ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বড়ভাগ গ্রামে কলেজছাত্র সুমন শেখ (২৪) হত্যাকাণ্ডের জের ধরে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে গ্রেপ্তার আতঙ্কে প্রতিপক্ষের নারী-পুরুষ সদস্যরা এলাকাছাড়া হওয়ায় এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি।
শনিবার (১৮ জুলাই) সরেজমিনে ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৬ জুন সন্ধ্যায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বড়ভাগ গ্রামে হামলার শিকার হন কলেজছাত্র সুমন শেখ। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি কাশিয়ানী উপজেলার এম এ খালেক ডিগ্রি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই শামীম শেখ বাদী হয়ে ১৭ জনকে আসামি করে আলফাডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই বড়ভাগ গ্রামে প্রতিপক্ষের অন্তত ১০টি বাড়িতে সুপরিকল্পিতভাবে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হচ্ছে। বিশেষ করে সাবেক ইউপি সদস্য কুদ্দুস শেখ ও তার ছেলে হুসেন শেখের ভবনসহ আসবাবপত্র সম্পূর্ণ ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। দফায় দফায় এই ধ্বংসযজ্ঞ চললেও তা ঠেকাতে পুলিশের কার্যকর ভূমিকা দেখা যায়নি বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
হত্যাকাণ্ডের ২১ দিন পার হলেও ১৭ জন আসামির মধ্যে মাত্র একজনকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছে পুলিশ। নিহতের ভাই শামীম শেখ বলেন, ‘আসামিরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। তবে বাড়িঘরে হামলায় আমরা জড়িত নই।’
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামসুল আজম বলেন, ‘হত্যা মামলার একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। বাড়িঘরে হামলার অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বর্তমানে ওই গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
/

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বড়ভাগ গ্রামে কলেজছাত্র সুমন শেখ (২৪) হত্যাকাণ্ডের জের ধরে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে গ্রেপ্তার আতঙ্কে প্রতিপক্ষের নারী-পুরুষ সদস্যরা এলাকাছাড়া হওয়ায় এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি।
শনিবার (১৮ জুলাই) সরেজমিনে ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৬ জুন সন্ধ্যায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বড়ভাগ গ্রামে হামলার শিকার হন কলেজছাত্র সুমন শেখ। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি কাশিয়ানী উপজেলার এম এ খালেক ডিগ্রি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই শামীম শেখ বাদী হয়ে ১৭ জনকে আসামি করে আলফাডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই বড়ভাগ গ্রামে প্রতিপক্ষের অন্তত ১০টি বাড়িতে সুপরিকল্পিতভাবে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হচ্ছে। বিশেষ করে সাবেক ইউপি সদস্য কুদ্দুস শেখ ও তার ছেলে হুসেন শেখের ভবনসহ আসবাবপত্র সম্পূর্ণ ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। দফায় দফায় এই ধ্বংসযজ্ঞ চললেও তা ঠেকাতে পুলিশের কার্যকর ভূমিকা দেখা যায়নি বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
হত্যাকাণ্ডের ২১ দিন পার হলেও ১৭ জন আসামির মধ্যে মাত্র একজনকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছে পুলিশ। নিহতের ভাই শামীম শেখ বলেন, ‘আসামিরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। তবে বাড়িঘরে হামলায় আমরা জড়িত নই।’
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামসুল আজম বলেন, ‘হত্যা মামলার একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। বাড়িঘরে হামলার অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বর্তমানে ওই গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
/

আপনার মতামত লিখুন