সংবাদ

দেশীয় মাছ রক্ষায় মহেশপুরে নিষিদ্ধ জাল জব্দ


প্রতিনিধি, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
প্রতিনিধি, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৬ পিএম

দেশীয় মাছ রক্ষায় মহেশপুরে নিষিদ্ধ জাল জব্দ

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নদী, নালা ও উন্মুক্ত জলাশয়ে নিষিদ্ধ ‘চায়না দুয়ারি’ জালের অবাধ ব্যবহারে দেশীয় প্রজাতির মাছ ও জলজ প্রাণী চরম হুমকির মুখে পড়েছে। অতি ক্ষুদ্র ছিদ্রযুক্ত এই জালের মরণফাঁদে মাছের রেণু পোনা, ডিমওয়ালা মাছ থেকে শুরু করে কুচিয়া, ব্যাঙ ও কাঁকড়াসহ সব ধরনের জলজ প্রাণী আটকা পড়ছে। এতে ধ্বংস হচ্ছে মিঠাপানির মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ব্যবস্থা।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই)  দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ যৌথভাবে উপজেলার ইসালডাঙ্গা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। এ সময় একটি খাল থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারির মধ্যেও অসাধু চক্র গোপনে এই জাল ব্যবহার করছে। বিশেষ করে উপজেলার পান্তাপাড়া ও বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নে এই জালের ব্যবহার উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে।

ভারপ্রাপ্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দীন ইসলাম বলেন, চায়না দুয়ারি জাল কেবল মাছ নিধন করে না, এটি জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য এক বড় হুমকি। এই জালের কারণে দেশীয় প্রজাতির মাছের উৎপাদন আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। নিষিদ্ধ এই জালের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘প্রাকৃতিক জলাশয়ের জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও দেশীয় মাছের উৎপাদন ধরে রাখতে নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। তথ্য পাওয়া মাত্রই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জনস্বার্থে এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬


দেশীয় মাছ রক্ষায় মহেশপুরে নিষিদ্ধ জাল জব্দ

প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬

featured Image

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নদী, নালা ও উন্মুক্ত জলাশয়ে নিষিদ্ধ ‘চায়না দুয়ারি’ জালের অবাধ ব্যবহারে দেশীয় প্রজাতির মাছ ও জলজ প্রাণী চরম হুমকির মুখে পড়েছে। অতি ক্ষুদ্র ছিদ্রযুক্ত এই জালের মরণফাঁদে মাছের রেণু পোনা, ডিমওয়ালা মাছ থেকে শুরু করে কুচিয়া, ব্যাঙ ও কাঁকড়াসহ সব ধরনের জলজ প্রাণী আটকা পড়ছে। এতে ধ্বংস হচ্ছে মিঠাপানির মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ব্যবস্থা।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই)  দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ যৌথভাবে উপজেলার ইসালডাঙ্গা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। এ সময় একটি খাল থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারির মধ্যেও অসাধু চক্র গোপনে এই জাল ব্যবহার করছে। বিশেষ করে উপজেলার পান্তাপাড়া ও বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নে এই জালের ব্যবহার উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে।

ভারপ্রাপ্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দীন ইসলাম বলেন, চায়না দুয়ারি জাল কেবল মাছ নিধন করে না, এটি জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য এক বড় হুমকি। এই জালের কারণে দেশীয় প্রজাতির মাছের উৎপাদন আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। নিষিদ্ধ এই জালের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘প্রাকৃতিক জলাশয়ের জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও দেশীয় মাছের উৎপাদন ধরে রাখতে নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। তথ্য পাওয়া মাত্রই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জনস্বার্থে এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত