চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে গৃহবধূ রিগান আক্তার মিম (২৬) হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। প্রতিহিংসার জেরে বড় জাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর নিজেকে বাঁচাতে ডাকাতির নাটক সাজিয়েছিলেন ছোট জা কাজী সুমাইয়া আক্তার মিনা (২৩)। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে চাঁদপুরের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি।
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁদপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাতুল হাসান আল মুরাদের আদালতে হাজির করা হলে সুমাইয়া আক্তার মিনা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে শাহরাস্তি পৌরসভার বাত্তলা গ্রামের এক বাড়িতে রিগান আক্তারকে নিজ কক্ষে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় তার ছোট জা সুমাইয়াকে আহত অবস্থায় উদ্ধারের দাবি করা হয়। সুমাইয়া পুলিশকে জানিয়েছিলেন, মুখ বাঁধা দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে তাকে ও তার শিশুকে জিম্মি করে এবং পাশের কক্ষে গিয়ে বড় জা রিগানকে হত্যা করে স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়।
তবে তদন্তে নেমে পুলিশ সুমাইয়ার বক্তব্যে নানা অসংগতি খুঁজে পায়। সংগৃহীত আলামত ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে পুলিশ সুমাইয়াকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি প্রতিহিংসার জেরে আপন জাকে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
শাহরাস্তি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আসামি সুমাইয়া আক্তার মিনা প্রতিহিংসার জেরে রিগান আক্তারকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে ঘটনাটি ভিন্নখাতে নিতে ডাকাতির গল্প সাজিয়েছিলেন। তার জবানবন্দির ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
নিহত রিগান আক্তার মিমের আড়াই বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান ও চার মাস বয়সী একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। ঘটনার সময় তার স্বামী রনি চাকরির প্রয়োজনে ঢাকায় ছিলেন। বাড়িতে দুই জা, তাদের সন্তান ও বৃদ্ধ দাদা-শ্বশুর অবস্থান করছিলেন।
/

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে গৃহবধূ রিগান আক্তার মিম (২৬) হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। প্রতিহিংসার জেরে বড় জাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর নিজেকে বাঁচাতে ডাকাতির নাটক সাজিয়েছিলেন ছোট জা কাজী সুমাইয়া আক্তার মিনা (২৩)। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে চাঁদপুরের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি।
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁদপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাতুল হাসান আল মুরাদের আদালতে হাজির করা হলে সুমাইয়া আক্তার মিনা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে শাহরাস্তি পৌরসভার বাত্তলা গ্রামের এক বাড়িতে রিগান আক্তারকে নিজ কক্ষে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় তার ছোট জা সুমাইয়াকে আহত অবস্থায় উদ্ধারের দাবি করা হয়। সুমাইয়া পুলিশকে জানিয়েছিলেন, মুখ বাঁধা দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে তাকে ও তার শিশুকে জিম্মি করে এবং পাশের কক্ষে গিয়ে বড় জা রিগানকে হত্যা করে স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়।
তবে তদন্তে নেমে পুলিশ সুমাইয়ার বক্তব্যে নানা অসংগতি খুঁজে পায়। সংগৃহীত আলামত ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে পুলিশ সুমাইয়াকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি প্রতিহিংসার জেরে আপন জাকে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
শাহরাস্তি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আসামি সুমাইয়া আক্তার মিনা প্রতিহিংসার জেরে রিগান আক্তারকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে ঘটনাটি ভিন্নখাতে নিতে ডাকাতির গল্প সাজিয়েছিলেন। তার জবানবন্দির ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
নিহত রিগান আক্তার মিমের আড়াই বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান ও চার মাস বয়সী একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। ঘটনার সময় তার স্বামী রনি চাকরির প্রয়োজনে ঢাকায় ছিলেন। বাড়িতে দুই জা, তাদের সন্তান ও বৃদ্ধ দাদা-শ্বশুর অবস্থান করছিলেন।
/

আপনার মতামত লিখুন