট ১০টি ফাউল করেছে।
প্রথমার্ধে কোনো দলই গোল করার মতো জোরাল সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। খেলার ৩৬ মিনিটে লিওনেল মেসিকে ফাউল করায় এলিয়ট এন্ডারসন এবং ৪২ মিনিটে মরগান রজার্সের জার্সি টেনে ধরায় লিসান্দ্রো মার্তিনেজ হলুদ কার্ড দেখেন।
প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য অবস্থায়। যেখানে বল দখলের লড়াইয়ে কিছুটা এগিয়ে থাকা আর্জেন্টিনা ১২টি ফাউল করে, বিপরীতে ইংল্যান্ডের ফাউল সংখ্যা ছিল ৭টি।
দ্বিতীয় সেমিফাইনালের দ্বিতীয়ার্ধে খেলার গতি বাড়লে উত্তাপও বাড়তে থাকে। ম্যাচের ৪৭ মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজের জোরাল শট কর্নারের বিনিময়ে ঠেকিয়ে দেন ইংল্যান্ডের গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ড। এরপরই পাল্টা আক্রমণে গোল করে এগিয়ে যায় ইংলিশরা।
ম্যাচের ৫২ মিনিটে জুড বেলিংহামকে পেছন থেকে ফাউল করলে আর্জেন্টিনা ডিফেন্ডার ক্রিস্তিয়ান রোমেরোকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। গোল খাওয়ার পর আর্জেন্টিনা ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগ তা সফল হতে দেয়নি।

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার লড়াই বেশ উত্তাপ ছড়িয়েছে। ম্যাচের ৫৫ মিনিটের মাথায় কাঙ্ক্ষিত সেই গোলের দেখা পায় ইংল্যান্ড। ডান প্রান্ত থেকে মরগান রজার্সের চমৎকার একটি ক্রস থেকে বাম পাশে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে বল জালে জড়িয়ে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন অ্যান্থনি গর্ডন।
এর আগে ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের খেলায় ফাউলের আধিক্য ছিল চোখে পড়ার মতো। ম্যাচের প্রথমার্ধের ২৫ মিনিটে প্রথম হাইড্রেশন বিরতিতে দেখা যায়, তখন পর্যন্ত দুই দল মিলে মোট ১০টি ফাউল করেছে।
প্রথমার্ধে কোনো দলই গোল করার মতো জোরাল সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। খেলার ৩৬ মিনিটে লিওনেল মেসিকে ফাউল করায় এলিয়ট এন্ডারসন এবং ৪২ মিনিটে মরগান রজার্সের জার্সি টেনে ধরায় লিসান্দ্রো মার্তিনেজ হলুদ কার্ড দেখেন।
প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য অবস্থায়। যেখানে বল দখলের লড়াইয়ে কিছুটা এগিয়ে থাকা আর্জেন্টিনা ১২টি ফাউল করে, বিপরীতে ইংল্যান্ডের ফাউল সংখ্যা ছিল ৭টি।
দ্বিতীয় সেমিফাইনালের দ্বিতীয়ার্ধে খেলার গতি বাড়লে উত্তাপও বাড়তে থাকে। ম্যাচের ৪৭ মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজের জোরাল শট কর্নারের বিনিময়ে ঠেকিয়ে দেন ইংল্যান্ডের গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ড। এরপরই পাল্টা আক্রমণে গোল করে এগিয়ে যায় ইংলিশরা।
ম্যাচের ৫২ মিনিটে জুড বেলিংহামকে পেছন থেকে ফাউল করলে আর্জেন্টিনা ডিফেন্ডার ক্রিস্তিয়ান রোমেরোকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। গোল খাওয়ার পর আর্জেন্টিনা ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগ তা সফল হতে দেয়নি।

আপনার মতামত লিখুন